4547715 ডা.বশির আহাম্মদ: জামায়াতের ১০টি গাদ্দারী: > expr:class='"loading" + data:blog.mobileClass'>

Wikipedia

সার্চ ফলাফল

রবিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৫

জামায়াতের ১০টি গাদ্দারী:



 জামায়াতের ঐতিহাসিক গাদ্দারির কিছু ইতিহাস:

১। জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর সাহেব বলেছেন বিএনপির সাথে জামায়াতের কোন জোট নাই, কিন্তু আমরা সাধারন জনগন জানি ২০০১ সাল হতেই জামায়াত-বিএনপি জোট আছে। আমার প্রশ্ন কোন সালের কত তারিখ আপনারা বিএনপির সাথে রাজনৈতিক জোট ভেঙ্গেছেন তা জাতিকে জানিয়েছেন? জোট ভাঙ্গার বিষয়ে কোথাও কোনো সাংবাদিক সম্মেলন করেছিলেন?

২।জামায়াতের রাজনৈতিক জোটের আর ভোটের ইতিহাস টানলে কতটুকু নি:স্বার্থ ও সচ্ছতা মেলে ডা. শফিকুর রহমান বলতে পারবেন? আমি যদি প্রশ্ন করি ১৯৮৬ সালে স্বৈরাচার এরশাদের সাজানো নির্বাচনে আওয়ামিলীগ এর সাথে আঁতাত করে যে অংশ গ্রহন করে ছিলেন এতে জাতির কোন উপকারটা হয়েছিলো? বিএনপি কিন্তু তখন নির্বাচনে যায় নি। এতে কি প্রমানিত হয় না যে ১৯৮৬ র নির্বাচনে কোনো লোভ লালশা বিএনপিকে জাতির সাথে বেইমানী করতে প্রলুব্ধ করতে পারে নি, কিন্তু আওয়ামিলীগ ও জামায়াত ঐ বছর নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে ৮৬'র বেঈমান হিসাবে পরিচিত হয়ে ছিলো। আপনারা এই বিষয়টিকে কি আজ পর্যন্ত ব্যাখ্যা করতে পেরেছেন বা কোথাও সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছেন?এটা কি নিজের ক্ষমতায় আরোহনের লোভে করে নি? নাকি ইসলামের স্বার্থে করেছেন, ইসলামের স্বার্থে করলে ইসলামের কি উপকার হয়েছে বলতে পারবেন?

৩।১৯৯১ সালে ৫ বছরের মাথায় আপনাদের পুরানো সঙ্গী আওয়ামিলীগের সংসার ছেড়ে হঠাৎ করে নির্বাচনের পর বিএনপিকে সরকার গঠন করার জন্য নিজেদের সংসদীয় আসন গুলো যৌতুক দিলেন, সে সময়ে এই বিএনপির সাথে সখ্যতা কি জাতির স্বার্থে করে ছিলেন নাকি নিজের স্বার্থে করেছিলেন? ছিয়াশি সালের নির্বাচনে জাতির সাথে গাদ্দারীর জন্য কি জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন নাকি তখনকার সেই বেঈমানীটাকে সঠিক বলে মনে করেছেন? এত তাড়াতাড়ি লীগের সাথে সংসার ভাঙ্গলো কেনো?

৪। আওয়ামিলীগের সাথে আঁতাত করে এরশাদের পাতানো নির্বাচনে অংশগ্রহনের ঠিক ১০ বছর পর, আর বিএনপির সাথে সংসার চলাকালীন ১৯৯৬ সালে আবার ধর্ম নিরপেক্ষতাবাদ নামক কুফুরী আকিদা ধারী আওয়ামিলীগ এর সাথে জোট করে বিএনপিকে সরিয়ে আবার লীগকে ক্ষমতায় আনার জন্য যে ভুমিকা রেখেছিলেন তা বাংলাদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠায় কি উপকার হয়েছিলো? নাকি ঐ সময় সেক্যুলারিজম এর সহায়তা জায়েজ ছিলো?নাকি ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য সব জায়েজ?

