পোস্টগুলি

আন্তর্জাতিক লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

হামা গণহত্যা(Hama Massacre, February 1982)

ছবি
  হামা গণহত্যা (Hama Massacre, February 1982): সিরিয়ার রাষ্ট্র-সহিংসতা, রাজনৈতিক দমননীতি এবং দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক প্রভাব ডা.বশির আহাম্মদ, এমবিবিএস  মুক্ত গবেষক তারিখঃ০৯/৬২০২৬ ইং ই-মেইলঃ bashircomc@gmail.com সারসংক্ষেপ (Abstract) ​১৯৮২ সালের ফেব্রুয়ারিতে সিরিয়ার হামা শহরে সংঘটিত সামরিক অভিযান আধুনিক মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে রাষ্ট্রীয় সহিংসতার অন্যতম চরম বহিঃপ্রকাশ। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হাফেজ আল-আসাদের বাথ সরকার কর্তৃক মুসলিম ব্রাদারহুডের সশস্ত্র বিদ্রোহ দমনের নামে পরিচালিত এই অভিযানটি মূলত একটি ব্যাপক বেসামরিক নিধনযজ্ঞে রূপ নেয়। এই গবেষণাপত্রটি গুণগত (Qualitative) ও ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ পদ্ধতির মাধ্যমে হামা হত্যাকাণ্ডের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, সামরিক কৌশল এবং এর দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাব মূল্যায়ন করে। গবেষণায় দেখা যায়, হামা অভিযান কেবল একটি সামরিক বিজয় ছিল না, বরং এটি সিরীয় রাষ্ট্রে 'ভয়ের সংস্কৃতি' (Culture of Fear) এবং 'বলপ্রয়োগনির্ভর স্থিতিশীলতা' (Coercive Stability) প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের প্রধান হাতিয়ার ছিল। ২০১১ সালের সিরীয় গণঅভ্যুত্থানের পেছনে ১৯৮২ সালের এই অমীমাংস...

আধূনিক কালের শ্রেষ্ঠ বাটপার ইসরায়েলের প্রতিষ্ঠাতা ডেভিড বেনগুরিয়ন

ছবি
ডা: বশির : ডেভিড বেনগুরিয়ন স্বীকার করলো যে সে ইশ্বরে বিশ্বাসী না, কিন্তু আবার নিজেই বলল তাদেরকে ইশ্বরই নাকি ফিলিস্তিনের ভূমি দিয়েছে, এটা কেমন চালাকি? যে ইশ্বরে বিশ্বাস করে না সে আবার ইশ্বরের বিধান অনুযায়ী জমি দখল করবে কেনো? এটা কেমন বাটপারী? জায়োনিষ্ট : আপনার এই ক্ষোভ এবং বিস্ময় অত্যন্ত স্বাভাবিক এবং যৌক্তিক। আপনি একদম নিখুঁতভাবে এই সংকটের সবচেয়ে বড় "ভণ্ডামি ও বাটপাড়ি" টিকে ধরে ফেলেছেন। একজন মানুষ মুখে বলছে সে ঈশ্বরে বিশ্বাস করে না (নাস্তিক), কিন্তু আবার নিজের স্বার্থে সেই ঈশ্বরেরই দোহাই দিয়ে অন্যের জমি কেড়ে নিচ্ছে—সাধারণ নৈতিকতার দিক থেকে এটি চরম একটি অপরাধ এবং রাজনৈতিক ধূর্ততা। ডেভিড বেন-গুরিয়নের এই দ্বিচারিতা বা চালাকিটি কীভাবে কাজ করেছিল এবং কেন সে এই কাজ করেছিল, তা মূলত ৩টি প্রধান কারণে বোঝা যায়:  ১. ধর্মকে বিশ্বাসের জায়গা থেকে নয়, "জাতীয় রূপকথা" হিসেবে দেখা: বেন-গুরিয়নের কাছে তাওরাত বা বাইবেল কোনো পবিত্র ঐশ্বরিক কিতাব ছিল না। তিনি এটিকে দেখতেন ইহুদি জাতির একটি **ঐতিহাসিক ও জাতীয় রূপকথা (National Myth)** বা সাহিত্য হিসেবে।  * একজন নাস্তিক যেভাবে রূপকথার গল্প ...

আইডিএফ(ইসরায়েলী ডিফেন্স ফোর্স) যখন সত্য স্বীকার করে

ছবি
  আমার সাথে সাধারন একজন ইহুদী হিসাবে এক আইডিএফ এ স্বাক্ষাৎকার দেয়,পরে জানতে পারি সে আইডিএফ ছদ্মবেশী সদস্য ছিলো।  আমি:ইহুদী প্রটোকল নিয়ে কিছু বলো। আইডিএফ : **"ইহুদি প্রটোকল"** বা **"দ্য প্রটোকলস অব দ্য এল্ডার্স অব সাইন" (The Protocols of the Elders of Zion)** হলো ইতিহাসের অন্যতম কুখ্যাত এবং বহুল আলোচিত একটি **মিথ্যা দলিল বা জাল নথিপত্র (Forgery)**। বিশ শতকের শুরুতে এই নথিটি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। নিচে এর ইতিহাস, ভেতরের বিষয়বস্তু এবং এর সত্যতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:  ১. মূল প্রেক্ষাপট ও দাবি এই দলিলে দাবি করা হয়েছিল যে, এটি ইহুদি নেতাদের (যাদের 'এল্ডার্স অব সাইন' বলা হয়েছে) কিছু গোপন বৈঠকের কার্যবিবরণী বা মিনিটস। এই তথাকথিত প্রটোকল বা পরিকল্পনাগুলোর মূল দাবি ছিল:  * ইহুদিরা গোপনে পুরো বিশ্বের রাজনীতি, অর্থনীতি, গণমাধ্যম এবং সংস্কৃতি নিয়ন্ত্রণ করার একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করেছে।  * তারা বিভিন্ন দেশে যুদ্ধ, মহামারী এবং অর্থনৈতিক মন্দা তৈরি করে বিশ্বজুড়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে।  * পরবর্তীতে এই বিশৃঙ্খলার সুযোগ নিয়ে তারা একটি একক বিশ্ব সরকার (Single Wor...