হৃদয় পাগলের আত্ম কাহিনী এবং মি. ইবলিশের স্বাস্থ্যহানী
ইবলিশের ডায়াবেটিস ঘটনাটা ২০২১ সালের ঈদুল আজহার পরের দিন। আমি এবং আমাদের চাচাত ভাইদের মধ্যে সবচেয়ে দুষ্টু রশিক জাকির ভাই সহ অনেকে ঈদের পরের দিন আমার গ্রামের দৈনিক বাজারে বসে সবার সাথে কৌশল বিনিময় করছিলাম। একে একে যারাই আসছে সবার সাথে হ্যান্ডসেক করে ভাব বিনিময় করছি কিন্তু করুনার ভয়ে কোলাকুলি করছিলাম না। এক পর্যায় পাশ দিয়ে আমার এক ভাতিজা, বয়সে আমার বড় নাম হৃদয় পাগলা আমাদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল, আমি ডাকলাম কি চাচা কেমন আছ? দাঁড়াও কথা আছে, আমার উদ্দেশ্য হল বেশ অনেক বছর পর এই ভাতিজাকে দেখতে পেলাম, কেমন আছে, কি করে জানব। কিন্তু ভাতিজা আমার কথা শুনে ভাল আছি বলে দ্রুত চলে গেল, দেখে তাড়া আছে মনে করে তাকে আর ডাকলাম না। ওহে! এই হৃদয় পাগলের পরিচয়টা একটু বর্ননা না করলে পাঠকগন ঘটনা প্রবাহ বুঝতে কঠিন হবে। তাই বলছি, হৃদয় পাগলার আসল নাম গিয়াস উদ্দিন, বয়সে আমার তিন বছরের বড়, কিন্তু পরীক্ষায় ফেল করতে করতে ৫ম শ্রেনীতে গিয়ে আমার সমান হয়ে যায়। ঐ ক্লাসেই গিয়াস কাকার আমার সাথে খুব ভাল সম্পর্ক হয়। উনি বড় কিন্তু আমি উনাকে কাকু ডাকলেও উনিও আমার সম্পর্কে ভাতিজা বিধায় আমাকেও কাকু বলে ডাকত। বার্ষ...