পোস্টগুলি

ডিসেম্বর, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

অত্যাচারিকে কোন ভাবেই সহায়তা জায়েজ নাই, এটা সম্পূর্ণ নিষেধ

ছবি
  " অত্যাচারিকে কোন ভাবেই সহায়তা জায়েজ নাই, এটা সম্পূর্ণ নিষেধ" অত্যাচারী ইসলামের একটি গুরুত্ব পূর্ন নীতি হলো কোন অন্যায় দেখলে সরাসরি প্রতিবাদ করা, না পারলে মৌখিক প্রতিবাদ করা আর এটা সম্ভব না হলেও অন্তত মন হতে হলেও অন্যায়কে ঘৃনা করা।  আর এটা না করতে পারলে আপনাকে বুঝতে হবে আপনার ইমানে ঝামেলা আছে। ঈমানে ঝামেলা থাক আর নাই থাক, কিন্তু কোন অন্যায়কে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সহযোগীতার ইসলামে কোন স্থান নাই।  আসুন অন্যায়ের সহযোগী হলে ইসলামের বিধান কি জেনে নেই। হাদীসে বর্নিত হয়েছে: (١٢٦) وَعَنْ أَوْسِ بْنِ شُرَحْبِيلَ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللهِ يَقُولُ مَنْ مَشَى مَعَ ظَالِمِ لِيُقَوِيَّهُ وَهُوَ يَعْلَمُ إِنَّهُ ظَالِمٌ فَقَدْ خَرَجَ مِنَ الْإِسْلَامِ - (بيهقى) "হযরত আওস ইবনে সুরাহবীল (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি নবী করীম (সা:)-কে বলতে শুনেছেন, "যে ব্যক্তি যালিমকে যালিম বলে জানা সত্ত্বেও তাকে শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে অগ্রসর হবে, সে ইসলাম হতে বের হয়ে যাবে।" (বায়হাকী-১২৬) অর্থাদ যালিমকে বাধা দান এবং মজলুমকে সাহায্য করা হলো মুসলমানদের পবিত্র দায়িত্ব। উক্ত দায়িত্ব পালন না করে বর...

মাদখালি সম্প্রদায় নিয়ে একটি দলিল ভিত্তিক আলোচনা

ছবি
  " মাদখালি সম্প্রদায় নিয়ে একটি দলিল ভিত্তিক আলোচনা" মাূখসলী রহস্য আগেই বলে নিচ্ছি আজকের আলোচনার বিষয়টি সম্পূর্ণ দালিলিক, তাই এই লেখাটি আলেম সমাজকে উদ্দেশ্য করেই লেখা। তবে সাধারন পাঠক ভাইদের বোধগম্য করে লেখার যথা সাধ্য চেষ্টা করেছি। না বুঝলে কমেন্টে প্রশ্ন করলে উত্তর পাবেন অথবা নিকটতস্ত আলেমকে আমার লেখা দেখিয়ে বুঝে নিবেন কষ্ট করে। যেহেতু দলিল ভিত্তিক আলোচনা সেহেতু একটু দীর্ঘ হবে, এর জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। যে সকল মৌলিক পরিভাষা না বুঝার কারনে কথিত আহলে হাদিসের শায়েখরা একই বিষয়ে একেক শায়েখ একই বিষয়ে একেক রকম ফতোয়া দেয় এবং বাংলা শিক্ষিত মুসলমানরা সহজেই এদের ধোঁকায় পড়ে আজ তা নিয়ে আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ। ১৮৮২ সালে দিল্লির হাইকোর্ট হতে ব্রিটিশ সরকারের দালালির পুরস্কার সরূপ লা-মাঝহাবি, গাইরে মুকাল্লিদ, ওহাবীরা নিজেদের কথিত আহলে হাদিস নাম ধারন করার পর হতেই ভারতীয় উপমহাদেশে তাদের গুরু ব্রিটিশদের প্রেসক্রিপশন মত ইসলামের ১৪০০ ধরে চলে আসা প্রতিষ্ঠিত কিছু বিষয় নিয়ে খমোখা বিতর্ক সৃষ্টি করে নিজেদের সহীহ আকিদার দাবীদার দাবী করে আসছে এবং দুনিয়ার বাকী সকল মুসলমানদের মুশরিক, বেদা'তি ও ইহুদি ...

