পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

চূড়ান্ত পথভ্রষ্ট হিন্দুরাই মূর্তিপূজা করে, হিন্দু ধর্মীয় শাস্ত্রের ঘোষনা

ছবি
মূর্তি পূজা হিন্দু ধর্মে নিষিদ্ধ  ১) ঈশ্বর মাত্র একজন; দ্বিতীয় কেউ নেই। ছান্দগ্য উপনিষদের: অধ্যায় ০৬ অনুঃ ২ পরিঃ ০১। ২) সবশক্তিমান ঈশ্বরের কোন বাবা মা নেই। তার কোন প্রভু নেই। তার চেয়ে বড় কেউ নেই। শ্বেতাসত্র উপনিষদের: অধ্যায় ০৬ অনুঃ ০৯। ৩) তারা অন্ধকারে নিমজ্জিত আছে; যারা প্রাকৃতিক বন্তুর পূঁজা করে। যেমনঃ আগুন, গাছ, সাপ ইত্যাদি। যযুবেদ অধ্যায় ৪০ অনুঃ ০9 ৪) সবশক্তিমান ঈশ্বরের মত কেউ নেই ( তার কোন প্রতিমূর্তি নেই, প্রতিমা নেই, রুপক নেই, ভাস্কর্য নেই)। শ্বেতাসত্র উপনিষদের: অধ্যায় ০৪ অনুঃ ১৯। ৫) সবশক্তিমান ঈশ্বরকে কেউ দেখতে পাই না। শ্বেতাসত্র উপনিষদের: অধ্যায় ০৪ অনুঃ ১০ পরিঃ ২০। ৬) যাদের বিচার বুদ্ধি কেড়ে নিয়েছে জাগতিক আকাঙ্খা তারাই অপদেবতার পূজা করে। ভগবত গীতা : অধ্যায় ০৭ অনুঃ ২০। ৭) লোকে জানে আমি কখনও জন্মাইনি ও উদ্ভূত হয়নি; আমি এই বিশ্বজগতের সবময় প্রভু ভগবত গীতা : অধ্যায় ১০ অনুঃ ০৩। ৮) সবশক্তিমান ঈশ্বরের কোন মূর্তি নেই। যযুবেদ অধ্যায়ঃ ৩২ অনুঃ ০৩ ৯) তারা আরো বেশি অন্ধকারে নিমজ্জিত আছে; যারা মানুষের তৈরী বস্তুর পূঁজা করে। যেমন- মাটির পতুল, ভাস্কর্য ইত্যাদি। যযুবেদ অধ্যায...

ইন্তিফাদা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট

ছবি
১৯৬৪ সালের ২৮ মে আল-কুদস শহরে ফিলিস্তিনি কংগ্রেস বসে। এই কংগ্রেসে ফিলিস্তিন মুক্তিসংস্থা প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয়া হয়। গঠিত হয় ফিলিস্তিন মুক্তিবাহিনী 'পিএলও'। পরবর্তীতে ইয়াসির আরাফাতের আল-ফাতাহ 'পিএও-ই' যোগ দিলে এটি হয়ে উঠে তার সামরিক বাহিনী। ১৯৭৩ সালের অক্টোবর মাসে মিসরের সামরিক বাহিনী অতর্কিত সুয়েজ খাল অতিক্রম করে অলঙ্ঘনীয় বলে খ্যাত ইসরাঈলের বারলেভ প্রতিরক্ষা লাইন ভেঙে ফেলে এবং সিনাই মরুভূমি ও দখলকৃত ইসরাঈলি ভূখণ্ডে ঢুকে পড়ে। পূর্বদিক থেকে একই সময় সিরিয় বিমানবাহিনী ইসরাঈলের উপর হামলা চালায়। যুদ্ধের প্রথম কয়েকদিনে ইহুদিবাদের শত শত জঙ্গিবিমান ও সাঁজোয়া যান ধ্বংস হয়। নিহত হয় কয়েক হাজার ইসরাঈলি। শূণ্যে মিলিয়ে যায় ইসরাঈলের অপরাজেয় হওয়ার রূপকথা। যুদ্ধের পরবর্তী দিনগুলোতে ক্রুসেডার যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমাদের দ্রুত সামরিক সহায়তা ও সরাসরি অংশগ্রহণ এবং সিরিয় সেনাবাহিনীর বিশ্বাসঘাতকতায় যুদ্ধের গতি ইহুদিদের পক্ষে মোড় নেয়। অন্যান্য আরব দেশ এই যুদ্ধে সক্রিয় ভূমিকা না রাখায় মিসর নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ে। ইসরাঈলি সামরিক বাহিনি হেলিবোর্ডের মাধ্যমে সুয়েজ খালের পশ্চিমে মিসরের অভ্যন্তরের একটি ছোট্ট এল...

