পোস্টগুলি

ধর্মীয় লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে মুসলমানদের অবদান:

ছবি
  বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে মুসলমানদের অবদান: ইতিহাস, ইসলামি জ্ঞানতত্ত্ব এবং সমসাময়িক বৈজ্ঞানিক নৈতিকতার পুনর্বিবেচনা ডা.বশির আহাম্মদ, এমবিবিএস  মুক্ত গবেষক তারিখঃ১০/৬২০২৬ ইং ই-মেইলঃ bashircomc@gmail.com সারসংক্ষেপ (Abstract) এই গবেষণাপত্রে ইসলামি স্বর্ণযুগে (অষ্টম থেকে চতুর্দশ শতাব্দী) মুসলিম মনীষীদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অবদানকে একটি ঐতিহাসিক, জ্ঞানতাত্ত্বিক এবং মনো-আধ্যাত্মিক (psychospiritual) কাঠামোর আলোকে সমালোচনামূলকভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। প্রচলিত ইতিহাসচর্চায় ইসলামি সভ্যতাকে প্রায়শই কেবল গ্রিক ও পারস্যের জ্ঞান সংরক্ষণ ও পরিবহনের মাধ্যম হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও, এই গবেষণায় যুক্তি উপস্থাপন করা হয়েছে যে মুসলিম বিজ্ঞানীরা পরীক্ষণ, গাণিতিক বিশ্লেষণ এবং ধর্মতাত্ত্বিক উদ্দেশ্যবোধের ভিত্তিতে স্বতন্ত্র বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বিকাশ করেছিলেন। বিশেষভাবে এই গবেষণায় বিশ্লেষণ করা হয়েছে যে ইসলামি ধারণাসমূহ—যেমন তাওহীদ (আল্লাহর একত্ববাদ), নিয়ত (উদ্দেশ্যগত অভিপ্রায়) এবং শির্ক (আল্লাহর সাথে অংশীদার স্থাপন)-এর প্রত্যাখ্যান—কীভাবে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের বুদ্ধিবৃত্তিক ও নৈতিক দিকনির্দে...

মুসলমানের ছদ্মবেশে অমুসলিম ও মোনাফেক

ছবি
  ইসলামে ভ্রান্ত আলেম, ধর্মীয় প্রতারণা ও ফিতনার বিপদ: কুরআন, সুন্নাহ ও ইতিহাসের আলোকে একটি বিশ্লেষণ ইসলামের ইতিহাসে দ্বীনের নামে বিভ্রান্তি সৃষ্টি, কুরআন-সুন্নাহর অপব্যাখ্যা এবং আলেমের ছদ্মবেশে মুসলিম সমাজে ফিতনা ছড়িয়ে দেওয়া একটি গুরুতর নৈতিক ও আধ্যাত্মিক অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ইসলামি ঐতিহ্যে জ্ঞান ( ʿilm ) শুধু তথ্যগত দক্ষতা নয়; বরং এটি আমানত, তাকওয়া এবং সত্যের প্রতি দায়বদ্ধতার সঙ্গে সম্পর্কিত। এজন্যই কুরআন, সহিহ হাদিস এবং সালাফে সালেহীনের বক্তব্যে এমন ব্যক্তিদের ব্যাপারে কঠোর সতর্কতা পাওয়া যায়, যারা ধর্মীয় জ্ঞানকে ব্যক্তিস্বার্থ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বা সামাজিক প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে। ইমাম মালিক (রহ.) বলেছিলেন: “এই জ্ঞান হলো দ্বীন; তাই তোমরা লক্ষ্য করো কার কাছ থেকে তোমরা তোমাদের দ্বীন গ্রহণ করছ।” — Ibn Sirin, Muqaddimah Sahih Muslim আধুনিক যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ডিজিটাল প্রোপাগান্ডা এবং স্বঘোষিত “ইসলামিক স্কলারদের” বিস্তারের ফলে এই সমস্যা আরও জটিল হয়েছে। ফলে মুসলিম সমাজের জন্য নির্ভরযোগ্য জ্ঞান, প্রাতিষ্ঠানিক ইসলামি শিক্ষা এবং দলিলভিত্তিক চিন্তা...