দ্বীন প্রচারের নামে ওয়ায়েজিনদের ভিক্ষা বৃত্তির টাকায় ধর্ম ব্যবসা নিকৃষ্ট হারাম

ছবি
  "দ্বীন প্রচারের নামে ওয়ায়েজিনদের ভিক্ষা বৃত্তির টাকায় ধর্ম ব্যবসা নিকৃষ্ট হারাম" ওয়াজ ব্যবসা নিকৃষ্টতর হারাম দ্বীন প্রচা‌রের না‌মে ওয়াজ মাহ‌ফি‌লের আড়া‌লে ধর্ম ব‌্যবসা করা ধর্ম ব‌্যবসায়ী‌দের গা‌য়ে জ্বালা ধরা‌নো কিছু অ‌প্রিয় সত‌্য কথা প্রকাশ করার মাধ‌্যমে দ্বীন বে‌চে দু‌নিয়া হা‌সিল করা ধর্ম ব‌্যবসায়ী‌দের স্বরুপ উ‌ন্মোচন কর‌া দরকার। আবার কেউ কেউ ভাববেন না যে আমি ওয়াজ মাহফিলের বিরোধী । না‌মের বেলায় নবীর ওয়া‌রিশ আর কা‌মের বেলায় যারা ক‌রে ওয়াজের নামে ভিক্ষা বৃত্তির টাকায় ধর্ম ব‌্যবসা করে তা‌দের উ‌দ্দে‌শ্যে বল‌ছি আপনি ও আপনাদের টাকার বিনিময়ে এহেন ওয়াজ মাহ‌ফি‌ল, তাফ‌সিরুল কুরআন মাহ‌ফি‌লকে মানুষ দ্বী‌নের প্রচার নয় বরং ধর্ম ব্যবসা হিসেবেই দেখে থাকি । ধর্ম ব্যাবসায়ী‌রা ওয়াজ মাহ‌ফি‌লের না‌মে, তাফ‌সিরুল কুরআন মাহ‌ফি‌লের না‌মে ধান্দার ব্যবসা খুইলা বস‌ছে । নি‌ম্নে ২০,০০০ (বিশ হাজার) টাকা থে‌কে শুরু ক‌রে ৩,০০,০০০ (তিন লক্ষ) টাকা পর্যন্ত তারা এ‌কেকজন বক্তা নি‌য়ে থা‌কে মানুষ‌কে দ্বী‌নের কথা বলার নাম ক‌রে । এটা কি দ্বী‌নের প্রচার না‌কি ধর্ম ব্যবসা ?  আবার এসকল টাকা আসে অবুঝ শিশুদের রাস্তায় ...

কথিত আহলে হাদিস ও ইহুদিদের অন্তমিল

ছবি
  " ইহুদি আর কথিত আহলে হাদস একই সুরে কথা বলে, এদেরকে মুসলমান মনে করা বোকামী" আমি কথিত আহলে হাদিস শব্দটা যতবার বলি বা লিখি মডিফাইড খ্রিস্টান শব্দটা যুক্ত করি কিন্তু কেন এটা করি তা অনেকেই জানেন না। আসলে আমি এটা বলার কারন এই কথিত আহলে হাদিসরা বৃটিশ গোয়েন্দা হামফেরীর তৈরী এবং তা তৈরী করেছে ই*হু*দি-খ্রিস্টানদের স্বার্থেই। এই মডিফাইড  খ্রিস্টান আহলে হাদিসের পালক সৌদি প্রিন্স নিজেই স্বীকার করেছে যে পশ্চিমাদের চাপেই প্রতিবছর মডিফাইড খ্রিস্টান আহলে হাদিসের পালনের জন্য কোটি কোটি ডলার খরচ করে।এরা যদি মুসলমানই হয় তাইলে পশ্চিমা ইসলাম বিরোধীরা কেন এদের জন্য টাকা খরচ করবে? একবারও কেউ ভেবে দেখেছেন? এই আব্দুল ওহাব নযদি নামক সফিয়া নামের এক কমনওয়েলথ গোয়েন্দার সাথে হিল্লা বিয়ের নামে জ্বেনাখোরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত এই কথিত জাল সালাফি ও আহলে হাদিসরা ইংরেজ গোয়েন্দা ড. হামফেরীর মাধ্যমে সৃষ্ট।  এজন্যই স*ন্ত্রা*সী ইসরায়েল আর কথিত আহলে হাদিস নামক মডিফাইড খ্রিস্টানদের কথার সুর একই হয়। হামাস যে রকেট ই*সরা*য়েলকে লক্ষ করে মারলো সব রকেট কিন্তু ইসরায়েল এ পড়ে নাই কিছু কিছু রকেট আমাদের দেশের আহলে হাদিস শায়ে...

