পোস্টগুলি

জানুয়ারি, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

এরশাদের মত বিশ্ব বেহায়া না হ

ছবি
 " নির্লজ্জ না হলে কি আওয়ামিলীগ করা যায় না?আওয়ামিলীগের কি লজ্জা নাই? ১। আওয়ামিলীগ এর নেত্রী, খুনী হাসিনা পালায় না বলে পালিয়ে গেলো কেনো? ২। হাসিনা পালিয়ে নিজের পরিবারকে ঠিকই রক্ষা করেছে কিন্তু আর কারো কথা ভাবে নি। ৩। আগের দিনও যে নেতারা হাসিনাকে বাঁচানোর জন্য নিজের জীবন দিতে প্রস্তুত ছিলো তাদেরকেও পালানোর ১মি: আগ পর্যন্ত কিছু বলে নি। ৪। চট করে আসবে আসবে বলে আপা আসে নি কিন্তু আপার কারনে আপার কর্মীরা বাংলা দেশে বিচারের সম্মুখীন হচ্ছে। ৫। আওয়ামিলীগ এর বাংলাদেশে অবস্থানরত লোকেরা দলের জন্য আওয়ামী মুসলমানরা নিজের ধর্ম পাল্টিয়ে হিন্দু সেজে হাসিনাকে আনার ব্যর্থ চেষ্টা করলো, সফল হয়নি। ৬। ৩৬০ জন এমপি,মন্ত্রী ইতিহাসে প্রথম কর্মীদের ফেলে পালিয়ে গেলো।তার পরও লীগার গুলা এত নির্লজ্জ হয় কি করে? ৭। বিপদে পড়ে যুবলীগ, আওয়ামিলীগ, শ্রমিক লীগ, ছাত্রদলীগ নেতারা সিনিয়র নেতাদের হাজারো ফোন দিলেও আওয়ামিলীগ নেতারা ফোন ধরা বন্ধ করে দিয়েছে কর্মীদের বিপদে রেখে। ৮। রিক্সাওয়ালা, ইসকন, আনসার সবই হলো হাসিনার জন্য, সফল হলো না। ৯। হাসিনাকে দেশে আনতে, যে ট্রাম্পের ছবি নিয়ে মিছিল করে গণধোলাই খেয়ে শ্রীঘরে গেলো হাজারো কর্...

বাংলাদেশে পাত্র নৃগোষ্ঠী

ছবি
  বাংলাদেশে পাত্র নৃগোষ্ঠী  পাত্র নৃগোষ্ঠী  পাত্র- পূর্ব ভারতের একটি প্রাচীন বাসিন্দা। এদের অধিকাংশই পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যায় পাওয়া যায়। তারা সংস্কৃতিগতভাবে এবং ঐতিহ্যগতভাবে সমৃদ্ধ। পাত্র নৃগোষ্ঠী  এবং সম্প্রদায় সম্পর্কে জানার জন্য তাদের ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি সম্পর্কে একটি সাধারণ জ্ঞান গুরুত্বপূর্ণ। পাত্ররা মূলত ভারতের আদি বাসিন্দাদের নিয়ে গঠিত এবং সারা দেশের পূর্ব দিকে বসবাস করে। পাত্রের প্রাথমিকভাবে দুটি ব্যবহার রয়েছে যা কৃষি ব্যবহার এবং হস্তশিল্প। এবং তাদের ভাষা এবং লোককাহিনী খুবই বৈচিত্র্যময়। পাত্র নৃগোষ্ঠীর ইতিহাস: পাত্র জাতিগোষ্ঠীর ইতিহাস অত্যন্ত প্রাচীন এবং বৈচিত্র্যময়। এই জাতিগোষ্ঠীগুলো তাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছে প্রাচীন কাল থেকেই। এই ব্লগের এই অংশে, আমরা পাত্র বংশের সৃষ্টি ও সভ্যতা এবং আদি রাজবংশের পথের সমাধান করব। উৎপত্তি এবং বিকাশ: পাত্র জাতিগোষ্ঠীর উৎপত্তি সম্পর্কে বিভিন্ন মতবাদ রয়েছে। অধিকাংশ ইতিহাসবিদ মনে করেন যে এই জাতিগোষ্ঠীটি প্রাচীন ভারতের আদিবাসী ছিল। প্রধান কর্মসংস্থান হয়েছে কৃষি ও পশুসম্পদ খাতে। এই জাতিগোষ্ঠীর মানুষ সম...

