4547715 ডা.বশির আহাম্মদ > expr:class='"loading" + data:blog.mobileClass'>

Wikipedia

সার্চ ফলাফল

শনিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৪

চোখে ড্রপ ব্যবহারের নিয়ম

 চোখে ড্রপ দেওয়ার সঠিক নিয়ম

চিত্র-১


চোখের নানান সমস্যায় আমাদের চোখে অনেক সময় ড্রপ দিতে হয় কিন্তু সেই ড্রপের দেওয়ার সঠিক নিয়ম না জানা থাকলে কোনো কাজে আসে না।


ড্রপ দেওয়ার সময় অনেকের মনেই কিছু প্রশ্ন জাগে। যেমন-

* এক ফোঁটার বেশি দিলে কি সমস্যা?

* ড্রপ আর মলমের মধ্যে কোনটি আগে দেব?

* একটা ড্রপ সর্বোচ্চ কত দিন ব্যবহার করা যায়?

* ড্রপ/মলম দেওয়ার পর কতক্ষণ চোখ বন্ধ রাখব?

*একটা ড্রপ দেওয়ার কতক্ষন পর অন্যজাতের ড্রপ দেবো?


চিত্র-২


ড্রপ ব্যবহারের নিয়ম

* ড্রপ ব্যবহারের আগে হাত ভালো করে ধুতে হবে।

* যেদিন প্রথম ড্রপের বোতলের ক্যাপ খোলা হবে সেদিন ড্রপের বোতলের গায়ে তারিখটা লিখে রাখবেন। কারণ ড্রপের মুখ খোলার পর এক মাসের বেশি ওই ড্রপের বোতল ব্যবহার করা উচিত নয়।

* যদি ড্রপটি সাসপেনশন টাইপ হয় তাহলে ব্যবহারের আগে ঝাঁকিয়ে নিতে হবে।

 *এরপর রোগীকে বসিয়ে মাথাটা পেছনের দিকে নিয়ে চোখের পাতা আলতোভাবে টেনে ধরে চোখের কোনায় ড্রপ দিতে হবে।

* ড্রপ দেওয়ার পর অন্তত ১০ সেকেন্ড চোখ বন্ধ করে রাখতে হবে।

* ড্রপ চোখে দেওয়ার পর চোখের কোনায় নাকের পাশের দিকটা চেপে ধরতে হবে, যাতে নাকে না চলে যায় বা চোখ বেয়ে গড়িয়ে না পড়ে।

চিত্র-২

* প্রত্যেক চোখে এক ফোঁটা করে ড্রপ দিতে হয় (মানে দুই চোখে এক ফোঁটা, এক ফোঁটা করে দিতে হবে)। একের অধিক ড্রপ একই সময়ে দেওয়া যাবে না।

* যদি আপনার ডাক্তার আপনাকে একের অধিক ধরনের ড্রপ ব্যবহার করতে বলেন তাহলে একই সময়ে দুই ধরনের ড্রপ দেওয়া যাবে না। অন্তত এক ধরনের ড্রপ ব্যবহার করার ৫-১০ মিনিট পরে আরেক ধরনের ড্রপ ব্যবহার করতে হবে।

* যদি চোখের ড্রপ ও অয়েন্টমেন্ট দুটিই প্রেসক্রিপশনে থাকে তাহলে আগে ড্রপ ব্যবহার করতে হবে, এরপরে অয়েন্টমেন্ট।

* ড্রপ ব্যবহারের ফলে যদি চোখ জ্বালাপোড়া বা অন্য কোনো সমস্যা অনুভূত হয়, তাহলে চিকিৎসক কে বিষয়টি জানাতে হবে।

* আগে যদি কোনো ড্রপ ব্যবহারে আপনার অ্যালার্জির সমস্যা হয়ে থাকে, তাহলে এবার আপনার ডাক্তারকে সেই ড্রপটির নাম জানান।

* চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে নিজে চোখের ড্রপ ব্যবহার বন্ধ করবেন না।

সতর্কতা

* চোখ লাল হলে নিজে নিজে আই ড্রপ ব্যবহার করবেন না।

* আই ড্রপের বোতলটি যেন চোখে লেগে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখুন।

* কখনোই চোখের কালো অংশে, অর্থাৎ কর্নিয়ায় সরাসরি ড্রপ ফেলবেন না।

* কন্টাক্ট লেন্স পরা অবস্থায় আই ড্রপ বা অয়েন্টমেন্ট ব্যবহার করবেন না।





রাতকানা(Night blindness)

 রাতের কানা (নাইক্টালোপিয়া)


রাত কানা(Night blindness) বা Nyctalopia একটি রেটিনার সমস্যার মতো অন্তর্নিহিত রোগের লক্ষণ। এ অন্ধত্ব আপনাকে রাতে বা কম আলোতে  দেখতে সমস্যা করে।

