সনাতন ধর্মের পিছনের নগ্ন ইতিহাস

 লেখক: ডা.দীপা মনি(সনাতন ধর্মী)

এটি আমাদের সনাতন ধর্মের পিঁছনের নগ্ন ইতিহাসকে তুলে ধরে।


আমরা মূলত পৃথিবী বাসীকে ধোকা দেওয়ার জন্য বলে থাকি, সনাতন ধর্ম প্রাচীন ধর্ম। আদতে আমাদের ইতিহাস আর্য্ জাতী থেকে শুরু।


আমি আমার অনেকগুলো পোষ্টে বলেছি, ভারতীয় উপমহাদেশে হিন্দু ও কর্নভাট মুচলমান জাতী জাযাবর গোষ্টি হতে জন্ম নিয়েছে। সে সময়ে পুরো ভারতীয় উপমহাদেশের ৭০% ছিলো গভীর বন-জঙ্গলে ভরা। রাস্তা-ঘাট না থাকায় নদী পথই ছিলো যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম।


সেই আলোকে সিন্ধু নদীর অববাহিকতায় ছন্নছাড়া বিভিন্ন জাযাবর গোষ্টি বাস করত। তাদের নির্দিষ্ট কোন ধর্মীয় বিশ্বাস ছিলোনা। যার যার মত ভগবান বিশ্বাস নিয়ে কাজ করতো। সেই একই সময়ে আরব জাতীও বিভিন্ন ধরনের মৃর্তি পূঁজায় মগ্ন ছিলো।


আরবদের একটি বৈশিষ্ট্য ছিলো, তারা বানিজ্যের জন্য বিভিন্ন দিকে যাতাযাত করতো আর সাথে তাদের দেবদেবীর মূর্তিগুলোও নিয়ে যেত। সিন্ধু নদী ধরে তারা বিভিন্ন বানিজ্যের পাশাপাশি জাযাবার গোষ্টির কাছে তাদের মূর্তি সংস্কৃতিকেও তুলে ধরে।



ধীরেধীরে জাযাবর গোষ্টি মুর্তি পূঁজায় ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে যায়। এজন্যই আমাদের সনাতন ধর্মের শতশত মূর্তির নাম আরবী ভাষার সাথে মিলে যায়। একটি সময়ে আরব জাতী ইসলামের সুশিতল ছায়ায় মুসলমান হয়ে যায়, অপরদিকে সিন্ধু নদীর অববাহিকতায় থাকা জাযাবর গোষ্টি সিন্ধু হতে হিন্দু নামে আলাদা একটি ধর্মীয় গোষ্টিতে পরিণত হয়। কিন্ত তাদের বন্য যৌন সংস্কৃতিও সাথে থেকে যায়।


এই বন্য যৌন সংস্কৃতিকে আমাদের ব্রাম্মন পৌরহিতরা নিজের ভোগ-বিলাস, লালসাকে পাকাপোক্ত করার জন্য সেটিকে ধর্মীয় আবরনে রুপদেয়। তাদের কারনেই আমাদের পুরো হিন্দু ধর্মটাই একটি লিলাখেলার ধর্মে পরিণত হয়। সেখানে বেশ্যা প্রথাকে ধর্মীয় মর্যাদা দিয়ে তাকে স্থায়ী রুপ দেয়া হয়। সেইসাথে যৌনতাকে এত গভীর, প্রান্জল, সুশোভীত এক শিল্পের রুপ দেয়া হয়। নারী সনাতন ধর্মে হয়ে যায় ভোগের পণ্য আর সেটি ধর্মীয় রুপও পায়।


বিশ্বের বুকে আজো অবদি সবছেয়ে বেশি পতিতালয় ভারতীয় উপমহাদেশে অবস্থিত। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সময়ে আমাদের সনাতন ধর্মে ৭০% সন্তান জারজ। বর্তমান ডিএনএ টেষ্ট সেই সত্যকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেছে। এক বিচিত্র লিলাখেলার ধর্ম, এর থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে।


এই কঠিন সত্যকে মেনে নিয়েই আমাদেরকে সংস্কারের মন নিয়ে সামনের দিকে পথ চলতে হবে।  না হলে শুধু এটি একটি বংশধারা ক্রম অনূসারে ধুকেধুকে সামনের ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে আগাবে, কখনোই বিকাশমান ধর্মে রুপ নিবেনা।


সূত্রঃ[https://www.facebook.com/share/p/1BZBiSVJSb/]

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ইসলামে সূফীবাদ নামক কুফুরী ভ্রান্তি

মাও: মওদূদীর ভ্রান্ত আকীদা নিয়ে ৮৫ বছর যাবত ভারতবর্ষের আলেমদের বিতর্কের কারন

স্বাধীনতার যুদ্ধে সহায়তার নামে ভারতীয় বাহিনীর বাংলাদেশ লুটের হিসাব

আহলে হাদিসের ভন্ডামীর আদ্যোপান্ত

ঈমান আনায়নের পর প্রথম কাজ মুসলমানদের ভূমি রক্ষা

জামায়াতে ইসলামীর শালী তালাক

দেশের জন্য সব হারানো বেগম খালেদা জিয়ার সফল সংগ্রামী জীবন

জয়বাংলা একটি পাকিস্তানি হাইব্রিড স্লোগান

প্রকৃত বুদ্ধিজীবি হত্যাকারী নিজামী নয় আওয়ামিলীগ, তাদের বিচার চাই