ওহে মুসলমান গন, দয়া করে কথিত আহলে হাদিস নামক মডিফাইড খ্রিস্টান ধর্মের খপ্পর হতে আপনাদের সন্ত্বানদের বাঁচান

ছবি
  " ওহে মুসলমান গন, দয়া করে কথিত আহলে হাদিস নামক মডিফাইড খ্রিস্টান ধর্মের খপ্পর হতে আপনাদের সন্ত্বানদের বাঁচান" ওহাবী কথিত আহলে হাদিস হতে সাবধান! !  আজকে একজন জানালো বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় মডিফাইড খ্রিস্টান সালাফি ধর্ম ফ্যাসিস্ট আব্দুল্লাহ বিন আবদুর রাজ্জাকের মাাধ্যমে বাললাদেশের বিভিন্ন জায়গায় বাচ্চাদের জন্য মক্তব খোলার উদ্যোগ নিছে। যদিও এটা ২০১৩ সাল হতেই এসকল নাম ধারী আহলে হাদিসরা শুরু করেছে।  তা ছড়াও ঘোমটা পড়া আহামাদুল্লাহ সারা দেশে আস সুন্নাহ ফউন্ডেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন মাদরাসা তৈরী করে মুসলমানদের ছোট ছোট বাচ্চাদের ধেঁকা দিয়ে বোকা বানিয়ে সহীহ আকিদার নাম করে কথিত আহলে হাদিসের নাম করে মডিফাইড খ্রিস্টান বানাচ্ছে। গত ২০১৮ সালের পর হতে সালাফি বাটপাররা দশ হাজার মাদরাসা তৈরী করেছে সমস্ত বাংলাদেশে যার মাধ্যমে মুসলমানদের সন্তানদের ছোট বেলা হতেই মাথায় সহীহ আকিদার নাম ঢুকিয়ে মডিফাইড খ্রিস্টান বানাবে।  এর মানে হলো সুন্নী মুসলমানদের সন্তানদের বাচ্চা বয়স থেকে সালাফী ধর্মে কনভার্ট করা হবে। এই কাজে জামায়াতে সক্রিয় সালাফি ফ্যাসিস্টরা সরাসরি যে জড়িত তা গার্ডিয়ান নূর মোহাম্মদদের স...