৫। মেজর জিয়াউর রহমন কর্তৃক আপনাদেরকে রাজনৈতিক মাঠে পুনর্বাসনের মতো উপকারের কথা বেমালুম ভুলে, ছিয়াশিতে আপনাদের পুরানো বন্ধু আওয়ামীলীগ এর সাথে যৌথ ভাবে জাতীয় বেঈমান খ্যাতি পাওয়ার পর আবার ২০০১ সালে বিএনপির সাথে জোট করলেন। ক্ষমতায় গিয়ে বিএনপির সাথে মিলে আপনাদের দলের লোকেরা যে জমি ব্যবসার নামে মানুষের রক্ত চুষেছে, জীবন বীমা, ইসলামি শরীয়াহ ভিত্তিক অর্থনীতির নামে সুদের ব্যবসা, আইসিএল, এফ আই সিএল অর্থ আত্মসাৎ,  একটি ফ্ল্যাটকে ১০০ মালিকের নিকট বিক্রি করে মানুষকে পথে বসানো, এমএল এম কোম্পানী ইত্যাদির মতো অর্থ লগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মানুষের বিলিয়ন, বিলিয়ন টাকা জামায়াতে নেতাকর্মীরা হাতিয়ে নিয়ে ছিলো তার দায় কি আপনাদের দলের একার নাকি আপনাদের জোট সঙ্গীদেরও ছিলো? এই বিষয়ে জনগনকে কোনো ব্যাখ্যা দিয়েছেন?নাকি আপনাদের শরীয়ত আলাদা?

৬। ২০০৮ সালে বিএনপি নির্বাচনে যেতে চায় নি, মনে আছে? না থাকলে খালেদা জিয়াকে জিজ্ঞেস করে নিবেন। তখন জামায়াতের তৎকালীন আমীর জনাব শহীদ মতিউর রহমান নিজামী (রাহি:) এর উদ্যোগে বিএনপিকে আবার সংগঠিত করে নির্বাচনে গেলেন, গিয়ে নিজেরা শূন্য হাতে ঘরে আসলেন, আর নিজের জোট সঙ্গীকে ৩৩ আসনের মালিক বানিয়ে ভরাডুবি করলেন। আমার প্রশ্ন কার নিশ্চয়তায় কিংবা কার ইঙ্গিতে অথবা কার স্বার্থে আপনারা তখন বিএনপিকে নির্বাচনে নিয়েছিলেন? জাতিকে ব্যাখ্যা করতে পারবেন?আপনাদের যারা নির্বাচনী জরিপে ২৭০ আসন পাওয়ার কথা বলেছিলো সে সংস্থার নাম বলতে পারবেন?

৭। ২০০১ সাল হতে আজ পর্যন্ত আমি কখনোই শুনি নি আপনারা আনুষ্ঠানিক ভাবে জোট ছেড়েছেন, কিন্তু ফখরুল সাহেবের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় দর্শকদের উদ্দেশ্যে ডা. শফিকুরকে দেখলাম পাল্টা প্রশ্ন করছে জোটে থাকা না থাকার বিষয়ে। এখন আমার প্রশ্ন হলো আপনাদের জোটের খাঁচার ভেতর আপনারা কি করছেন, না করছেন তা আপনারা আনুষ্ঠানিক ভাবে না জানালে মানুষ কি উত্তর দিবে বলেন তো?

৮।ফখরুল সাহেব তো ঐ দিন প্রধান উপদেষ্টার নিকট আশা করেছে এবং প্রশ্ন করেছে নির্বাচনী রোড ম্যাপের বিষয়ে, এখানে জামায়াতের নামও মুখে আনে নি, কিন্তু আপনারা বিএনপিকে যে ভাবে খোঁচা দিলেন তা কি এই মুহূর্তে খুব দরকার ছিলো?

৯। আপনারা বার বার বিএনপিকে আলাদা দেখিয়ে বক্তব্য দেন, এমন একটা ভাব করেন বিএনপি আপনাদের কেউ না। জোট না থাকলে হেন করে ফেলবেন, তেনো করে ফেলবেন। তো ২০১০ সালে ৩০% এর উপর আপনাদের রিজার্ভ ভোট আছে দাবী করে বিএনপিকে বাদ দিয়ে সিলেট সিটি নির্বাচনে আলাদা নির্বাচন করলেন আর পেলেন ১২.৫০%। বাকী ১৮.৫% ভোট কে খাইলো? আপনাদের হিসাব ভুল নাকি জামায়াত কর্মীরা নিজের দলের সাথে বেইমানী করে ছিলো ঐদিন? না জোট সঙ্গী বিএনপিকে ফেল করানের জন্য নিজেদের ভোট আওয়ামিলীগ কে বর্গা দিয়ে ছিলেন? জাতিকে এর ব্যাখ্যা দিবেন?