ইসলামের ইতিহাসে আদর্শিক অনুপ্রবেশ ও বিশ্বাসগত বিকৃতি: ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ

ছবি
  ইসলামের ইতিহাসে আদর্শিক অনুপ্রবেশ ও বিশ্বাসগত বিকৃতি: ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার পর থেকেই এর আকিদা, সংস্কৃতি ও সামাজিক কাঠামোকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ধরনের আদর্শিক অনুপ্রবেশের ঘটনা ইতিহাসে লক্ষ্য করা যায়। মুসলিম উম্মাহর অভ্যন্তরে বিভ্রান্তি সৃষ্টি, মতবিরোধ উসকে দেওয়া এবং ইসলামের মৌলিক শিক্ষাকে বিকৃত করার জন্য বিভিন্ন সময় কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বাহ্যিকভাবে ইসলামের অনুসারী হওয়ার দাবি করলেও অন্তরে ভিন্ন উদ্দেশ্য পোষণ করেছে বলে বহু ঐতিহাসিক ও আলেম মত প্রকাশ করেছেন। ইসলামী ইতিহাসে এ ধরনের ঘটনাকে সাধারণত “ফিতনা”, “বিদআত”, “আদর্শিক অনুপ্রবেশ” অথবা “আকিদাগত বিকৃতি” হিসেবে আলোচনা করা হয়। ইসলামের প্রাথমিক যুগে গোপন বিরোধিতা ও অনুপ্রবেশ ইসলামের সূচনালগ্ন থেকেই মুসলিম সমাজকে দুর্বল করার জন্য প্রকাশ্য শত্রুতার পাশাপাশি গোপন ষড়যন্ত্রও পরিচালিত হয়েছে। পবিত্র কুরআনে “মুনাফিক” শ্রেণির কথা উল্লেখ রয়েছে, যারা বাহ্যিকভাবে মুসলিম পরিচয় ধারণ করলেও অন্তরে ইসলামের বিরোধিতা করত। বিশেষত আবদুল্লাহ ইবনে উবাই-এর নেতৃত্বে মদিনায় এমন একটি গোষ্ঠী গড়ে ওঠে, ...

সনাতন ধর্ম: পৌরাণিক বিনোদন, আচারসর্বস্বতা ও ক্ষমতার কাঠামোর এক সমালোচনামূলক পাঠ

ছবি
সনাতন ধর্ম: পৌরাণিক বিনোদন, আচারসর্বস্বতা ও ক্ষমতার কাঠামোর এক সমালোচনামূলক পাঠ সনাতন ধর্মকে সাধারণত “চিরন্তন” বা “আদিম” ধর্ম হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এটি মূলত পৌরাণিক কাহিনি, আচার-অনুষ্ঠান ও সামাজিক ক্ষমতার কাঠামোর সমন্বয়ে গঠিত একটি ধর্মীয় ব্যবস্থা, যার ভিত্তি যুক্তি বা বৈজ্ঞানিক সত্যের ওপর নয়, বরং কল্পনা, ভোগবাদ এবং শ্রেণিভিত্তিক স্বার্থরক্ষার ওপর প্রতিষ্ঠিত। এই ধর্মের আখ্যানভিত্তিক কাঠামো এতটাই রসালো ও নাটকীয় যে, একে অনেক সময় ধর্মের চেয়ে বিনোদনের সংকলন বলাই বেশি যুক্তিসংগত মনে হয়। দেব-দেবীর লীলা, নারী-পুরুষ সম্পর্ক, যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ কাহিনি, প্রতিশোধ, প্রতারণা ও ক্ষমতার দ্বন্দ্ব—সব মিলিয়ে এটি এক বিশাল পৌরাণিক নাট্যভাণ্ডার। অজ্ঞতার যুগে ভোগবাদ থেকে ধর্মের জন্ম ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, সভ্যতার প্রাথমিক পর্যায়ে মানুষের জ্ঞান সীমিত ছিল। প্রকৃতি, রোগ, মৃত্যু, দুর্ভিক্ষ—এসবের ব্যাখ্যা দিতে না পেরে মানুষ কল্পনাভিত্তিক শক্তির আশ্রয় নেয়। সেই সুযোগেই সমাজের এক বিশেষ শ্রেণি ধীরে ধীরে ধর্মীয় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে। ভোগ-বিলাস, নারীর প্রতি লালসা, মাংসাহার, ক্ষম...