জামায়াতের একাত্তর ইস্যু ও আদর্শিক বিচ্যুতি

ছবি
  একাত্তর! একাত্তর! একাত্তর! বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই সংখ্যা যেন এক অব্যর্থ “ম্যাজিক নম্বর”—বিশ্বের আর কোনো দেশে হয়তো সংখ্যাভিত্তিক রাজনৈতিক মতাদর্শ এত প্রবল নয়। আর এই ‘একাত্তর চেতনা’ দিয়েই মূলত বাংলাদেশের একটি দলকে—বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে—চাপে রাখা হয়, যাদের পাকিস্তান জামায়াতের উত্তরসূরি বলা হয়। এই দলটির চরিত্র অনেক সময় গিরগিটির মতো রূপান্তরশীল বলে মনে হয়। সকলেই জানি, বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। জন্মলগ্নে অনেক রাজনৈতিক দল স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, যার মধ্যে জমিয়ত ছিল সবচেয়ে সংগঠিত, আর জামায়াত ছিল তুলনামূলকভাবে ছোট দল। কিন্তু তাদের বিরোধিতার মূল কারণ কী ছিল? শুধু কি পশ্চিমাদের গোলামী? নাকি এর পেছনে আরও গভীর রাজনৈতিক শঙ্কা ছিল?—এটা বুঝতে হলে কিছু প্রেক্ষাপট জানা জরুরি। কিছু প্রাসঙ্গিক তথ্যঃ ফ্যাক্ট–১ বাংলাদেশ পশ্চিম পাকিস্তানের শোষণ থেকে স্বাধীন হয়েছে। কিন্তু পাকিস্তানের জন্মের বিরোধী ছিল ভারত—অর্থাৎ পূর্ব পাকিস্তানেরও জন্মের বিরোধিতায় ভারত ছিল একটি বড় পক্ষ। ফ্যাক্ট–২ সাধারণভাবে মনে করা হয় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই দেশ স্বাধীন হয়েছে। অথচ তাদের প্রধান...

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দূর্নীতির বিরুদ্ধে মানব বন্ধন ও গন থাপড়ানো কর্মসূচী পালন, অভিযুক্তরা চম্পট

ছবি
  কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দূর্নীতির বিরুদ্ধে মানব বন্ধন ও গন থাপড়ানো কর্মসূচী পালন, অভিযুক্তরা চম্পট কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওষুধ কেনাবেচায় কোটি টাকার দুর্নীতির প্রতিবাদে মানব বন্ধন ও গন থাপড়ানো কর্মসূচী পালন হয়েছে এবং অভিযুক্তরা এসময় বিক্ষুব্ধ জনতার উপস্থিতি টের পেয়ে চম্পট দিয়েছে বলে জানা যায়। এ ঘটনায় হাসপাতালের বর্তমান পরিচালক মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ, সহকারী পরিচালক ডা. শাহজাহান,হিসাব রক্ষক মো: দেলোয়ার,পরিচালকের সহকারী জসিম উদ্দীন, কম্পিউটার অপারেটর সহ সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও কর্মকর্তাদের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও গন থাপড়ানো কর্মসূচি পালন করেছেন নিপীড়িত নাগরিক সমাজ এবং কুমিল্লার ছাত্র-জনতা। বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বক্তারা অভিযোগ করেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে হাসপাতালের ওষুধপত্র (এমএসআর) গ্রুপে প্রায় পাঁচ কোটি টাকার কেনাকাটায় বড় অংকের অনিয়ম ও দূ্নীতি হয়েছে। বিশেষ করে  ইনজেকশন পেন্টোথাল সোডিয়াম (১ গ্রাম ডিস্ট্রিল ওয়াটার সহ)  ৪ হাজার ভায়েল ক্রয় করা হয়েছে ভায়েল প্রতি এক হাজার ২৯৯ টাকা দরে, যেখানে বাজারমূল্য ...