রাত কানার অনেকগুলি কারন রয়েছে এবং কারণ সনাক্ত করেই চিকিৎসা করতে হয়।

রাত কানা কী?
রাত কানা (nyctalopia) হল রাতে বা রেস্তোঁরা বা মুভি থিয়েটারের মতো কম আলোতে ভাল দেখতে অক্ষমতা। এটি প্রায়শই ভালভাবে আলোকিত পরিবেশ থেকে খারাপ আলোকিত পরিবেশের সাথে দ্রুত অভিযোজন করতে সমস্যা হয়। 

এটি কোনও রোগ নয়, বরং চোখের অন্তর্নিহিত সমস্যার একটি লক্ষণ, সাধারণত রেটিনার সমস্যা। ।যে ব্যক্তিরা মায়োপিক তাদের রাতের দৃষ্টি নিয়ে কিছু অসুবিধা হওয়া সাধারণ, তবে এটি রেটিনা রোগের কারণে নয়, বরং অপটিক্যাল সমস্যার কারণেও হয়।




কম বা কোন আলোতে চোখে কী ঘটে?
আপনার চোখ নিয়মিত আলোর সাথে সামঞ্জস্য করে। আপনি যখন কম বা কোনও আলোতে না থাকবেন তখন আপনার পিউপিল (আপনার চোখের কেন্দ্রে সেই কালো বৃত্ত) বড় হয়ে যাবে (ডায়লেট) যাতে আরও আলো আপনার চোখে প্রবেশ করবে। সেই আলোটি তখন রেটিনা - আপনার চোখের পিছনের টিস্যু দ্বারা গ্রহণ করে যা সমস্ত রড এবং কোন্ কোষকে আন্দোলিত রাখে। কোন্ কোষগুলি আপনাকে রঙ দেখতে সহায়তা করে। রড কোষগুলি আপনাকে অন্ধকারে দেখতে সহায়তা করে। কোনও রোগ, আঘাত বা অবস্থার কারণে যখন এই রডগুলি ভালভাবে কাজ না করে, তখন আপনি ভাল বা অন্ধকারে দেখতে পাচ্ছেন না।

মেকানিজম:
রেটিনায় দুই ধরনের কোষ থাকে:
 ১। রড কোষ:
রডের ন্যায় যাকে রড কোষ বলে এবং রডপসিনের মাধ্যমে কম আলো দেখতে সহায়তা করে, আর এই রডপসি তৈরী হয় বওটা ক্যারোটিন বা ভিটামিন এ থেকে।

২। কোন কোষ:
কোন কোষ আইয়োডপসিন এর সাহায্যে উজ্জল আলোতে দেখতে সহায়তা করে।
কোন কারণে শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন এ অর্তাদ বিটা ক্যারোটিন এর অভাব হলেই রড কোষ রডপসিন তৈরী করতে না পারার কারণে রাতকানা রোগ হয়।

এপিডেমোলজিঃ
★বিশ্বব্যাপী রাতকানা প্রায়: 5.2 মিলিয়ন।

*প্রাক-স্কুল-বয়সের শিশুদের (95%  মানে 8.4 মিলিয়ন) এবং

*9.8 মিলিয়ন গর্ভবতী মহিলাদের (95% সিআই: 8.7-10.8 মিলিয়ন) প্রভাবিত করে, যা 0.9%।

*এবং ঝুঁকিতে জনসংখ্যার 7.8% এর সাথে মিলে যায়।

রাত কানা রোগের কারণঃ

রাত কানা রোগের অনেকগুলি সম্ভাব্য কারণ রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:
★মায়োপিয়া (দূরদৃষ্টি)।

★গ্লুকোমা ওষুধ যা ছাত্রদের চোখ সংকুচিত করে কাজ করতে বাধ্য করে।

★ছানি।

★রেটিনাইটিস পিগমেন্টোসা।

★ভিটামিন এ এর ​​ঘাটতি, বিশেষত এমন ব্যক্তিদের মধ্যে যারা অন্ত্রের বাইপাস সার্জারি করেছেন।

★ডায়াবেটিস।

রাত কানা রোগের যত্ন এবং চিকিৎসা:

আপনার রাত কানা রোগের চিকিৎসা কারণের উপর নির্ভর করে, যেমন-
★দৃষ্টি ত্রুটি জনিত কারণে হলে চশমা দিবে।

  ★ গ্লুকোমা থাকলে তার চিকিৎসা দিবে।

★ ছানির কারনে হলে ছানি অপারেশন করবে।

★যদি আপনার রেটিনা রোগ থাকে তবে চিকিৎসা রোগের ধরণের উপর নির্ভর করে চিকিৎসা করতে হবে।

বাড়িতে রাত কানার জন্য কি কি করতে আমি কী করতে পারি?
ঘরে বসে রাত কানা রোগের চিকিৎসা করা যায় না। এ জন্য চক্ষু চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

কীভাবে রাত কানা প্রতিরোধ করা যায়:
আপনি জন্মগত কারনে রাতকানা হলে প্রতিরোধ করতে পারবেন না, তবে আপনি নিজের জীবনযাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। 

সম্ভবত রাত কানা রোধ করার জন্য নিম্নলিখিত কাজ গুলি করে দেখুন:

ভিটামিন এযুক্ত খাবারগুলি খান।
ভিটামিন এ যুক্ত সাকশব্জির মধ্যে রয়েছে-

*গাজর।
*ক্যান্টালৌপস।
*বাটারনেট স্কোয়াশ।
*পালং শাক
*দুধ বা পনির
*ডিম।

*নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করুন। ধারাবাহিকভাবে একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞকে দেখুন যাতে আপনার চোখের সাথে সমস্যা হয় তবে তারা তাড়াতাড়ি সনাক্ত করতে পারে।

কীভাবে আমি রাতের অন্ধত্ব রোধ করতে পারি?