✦ সাম্প্রদায়িকতার নামে আকীদাহর বিপর্যয়: কুরআনের মানদণ্ডে ইসলামের সীমারেখা,যেনো আমড়া গাছে ঢেঁকী বানানোর পরিকল্পনা ✦

ছবি
  ✦ সাম্প্রদায়িকতার নামে আকীদাহর বিপর্যয়: কুরআনের মানদণ্ডে ইসলামের সীমারেখা,যেনো আমড়া গাছে ঢেঁকী বানানোর পরিকল্পনা  ✦ বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু নামধারী ইসলামী দল যে কার্যকলাপে লিপ্ত হয়েছে, তা গভীরভাবে চিন্তার দাবি রাখে। এ বছর তারা প্রকাশ্যভাবে হিন্দুদের পূজা-পার্বণে অংশগ্রহণ করেছে—যা শুধু উপস্থিতিতেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং মূর্তির সামনে মাথানত করা, পূজার প্রসাদ গ্রহণ, গীতা পাঠ এবং এমনকি কৃষ্ণের উদ্দেশ্যে প্রকাশ্যে আবেগপ্রবণ হয়ে কান্না করার ঘটনাও ঘটেছে। এই দলগুলো তাদের কর্মকাণ্ডের পক্ষে যে যুক্তি দাঁড় করিয়েছে, তা হলো—“সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা”। তারা দাবি করেছে, রোজা ও পূজা নাকি একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। অথচ বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আজ পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় বা সামাজিক প্রেক্ষাপটে এই দলগুলোর মুখে এমন সম্প্রীতির ভাষ্য খুব একটা শোনা যায়নি। বরং অতীতে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে কেউ পূজামণ্ডপে গেলেও, তারাই তাকফীরের ফতোয়া দিয়ে তাকে কাফের ঘোষণা করতে দ্বিধা করেনি। বিস্ময়কর বিষয় হলো—যে কাজগুলো তারা এক বছর আগেও প্রকাশ্যে কুফরি ও হারাম বলে ঘোষণা করেছিল, আজ ঠিক সেই কাজগুলোই নিজ...

ইসলামি ঐক্যের জরুরীয়ত

ছবি
  মুসলিমদের মতভিন্নতার মাঝেও সম্প্রীতি রক্ষা : সুন্নাহসম্মত পথ ইসলাম এমন একটি জীবনব্যবস্থা, যার মূল ভিত্তি তাওহীদ, সুন্নাহর অনুসরণ এবং মুসলিম উম্মাহর পারস্পরিক ঐক্য। আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নির্দেশনা স্পষ্ট—ঐক্য রক্ষা করা ফরয, আর সুন্নাহ দৃঢ়ভাবে মেনে চলা ঈমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য। তাই এ দুই বিষয়ের মধ্যে কোনো বিরোধের অবকাশ নেই; বরং তারা একে অপরকে সমর্থন করে। উম্মাহর বিভেদ কেন তৈরি হয়? আজকের বাস্তবতায় দুঃখজনকভাবে দেখা যায়, হাদীস-সুন্নাহর অনুসরণকে কেন্দ্র করে অযথা দ্বন্দ্ব-বিবাদ সৃষ্টি করা হচ্ছে। অনেকেই ফিকহী মাযহাবকে বিভেদের মূল মনে করেন, অথচ এগুলোই কুরআন-সুন্নাহর দলিলভিত্তিক ব্যাখ্যা, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে তাওয়ারুছের মাধ্যমে আমাদের কাছে পৌঁছেছে। মূল সমস্যা হলো— সুন্নাহ অনুসরণের প্রকৃত রূপ সম্পর্কে অজ্ঞতা, উম্মাহর ঐক্যের নীতি সম্পর্কে ভুল ধারণা, আর শাখাগত মতভেদের সাথে মৌলিক আকীদার ভেদাভেদ গুলিয়ে ফেলা। ঐক্যের ভিত্তি : তাওহীদ কোরআনে বহু আয়াতে স্পষ্ট বলা হয়েছে যে উম্মাহ মূলত এক উম্মাহ—তাওহীদের উম্মাহ। বিভেদ সৃষ্টি হয় তখনই, যখন কেউ মৌলিক আকীদা ও সুস্পষ্ট বিধানকে বদলে বা অ...

