4547715 ডা.বশির আহাম্মদ: ছিয়াশির নির্বাচনের গাদ্দারদের ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ২০২৫ সালে জুলাই সনদে > expr:class='"loading" + data:blog.mobileClass'>

Wikipedia

সার্চ ফলাফল

শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৫

ছিয়াশির নির্বাচনের গাদ্দারদের ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ২০২৫ সালে জুলাই সনদে


ছিয়াশির নির্বাচনের গাদ্দারদের ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ২০২৫ সালে জুলাই সনদে


বাংলাদেশ জামায়াতে(জমের হাত) ইসলামীকে সহ অনেক দলকে বাংলাদেশের মানুষ ছিয়াশির বেঈমান বলে কেননা তারা জাতির সাথে বেঈমানী করে আওয়ামিলীগ এর সাথে মিলে এরশাদ সরকারের বিতর্কিত ১৯৮৬ এর নির্বাচনের বৈধতা দেওয়ার জন্য।ল অংশগ্রহণ করেছিলো। এই ছিয়াশির বেঈমানীকে নানা ভাবে ব্যাখ্যা করে জামায়াত(জমের হাত)জায়েয  করেছে কিন্তু ২০২৫ সালের জুলাই সনদ নিয়ে এনসিপি ও জাতির সাথে বেঈমানীর কি জবাব দেবে জামায়াত(জমের হাত) এটাই এখন দেখার বিষয়

কেননা জামায়াত(জমের হাত) ইতি মধ্যেই পূজা ইস্যুকে ভোটের জন্য নরমালাইজেশন করে ফেলেছে, এক প্রকার জায়েজ ফতোয়া দেওয়ার মত, তারা বলছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বহি: প্রকাশ ও নিরাপত্তার বিষয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রেক্ষিতে নাকি তারা পূজায় গেছে যদিও তারা এত দিন খোদ ক্ষমতাসীনরাও রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের জন্য পূজায় গেলেও জামায়াত(জমের হাত) শিবির সমর্থিতরা কাফের ফতোয়া দিত কিন্তু নিজের বেলায় সে ফতোয়া উল্টে গেছে।

মানুষ জামায়াতের(জমের হাতের) ৭১ এর গাদ্দারি ও স্বৈরাচার এরশাদের আমলে ১৯৮৬ সালে নির্বাচনে অংশ নিয়ে জাতীর সাথে গাদ্দারীর কথা প্রায় ভুলতে বসেছিলো কিন্তু ২০২৫ সালে আবারো জুলাই সনদে স্বাক্ষরের বিষয়ে পল্টিমেরে আবারো জাতীয় গাদ্দারের খাতায় নতুন ভাবে নাম উঠালো ৭১ এর গাদ্দাররা।

সবাই জানে এনসিপি নামক নতুল দলটি গুপ্ত শিবিরের সদস্যদের নেতৃত্বে গঠিত। এই দলকে লালনপালন তারাই এত দিন করতো, এখন তারা আবারো গাদ্দারি করে তাদের সাথেও পল্টি মেরেছে। বিগত ১ বছর যাবত জামায়াত(জমের হাত) বলত যে তারা নিম্ন কক্ষেও পিআর না হলে তারা নির্বাচন হতে দিবে না এবং জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে না। এই কথা শোনে এনসিপি জুলাই সনদের স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে গেলো না, জুলাই যোদ্ধাদের  একাংশ প্রতিবাদ করে মার খেলো কিন্তু যেই জামায়াতের(জমের হাতের) ভরসায় এনসিপি জুলাই সনদের স্বাক্ষর অনুষ্ঠান বর্জন করলো তারা ঠিকই জুলাই সনদে স্বাক্ষর করলো। আর এনসিপিকে দেখালো কাচকলা।

এই জামায়াত(জমোর হাত) আজকের গাদ্দার নয়, তারা ইতিহাসের বহু পুরান কারিগর ও গাদ্দার, বাংলাদেশ আমলের সকল সময়ই তারা তাদের স্বার্থে গাদ্দারের খাতায় নাম লেখাতে ভুল করে নি।
ছিয়াশির নির্বাচনের ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ২০২৫ সালে জুলাই সনদের স্বাক্ষরের বেলায়ও একই কাজ করতে ভুলেনি জামায়াত(জমের হাত)।


এই জামায়াত(জমের হাত) দলটি এমন একটি ইসলামি দল যাদের চরিত্র আর গিরগিটির চরিত্রের মধ্যে পুরোপুরি মিল রয়েছে। আমরা সবাই জানি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে, আমরা স্বাধীন রাষ্ট্র হয়েছি।এই স্বাধীন রাষ্ট্রটি জন্মের শুরুতে অনেক রাজনৈতিক দল বিরোধীতা করেছিলো যার মধ্যে সবচেয়ে বেশী বিরোধীতা করেছে জমিঈয়ত, তার পর সংখ্যা লঘু হিসাবে জামায়াত(জমের হাত)। 