ইসলামের সাথে রাজনীতির সম্পর্ক

ছবি
  " ইসলামের সাথে রাজনীতির সম্পর্ক " ইসলাম ও রাজনীতির সম্পর্ক  یٰۤاَیُّهَا الَّذِیْنَ اٰمَنُوا ادْخُلُوْا فِی السِّلْمِ كَآفَّةً ۪ وَّ لَا تَتَّبِعُوْا خُطُوٰتِ الشَّیْطٰنِ ؕ اِنَّهٗ لَكُمْ عَدُوٌّ مُّبِیْنٌ হে ঈমানদারগণ! তোমরা পুরোপুরি ইসলামে প্রবেশ করো এবং শয়তানের অনুসারী হয়ো না, কেননা সে তোমাদের সুস্পষ্ট দুশমন।(বাক্বারা-২০৮)। اِنَّ الدِّیْنَ عِنْدَ اللّٰهِ الْاِسْلَامُ ۫ وَ مَا اخْتَلَفَ الَّذِیْنَ اُوْتُوا الْكِتٰبَ اِلَّا مِن ۢ ْ بَعْدِ مَا جَآءَهُمُ الْعِلْمُ بَغْیً ۢ ا بَیْنَهُمْ ؕ وَ مَنْ یَّكْفُرْ بِاٰیٰتِ اللّٰهِ فَاِنَّ اللّٰهَ سَرِیْعُ الْحِسَابِ ইসলাম আল্লাহ‌র নিকট একমাত্র দ্বীন–জীবন বিধান। যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছিল, তারা এ দ্বীন থেকে সরে গিয়ে যেসব বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করেছে, সেগুলো অবলম্বনের এছাড়া আর কোন কারণই ছিল না যে, প্রকৃত জ্ঞান এসে যাওয়ার পর তারা নিজেদের মধ্যে পরস্পরের ওপর বাড়াবাড়ি করার জন্য এমনটি করেছে। আর যে কেউ আল্লাহ‌র হেদায়াতের আনুগত্য করতে অস্বীকার করে, তার কাছ থেকে হিসেব নিতে আল্লাহ‌র মোটেই দেরী হয় না।( সূরা আল-ইমরান-১৯) قُلْنَا اهْبِطُوْا مِنْه...

যাদের বুঝাতে যাওয়া বোকামী

ছবি
 " যাদের বুঝাতে যাওয়া বোকামী" শিখাতে যাওয়া আর গাধা পিটানো সমান ১। যারা কোন রাজনৈতিক দলের অন্ধ কর্মী।  ২।কোনো পীরের মূরীদ। ৩। যারা বিজ্ঞানকে বাদ দিয়ে ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করে মানে বিজ্ঞান শিখতে রাজি না৷ ৪। যারা যারা চিকিৎসা বিজ্ঞানে ইউনানী, হোমিপ্যাথি বৈদিক, গাছের ছাল বাকলের রসের চিকিৎসা এবং এলোপ্যাথিতে এক সাথে বিশ্বাসী নয়৷ ৫। যারা জ্বেনা বন্ধের নামে বাল্য বিয়ে দারিদ্র বিয়ের উস্কানি দেয়, অথচ মানব জাতিকে যাকাত দিয়ে কিংবা সাহায্য দিয়ে স্বনির্ভর করতে রাজি নয়। ৬।যারা সরলমনা মানুষ বিশ্বাসী সুশীল, অতি সূফী,অতি নৈতিক, কোনো ঝুট ঝামেলায় যেতে চায় না। কারো ভালোও করে না খারাপও করে না। ৭। যারা ইতিহাস জানেনা কিংবা ইতিহাস জানলেও নিজের বিশ্বাসে অনড় থাকে এমন ঘাউড়া টাইপের লোক। ৮। যারা অতি অল্পেতুষ্ট, সূফী,ধুতি রক্ষা তত্বে বিশ্বাসী নয়! কোনো মতে চলতে পারলেই খুশি, সমাজের ধার ধারে না। ৯।যারা আলীগড়ি পন্থায় বিশ্বাসী নয়,অর্থাদ তারা নিজ ধর্মের সহজ কাজ গুলো করতে চায়, কিন্তু সমাজ বিপ্লবের পক্ষে নয়। তারা শর্টকাট পথে স্রষ্টাকে পেতে চায়। ১০। এমন সব ধার্মিক যারা গভীর রাতে জায়নামাজে আল্লাহকে পাওয়ার জন্য ব্যাকু...