১০। জুলাই -২৪ এর সব কৃতিত্ব ছাত্রদের দিল মি.শফিকুর, ভালো কথা, আমিও দেই এবং এটাই সত্য। বাংলাদেশে বন্যার শুরুতে গভীর রাতে ভারত বিরোধী স্লোগান দিয়ে জানিয়ে দিলো তারা দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে কিংবা বিনা লাভে ভারতের সাথে বাংলাদেশর মাখা মাখি পছন্দ করে না বরং বিরোধিতা করে। কিন্তু মি. শফিকুর সাহেব আপনি হঠাৎ করে ছাত্রদের আকাঙ্খকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ভারতের সাথে সম্পর্কে উন্নয়ন করতে চান বলে যে বক্তব্য দিলেন তা বাংলাদেশের কোন স্বার্থে এবং কেন? ভারত কি বাংলাদেশে খিলাফত প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা করবে মর্মে বলেছে? আপনি ভারত বিরোধী ছাত্র সমাজকে জুলাই স্বাধীনতার কৃতিত্ব দিলেন আবার ভারতের সাথে সু সম্পর্ক গাড়ার ইচ্ছা দেখালেন, এটা দিয়ে কি বুঝালেন? এতে ছাত্ররা কি অপমানিত হয় নি? আর ভারতের সাথে এতো মাখামাখি কি আবার আওয়ামিলীগ কে পুনর্বাসনের জন্য? এক মুখে দুরকম কথা ,  এটা কি মি.শফিকুরের ব্যক্তিগত সমস্যা, না দলীয় ঐতিহাসিক ক্রমধারা?

১১। এই মুহূর্তে মি. শফিকুর আপনি এই বক্তব্য দিয়ে জাতির মধ্যে বিভেদ তৈরীর কি দরকার ছিলো? আপনি যে বিএনপিকে জালিম বললেন, বিএনপির নেতারা ৫ আগষ্টের পর কাকে,  কোথায় নির্দেশ দিয়ে জুলুম করিয়েছে কিংবা কোন দলীয় অপরাধীদেরকে পশ্রয় দিয়েছে দেখাতে পারবেন? মাঠ পার্যায়ের কর্মীদের দূর্বলতা দলের উপর চাপিয়ে দিলেন কেমনে? তাইলে তো বলা যায় আপনাদের দলেও আকাম-কুকামের অভাব নাই, প্রত্যাকটা থানায় আপনাদের পুলিশের দালাল নাই, আসামী ধরা ও ছাড়ার বিষয়টা ওপেন সিক্রেট, এটা অস্বীকার করতে পারবে?এর দায় কে নেবে?

১২। বিপ্লবের পর সকল দল নিয়ে যেখানে জাতীয় ঐক্য করার কথা সেখানে জাতিকে বিভেদ মূলক বক্তব্য দিয়ে জনগনকে দিধাবিভক্ত করে আপনি কি ফায়দা করলেন? এই জোট গড়া আর জোট ছাড়া এই অভ্যাস কি পরিবর্তন হবে না?

১৩। জোট ভাঙ্গার সুর আপনারাই তুলেছেন, ডা: আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের সাহেব বল্ল বিএনপি বাদে অন্য সবাইকে নিয়ে জোট হচ্ছে, জোট হতেই পারে, একটা ইসলামী জোট দেশের ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য জরুরী, তো বিএনপির সাথে কেনো জোট ভাঙ্গলেন তা বলবেন কি জাতিকে?

পরের লেখায় এক কালের নাস্তিক, ব্রিটিশ দালাল, কথিত আহলে হাদিসের মানহাজের ধারক, জঙ্গী নেতার পিতা, লেবাস ধারী মুসলিম মি.ডা.শফিকুর রহমানের গোপন নথি প্রকাশ করবো ইনশাআল্লাহ,সাথে বোনাস হিসাবে মুনিয়া হত্যার আসামি আনভীরের বাসায় নুরুল ইসলাম বুলবুলকে নিয়ে কোথায় গিয়েছে এবং এতে ইসলামের কি উপকার হয়েছে এবং সাথে জামায়াতের কত গুলো আসনের এমপি নির্বাচনে সিলেক্টেড প্রার্থী মাঠ পর্যায়ে টাকার লবিং করেছে প্রমান সহ পেশ করবো ইনশাআল্লাহ।  রেডি থাকুন, এই একটি লেখাতেই লাফবেন না, আরো লাফানোর জন্য শক্তি সঞ্চিত রাখুন।আপনারা ভাবছেন আপনাদের রাজনৈতিক বেশ্যাবৃত্তি কেউ বুঝে না।আওয়ামিলীগ ও আপনাদের মত সাধারন মানুষকে এমনই ভাবতো।

 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ

বাউল নামের ফাউল আর আইয়্যেমে জাহেলিয়াতের কবিদের পরিত্যাজ্য

  ইদানীং বাউলদের ফাউল আচরন আর সৃষ্টি কর্তার সাথে বেয়াদবীর সীমা অতিক্রম করেছে। আগের যুগে আইয়্যেমে জাহেলিয়াতের কবিরা যেরকম আচরন করত সেরকম আচরন...