ইসলামি দৃষ্টিকোণে ফ্রিম্যাসন ও তার অঙ্গ সংগঠনের সদস্য হওয়া জায়েজ নয়

ছবি
  " ইসলামি দৃষ্টিকোণে ফ্রিম্যাসন ও তার অঙ্গ সংগঠনের সদস্য হওয়া জায়েজ নয় " আল-মাজমাউল ফিকহিল ইসলামির ফতোয়াঃ আল-মাজমাউল ফিকহির গবেষকবৃন্দ ফ্রিম্যাসন নিয়ে প্রচুর গবেষণা করেন। এরপর তাদের সম্পর্কিত লেখাজোখা, প্রাপ্ত নতুন-পুরাতন বইপত্র, প্রকাশিত নথিপত্র, ফাঁস হওয়া চিঠিপত্রসমূহ বিস্তর ঘাঁটাঘাঁটি করে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন। তাদের সেই দীর্ঘ আলোচনা-পর্যালোচনায় সামগ্রিক যেই চিত্রটি ফুটে উঠেছে, তার সারসংক্ষেপ এমন— এক .  ফ্রিম্যাসন হলো আগাগোড়া গুপ্ত একটি গোষ্ঠী। অঞ্চল ও পরিস্থিতিভেদে কখনো তারা নিজেদের সাংগঠনিক পরিচয়কে লুকিয়ে রাখে। কখনো বা প্রকাশ করে; তবে তাদের মৌলিকতা গোপনয়ীতা রক্ষা করেই চলা। এমনকি কখনো খোদ ম্যাসনরাই আপন সংঘের হালহাকিকত সম্পর্কে অজ্ঞ থাকে। দুই.  ম্যাসনদের আত্মপরিচয় হলো, তারা ভ্রাতৃত্ববাদী। ভ্রাতৃত্ববোধ এমন এক চেতনা, যা সমস্ত মত-পন্থা, ধর্ম-বর্ণ, দেশ-অঞ্চলকে ফিকে করে দেয়। তিন .  ম্যাসনরা ব্যক্তিগত স্বার্থের লোভ দেখিয়ে জনগণকে লজমুখী করে থাকে। তাদের বলা হয়, যে যেখানেই থাকুক না কেন, এক ম্যাসন আরেক ম্যাসনের পাশে দাঁড়াবে। তার প্রয়োজন উদ্ধার করবে। তার...

মুসলমানদের পরাজয়ের কারণ ও প্রতিকার

ছবি
  " মুসলমানদের পরাজয়ের কারণ ও প্রতিকার" প্রথমে কারণ সমূহ বলছিঃ ★ মুসলমানরা ধার্মিক হলেও জীবনে প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে ইনসাফ না থাকা। ★ মুসলমানদের মধ্য ধর্মীয় অনুভুতি না থাকা বা  কমে যাওয়া। ★ ধর্মীয় নেতাদের মনের সংকীর্নতা ও স্বার্থপরতা। ★ আলেমদের মাঝে অহংকার ও অতিরিক্ত গোঁরামী। ★মুসলমানদের মাঝে সততার অভাব। ★মাযহাব-তরীকার ভিন্নতাকে প্রাধান্য দিয়ে মুসলিম উম্মাহর মধ্যকার অনৈক্য সৃষ্টি।  ★একজন নির্দিষ্ট ইসলামী নেতা কে,শায়েখকে বা নিজের পীরকে সঠিক মনে করে বাকীদের বাতিল মনে করা। ★ জায়োনিষ্টদের পাল্লায় পড়ে পশ্চিমা নগ্ন সাংস্কৃতির লোভে পরাশক্তির দালালী করা। ★আরবের ধনী দেশগুলোর বিলাসবহুল জীবন যাপন ও অনর্থক অপচয়। ★জ্ঞান-বিজ্ঞানে পিছিয়ে থাকা, মাদরসা গুলোকে বিজ্ঞান শিক্ষা থেকে দূরে রাখা। ★প্রযুক্তিকে অধিক গুরুত্ব না দেওয়া, শক্তিশালী প্রচার মাধ্যম না থাকা এবং মুসলমানরা মিডিয়া জগত থেকে নিজেকে গুটিয়ে রাখা। ★নারীর প্রতি চরম আসক্তি ও নারীদের প্রতি যে ইসলাম অধিকার দিয়েছে তা থেকে ময়ের জাতিকে বঞ্চিত  করা। ★জঙ্গিদের তান্ডব বুঝতে না পারা এবং ক্ষমতার লোভে মুসলিমদের সামরিক ও অর্থনৈতিক দিকে পিছিয়ে...