বাংলাদেশে বিলুপ্ত প্রায় গোণ্ডি উপজাতি

ছবি
 "বাংলাদেশে বিলুপ্ত প্রায় গোণ্ডি উপজাতি" গোন্ডি নৃগোষ্ঠী  গোণ্ডি  (Gōndi)  গোঁড়  অথবা  গোণ্ড  জাতি একটি ভারতীয়  আদিবাসী  জাতি,বাংলাদেশেও তাদের অন্বস্থান ছিলো, যারা  দ্রাবিড় ভাষায়  কথা বলে। এই জাতির মানুষ  মধ্যপ্রদেশ , পূর্ব  মহারাষ্ট্র  ( বিদর্ভ )   ছত্তিসগড় ,  উত্তরপ্রদেশ ,  তেলেঙ্গানা ,  অন্ধ্রপ্রদেশ ,  বিহার  পশ্চিম  ওড়িশ য়া, বাললাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের জেলা  প্রভৃতি এলাকায় ছড়িয়ে রয়েছে। গোণ্ডদের  রাজ গোণ্ড ও বলা হয়ে থাকে। ১৯৫০-এর দশকে শব্দটির বহুলভাবে ব্যবহৃত হলেও, বর্তমানে এর ব্যবহার হয় না বললেই চলে, এর কারণ সম্ভবত গোণ্ড রাজাদের রাজনৈতিক ক্ষমতার বিলোপ। গোণ্ডি  ভাষা  দ্রাবিড়  ভাষা পরিবারের অংশ এবং  তেলুগু ভাষার  সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। গোণ্ডি জাতির প্রায় অর্ধেক লোক গোণ্ডি ভাষায় কথা বলে এবং বাকিরা  হিন্দি ,  মারাঠি  সহ অন্যান্য  ইন্দো-আর্য ভাষায়  কথা বলে। ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের আদমশুমারি অনুযায়ী, তাদের ...

বীরের জাতি সাঁওতালদের জীবন

ছবি
 " বাংলাদেশের বীরের জাতি সাঁওতাল নৃগোষ্ঠীর অজানা ইতিহাস  " সাঁওতালদের জীবন  সাঁওতাল  হলো  দক্ষিণ এশিয়ার  একটি অস্ট্রোএশিয়াটিক ভাষী জাতিগোষ্ঠী ।  সাঁওতালরা জনসংখ্যার দিক থেকে ভারতের  ঝাড়খণ্ড  ও  পশ্চিমবঙ্গ  রাজ্যের বৃহত্তম উপজাতি এবং তাদের উপস্থিতি  আসাম ,  ত্রিপুরা ,  বিহার  ও  ওড়িশা  রাজ্যেও রয়েছে। তারা বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের  রাজশাহী বিভাগ  ও  রংপুর বিভাগের  বৃহত্তম জাতিগত সংখ্যালঘু।  নেপালে  তাদের বিশাল জনসংখ্যা রয়েছে। সাঁওতালরা  সাঁওতালি ভাষায়  কথা বলে, এটি  অস্ট্রো-এশীয় পরিবারের  তৃতীয় বৃহত্তম ভাষা। স্থানীয় উৎপত্তিঃ সাঁওতাল সম্ভবত একটি বহিরাগত শব্দ থেকে উদ্ভূত। শব্দটি পশ্চিমবঙ্গের  মেদিনীপুর  অঞ্চলের পূর্ববর্তী  সিলদায় সাওন্টের  বাসিন্দাদের বোঝায় । সংস্কৃত  শব্দ  সামন্ত  বা বা  বাংলা   সাঁওত  মানে সমতল ভূমি। তাদের জাতি নাম  হর হোপন  ("মানবজাতির সন্তান")। সাওতাল নৃতাত্ত্বিক সূত্র...