ভারতের মুসলিম গনহত্যার পোস্টমর্টেম

ছবি
  দেশের বৃহত্তম ধর্মীয়-সংখ্যালঘু হওয়া সত্ত্বেও, ভারতের মুসলিম সম্প্রদায়গুলো প্রায়শই হিন্দু-জাতীয়তাবাদীদের দ্বারা সহিংস আক্রমণ ও হামলার শিকার হয়েছে। অতীতে, এই আক্রমণগুলো সাম্প্রদায়িক সহিংসতা হিসেবে বিবেচিত ছিল এবং হিন্দু ও মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যে সাম্প্রদায়িক দ্বন্দ্ব হিসাবে চিহ্নিত হয়েছিল। তবে,বাবরীর মসজিদ ভেঙে দেওয়ার পরে হিন্দুত্ববাদ উত্থানের সাথে সাথে আক্রমণগুলো আরও নিয়মতান্ত্রিক হয়ে উঠেছে,রাষ্ট্র-অনুমোদিত কার্যক্রমের আকার নিয়েছে। ১৯৫০ সাল থেকে শুরু হওয়ার পর ১৯৫৪ সাল থেকে ১৯৮২ সালের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনাবলীতে হিন্দু-মুসলিম সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় প্রায় ১০০০০ মুসলিম নিহত হয়। কারণঃ মুসলিম বিরোধী সহিংসতার শেকড়গুলি মধ্যযুগে ভারতবর্ষের  ঐতিহাসিক  ইসলাম বিজয়ের প্রতি ভারতের  অতীব বিরক্তি ,  ১৮৫৭   সালে সিপাহী বিদ্রোহের পরে (যা মুসলিম ব্যবসায়ী ও তৎকালীন শাসকগণ দ্বারা ভাল পরিমাপে সক্ষম হয়েছিল) ব্রিটিশ উপনিবেশকারীদের ব্যবহৃত রাজনৈতিক  দখল  ফিরে পাওয়ার জন্য  বিভক্তকরণের  নীতির মাঝে নিহি...

আসল ওহাবী ও আহলে হাদীস একই মূদ্রার এপিঠ-ওপিঠ

ছবি
  আসল ওহাবী ও আহলে হাদীস  একই মূদ্রার এপিঠ-ওপিঠ মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মান্নান অদৃশ্যের সংবাদাতা আমাদের আক্বা ও মাওলা সরকার-ই দু’জাহান সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম ইসলামের স্বচ্ছ উদ্যানে (সুন্নী দুনিয়ায়) ‘বাহাত্তর ফির্কারূপী’ যেসব জাহান্নামী আগাছা জন্মাবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করে বিশ্ববাসীকে সতর্ক করেছেন তন্মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ওহাবী-খারেজী সম্প্রদায়। আর এ ওহাবী সম্প্রদায়ের নতুন নাম ও নব-সংস্করণ হচ্ছে ‘আহলে হাদীস’। কারণ এ মহাভ্রান্ত ‘আহলে হাদীস’-এর আক্বীদা বা তথাকথিত ধর্ম বিশ্বাস ও অপকর্মগুলো ওহাবীসম্প্রদায়ের মূল গুরু ‘মুহাম্মদ ইবনে আবদুল ওয়াহ্হাব নজদী’রই অনুরূপ। মহামহিম আল্লাহ্ তা‘আলা, তাঁর মহান হাবীব ও আহলে বায়ত এবং আউলিয়া-ই কেরামের মানহানি ইত্যাদি তো আছেই, মাযহাব, ইজতিহাদ ও তাক্বলীদের গুরুত্বকে অস্বীকার বরং এর বিরুদ্ধে চরম বেয়াদবী প্রদর্শন ইত্যাদির ধারনা দেখলে সবাই একথা স্বীকার করতে বাধ্য হবেন যে, ‘আহলে হাদীস’ নামের এ ভ্রান্ত সম্প্রদায় ইবনে ওয়াহ্হাব নজদীর অন্যতম পরম স্বপ্ন (মাযহাবের বিরোধিতা) বাস্তবায়নের জন্যই এখন আদাজল খেয়ে লেগেছে। ওদিকে পবিত্র আরব-ভূমিতে অপবিত্র-গ...