বাংলাদেশের হিন্দুরা জন্ম ভুমি ছেড়ে ভারতে যাওয়া কোন সমাধান নয়, বুদ্ধি হীনতার পরিচয়" ভারতে গমন

ছবি
  " বাংলাদেশের হিন্দুরা  জন্ম ভুমি ছেড়ে ভারতে যাওয়া কোন সমাধান নয়, বুদ্ধি হীনতার পরিচয়" ভারতে গমন আমি বলি বাংলাদেশের হিন্দুরা ভারতে পালানো নয়, বরং প্রতিরোধ করতে শিখুন, সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলমান ন্যায় ও ইনসাফের সাথে আছে। ভারত গেলেই ভাল থাকবেন তার কোন নিশ্চয়তা কেউ দেয় নি,বরং এনআরসির মারপ্যাঁচে পড়ে লেজে গোবরে হয়ে যাবেন। মাতৃ ভুমিতে থেকে নিজের অধিকারটা আদায় করুন। করতে শিখুন। আমি আরো কিছু কথা বলছি, একটু ভেবে দেখুন, ★এদেশে বসত করা হিন্দুদের চৌদ্দ পুরুষের ভিটা মাটি বাংলাদেশ, ওদের আলাদা কোন মাতৃ ভুমি নাই। ★এ দেশের হিন্দুরা এদেশেই জন্ম, আর এ দেশের মাটি ও জলে বেড়ে উঠেছে, ওরা অন্য দেশে যাবে কেনো? ★এদেশের গুটি কয়েক সুবিধাবাদী মুসলমান হিন্দুূের জমি দখল, বাড়ি দখল করে, এ লোক গুলো সুযোগ পেলে নিজের বাপের বাড়িও দখল করে, এরা হিন্দু-মুসলিম ইস্যু নয়। ★এদেশের কত জন কিংবা কত পারসেন্ট  মুসলমান আপনাদের সাথে ধর্মীয় ঝামেলা করে, একজনও দেখাতে পারবেন না, আগেই বলছি যে কয়েকজন করে এটা তাদের স্বভাব, ওরা সুযোগ পেলে নিজের আপন জনের সাথেও করে। ★আরেকটা কথা মনে রাখবেন, হিন্দু বাড়ির হাড়ির খবরটা কোন মুসলমান লোক দূর হ...

মানবাধিকারের কিছু পরিভাষা

ছবি
  মানবাধিকারের কিছু পরিভাষা মানবাধিকারের কিছু পরিভাষা ভুমিকাঃ মানুষ হিসেবে একজন ব্যক্তি যে অধিকার, সম্মান ও নিরাপত্তা লাভ করে তাই  মানবাধিকার । মৌলিক অধিকারই  মানবাধিকার ের ভিত্তি। যেকোনো ধরনের জুলুম, নির্যাতন ও শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসেবে  মানবাধিকার ের ধারণা বিকাশ লাভ করেছে।  মানবাধিকার  বর্তমানে বিশ্বমানবতা ও সভ্য সমাজ কর্তৃক স্বীকৃত অধিকার। অবাধ ও মুক্ত চিন্তা, মত প্রকাশ ও প্রতিবাদের অধিকার  মানবাধিকার ের মূলকথা।  মানবাধিকার  মৌলিক অধিকার থেকে লাভ করলেও এর বিস্তৃতি বিশ্বব্যাপী। মৌলিক অধিকার রাষ্ট্রীয় সংবিধানে সন্নিবেশিত এবং রাষ্ট্রীয় পরিমণ্ডলেই এর তাৎপর্য সীমাবদ্ধ। কিন্তু  মানবাধিকার  বিশ্বব্যাপী পরিব্যাপ্ত এবং যেকোনো রাষ্ট্রীয় জুলুমের বিরুদ্ধেও  মানবাধিকার  সংস্থা সোচ্চার হতে পারে। তবে মৌলিক অধিকারের মত  মানবাধিকার  বলবৎ করা সম্ভব হয় না। অবশ্য ১৯৪৮ সালের ১০ই ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মৌলিক মানবিক অধিকারসমূহ ঘোষিত ও গৃহীত হওয়ায় এগুলো তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই  মানবাধিকার গুলের মধ্যে ব্...