জ্ঞানচুরির প্রাচীন কৌশল: মুসলিম বিজ্ঞানীদের পরিচয় বিলোপের ল্যাটিন প্রকল্প

ছবি
  মুসলিম বিজ্ঞানীদের আড়াল করার চক্রান্ত : ল্যাটিন অনুবাদে নাম পরিবর্তন। মুসলিম বিজ্ঞানীদের আড়ালে রাখার ইউরোপীয় কৌশল: নাম বিকৃতি থেকে ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা মধ্যযুগের স্বর্ণযুগে বিজ্ঞান ও জ্ঞানচর্চায় মুসলিম সভ্যতার অবদান ছিল বিপুল ও নির্ণায়ক। ইউরোপ যখন অন্ধকার যুগে নিমজ্জিত, তখন মুসলিম দার্শনিক, গণিতজ্ঞ, জ্যোতির্বিদ ও চিকিৎসকেরা মানবসভ্যতাকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন আলোকিত দৃষ্টিভঙ্গি ও গবেষণার শক্তিতে। কিন্তু পরবর্তীতে ইউরোপে এই জ্ঞানভান্ডার স্থানান্তরের সময় একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টা দেখা যায়—মুসলিম বিজ্ঞানীদের পরিচয় আড়াল করা, বিশেষ করে ল্যাটিন অনুবাদের মাধ্যমে তাদের নাম বিকৃত করা। বিশ্বজুড়ে কোনো লেখকের রচনা অনুবাদ করার ক্ষেত্রে সাধারণ নিয়ম হলো—বই অনুবাদ হবে, কিন্তু লেখকের নাম অপরিবর্তিত থাকবে। কিন্তু মুসলিম বিজ্ঞানীদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম ভেঙে দেওয়া হয়। তাদের পূর্ণ আরবি নাম বাদ দিয়ে ল্যাটিনে এমনভাবে রূপ দেওয়া হয় যাতে বোঝাই না যায়—তারা ছিলেন মুসলমান। এ ধরনের ঘটনার অন্য কোনো নজির পৃথিবীর সাহিত্য-ইতিহাসে নেই। অধ্যাপক জর্জ সারটন তাই মন্তব্য করেছিলেন—ইউরোপ পরিকল্পিতভাবে মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদানকে...

ইসলামি রাষ্ট্রে নারীরা নেতৃত্ব দিতে পারবে কি?

ছবি
  ইসলামি রাষ্ট্রে নারীরা নেতৃত্ব দিতে পারবে কি?  নেতৃত্বের অধীনে লক্ষ্য অর্জনে অধীনস্তদের সংগঠিত, প্রভাবিত ও উৎসাহিত করে এবং তাদের স্বতঃস্ফূর্ত সহায়তা নিয়ে কর্মতৎত্রতা পরিচালনা করা হয়। নারী নেতৃত্ব নিয়ে মতবিরোধ ও সিদ্ধান্তঃ উল্লেখ্য, কুরআন সুন্নাহে নারী নেতৃত্ব বৈধ বা অবৈধ সম্পর্কে স্পষ্ট নির্দেশ নেই। রসুল সা.-এর যুগে কোনো নারীকে গভর্নর, বিভিন্ন অভিযানে দলনেতা বা বিচারিক নেতৃত্ব বা কর্তৃত্ব প্রদান করেছিলেন বলে প্রমাণিত নয়। খোলাফায়ে রাশিদীনের যুগেও তাই। এজন্য পরবর্তী আলিমগণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারী নেতৃত্ব নিয়ে ব্যাপক মতবিরোধ করেছেন।  তাদের মতামতসমূহ প্রধানত ছয় ধরনের: প্রথম অভিমত: সকল ক্ষেত্রে নারী নেতৃত্ব অবৈধ, কারো মতে হারাম। দ্বিতীয় অভিমত: সকল ক্ষেত্রে সব ধরনের নারী নেতৃত্ব বৈধ। তৃতীয় অভিমত: মজলিশে শুরা ব্যবস্থায় বা যৌথ নেতৃত্বে নারীর সর্বোচ্চ নেতৃত্বসহ সকল ক্ষেত্রের নেতৃত্ব বৈধ। চতুর্থ অভিমত: বিশেষ অবস্থা বা প্রেক্ষাপটে নারীর রাষ্ট্রপ্রধানসহ সকল ক্ষেত্রে নেতৃত্ব বৈধ। পঞ্চম অভিমত: বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে নারী নেতৃত্ব বৈধ। ষষ্ঠ অভিমত : গোটা জাতির উপর সর্বোচ্চ নেতৃত্ব ব্যতীত অন...