জামায়তকে(জমের হাতকে) কেউ একাত্তর নিয়ে প্রশ্ন করলে তারা যদি/কিন্তু মিশিয়ে তাদের ৫৪ বছর আগের নেতাদের গাদ্দারির  কথা অস্বীকার করে বসে। বর্তমান জামায়াত(জমের হাত) নেতা গুলো প্রায় সবাই গিরগিটি টাইপের।একাত্তর বিষয়ে একেক নেতা একেক সময়ে একেক মন্তব্য করে বসে। তারা একাত্তর বিষয়ে অবস্থান বার বার পরিবর্তন করছে। ১৯৮৬ তে জাতীয় বেঈমানীর নির্বাচনে আওয়ামিলীগ এর সাথে জোট করে নির্বাচনে গিয়ে জাতীয় বেঈমানের খাতায় নাম লেখায়,তার পর ১৯৯১ সালে বিএনপির সাথে জোট, ১৯৯৬ সালো আবার তাদের পুরানো সঙ্গী আওয়ামিলীগের সাথে জোট, ২০০১ সালে বিএনপির সাথে জোট বার বার তাদের রাজনৈতিক আদর্শের কুরবানী ও আদর্শের  বলিদান দলটিকে রাজনৈতিক ও আদর্শিক পতিতায় পরিনত করেছে। এখন নতুন কথা বলছে তারা নাকি একাত্তর বিষয়ে কখন কোথায় ক্ষমা চেয়েছে।কোথায় ক্ষমা চেয়েছে আমার জানা নাই, ক্ষমা যদি চেয়েই থাকে তাইলে সত্যিই কি একাত্তরের অপকর্মের জন্য তারা দোষী? এটা কি তারা মেনে নেবে?

জামায়াত(জমের হাত) ইসলাম প্রতিষ্ঠার আদর্শ হতেও সরে এসেছে ইদানীং। কয়েকদিন আগে এক বিবিসি স্বাক্ষাতকারে জামায়াতের(জমের হাতের) সাবেক এমপি ও নায়েবে আমীর ডা.সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরকে প্রশ্ন করা হয় আপনারা কি ক্ষমতায় গেলে শরীয়াহ আইন জারি করবেন? তখন ডা.তাহের গাছ হতে পড়ার ভান করে বলেন এ দাবী আবার কবে করলাম? অর্থাদ জামায়াত(জমের হাত) ক্ষমতায় আসলে ইসলামি শরীয়তের আইন জারি করার বিষয়ে বদ্ধপরিকর না।

আগে তাদের দলীয় সংবিধানে ছিলো ইসলামী রাষ্ট্র গঠনের দফা, এ দফাকে তারা বদল করে করেছে কল্যান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা। অর্থাদ জামায়ত(জমের হাত) খিলাফত প্রতিষ্ঠার কোনো এজেন্ট নিয়ে কাজ করতে বাধ্য নয়। কল্যান রাষ্ট্র তো ইসলামি উপায় ছাড়াও অনেক উপায়েই করা যায়। তারা কোন উপায়ে করতে চায়? 

আবার দেখেন তাদের ছাত্র সংগঠন ইসলামি ছাত্রশিবিরের গঠন তন্ত্রের পঞ্চম দফা ছিলো ইসলামি বিপ্লব,অর্থাদ বিপ্লবের মাধ্যমে চুড়ান্ত ইসলাম প্রতিষ্ঠা, এটা তারা পরিবর্তন করে করেছে ইসলামি সমাজ প্রতিষ্ঠা। 

জামায়াত(জমের হাত) যে ভারতের জুজুর ভয় দেখিয়ে তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধীতা করেছিলো এবং তাদের তখনকার সিদ্ধান্ত বাস্তবতার আলোকে যে সঠিক ছিলো তা জুলাই বিপ্লবে প্রমানও হলো তার পরও জামায়াত নেতারা ভারতের সহিত সম্পর্ক উন্নয়নে নিজ হতে প্রকাশ্যে ঘোষনা দিচ্ছে,অথচ আজও স্বাধীন পাকিস্তানকে অস্বীকার করে ইসলামি শক্তির দমন নীতিতে যে ভারত বদ্ধপরিকর সে ভারত।

কেউ কি একবারও চিন্তা করেছেন যে জামায়াত ১৯৭১,১৯৮৬,১৯৯১,১৯৯৬,২০০১ এত এত পল্টিবাজির পরও বর্তমানে ২০২৫ সালে পল্টি মেরে কিভাবে জুলাই যোদ্ধাদের সাথে বেঈমানী করেছে? এন সি পির মত গৃহপালিত দলের সাথে জুলাই সনদ নিয়ে কি ধরনের নীচু মানসিকতার পরিচয় দিয়েছে?

জামায়াত(জমের হাত) আজীবন জাতির সাথে বেঈমানী করেছে,ভবিষ্যতেও করবে,প্রয়োজনেই করবে। এদের বিশ্বাস করা আর কালসাপকে বিশ্বাস করা একই কথা।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ

বাউল নামের ফাউল আর আইয়্যেমে জাহেলিয়াতের কবিদের পরিত্যাজ্য

  ইদানীং বাউলদের ফাউল আচরন আর সৃষ্টি কর্তার সাথে বেয়াদবীর সীমা অতিক্রম করেছে। আগের যুগে আইয়্যেমে জাহেলিয়াতের কবিরা যেরকম আচরন করত সেরকম আচরন...