★জিনগত অবস্থার কারণে নাইট অন্ধত্ব প্রতিরোধ করা যায় না।
 ★যাইহোক, কিছু চোখের রোগ এবং অবস্থা যা রাতের দৃষ্টিকে প্রভাবিত করে কিছু প্রয়োজনীয় জীবনযাত্রার সামঞ্জস্য করে রোধ করা যেতে পারে।

★ভিটামিন এ, ই, সি এবং লুটিন ছানি পড়াকে বিলম্বিত করে এবং রেটিনাকে সুরক্ষিত করে। তাই এগুলোর সু-সম খাবার খাবেন।

★এই জীবনযাত্রার কিছু অভ্যাস পরিবর্তন করা আপনার রাতের অন্ধত্বের ঝুঁকি হ্রাস করতে পারে, যেমন ভোরে উঠে ঊষার আলোতে ঘোরাঘুরী করা, ছোট মাছ খাওয়া ইত্যাদি।

ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবারগুলি সাধারণত কমলা রঙের হয় এবং এর মধ্যে রয়েছে:

★গাজর
★আম
★ক্যান্টালৌপস
★মিষ্টি আলু
★বাটারনেট স্কোয়াশ
★কুমড়ো
★রঙ্গীন সব্জি
★পালং শাক
★দুধ
★ডিম
★ছোট মাছের হাড় যেমন-
মলা মাছ, ঢেলা মাছ, বেতরাঙ্গী মাছ ইত্যাদি।
★ নিয়মিত চক্ষু পরীক্ষা করান।

জাতীয় ঐক্যের মূল মন্ত্র কি হবে

 "বাংলাদেশের জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি যেন ধর্ম না হয়"

জাতীয় ঐক্যের মূল ভিত্তি কি হবে?



আমার লেখার শিরোনাম দেখে অনেকেরই চোখ কপালে উঠবে হয়ত, কেননা ইসলামি রাজনীতির আজীবন কর্মী কিভাবে এমন কথা বলল!! না ভাই লেখা শেষ পর্যন্ত পড়ুন তার পর বুঝবেন।

১৯৪৭ সালে ধর্মের ভিত্তিতে ব্রিটিশরা ভারত ও পাকিস্তান ভাগ করলেও এটা সুষম বন্টন ছিলো না। দুটি দেশ তৈরীতে যেমন মুসলমানদের উপকার হয়েছে তেমনী শুধু মাত্র ধর্মীয় বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ভুমি আলাদা করাতে সাংস্কৃতিক বৈষম্যটা আবার রয়েই গেছে। উদাহরন সরুপ বাংলা ভাষা আন্দোলন, বর্তমানে মনিপুর বাসীদের আন্দোলন এর সবচেয়ে বড় উদাহরন।

যাই হোক বাংলাদেশের জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি কেনো ধর্ম নয় বরং বাংলাদেশী হওয়া উচিত তা জানা দরকার।

যদিও বাংলাদেশকে বলা হয় ৯৫% মুসলমানের দেশ, আদতে তা ৮৫% এর মত মুসলমান। যাই হোক ৮৫% আর ৯৫% কেনটাই বড় নয়, বড় হলো দেশের প্রত্যকটা মানুষেরই সমান ও ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা। বাংলাদেশে মুসলমান বাদেও উইকিপিডিয়ার সূত্র মতে প্রয় আরো ৫১ টি বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর লোকের বসত। এখানে সবাই বাংলাদেশটাকে নিজের দেশ মনে করে, মনে করতেই হবে। যে দেশে তাদের জন্ম সে দেশটাকেই মাতৃভূমি মনে করবে এটাইতো স্বাভাবিক। ৫% হোক আর ১৫% হোক অথবা যে পরিমানই হোকনা কেনো সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম জনগন কি তাদেরকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশ গঠন করতে পারবে? যদি ইসলামি শাসন ব্যবস্থা কায়েমও হয় তথাপিও এই কম সংখ্যক মানুষের বাকী ৫১টি জাতির তাদের জাতীয় পরিচয় কি হবে? এদেশে জন্ম নিয়ে কি তারা এদেশের উপজাতী কিংবা দ্বিতীয় শ্রেনীর নাগরিক হিসেবে থাকবে? 

যাক, এগুলো তাত্ত্বিক কথা, এখন দেখি জাতীয় ঐক্য ও বহি: শক্তি এবং সম্রাজ্যবাদ বিরোধী শক্তিকে প্রতিহত করার মূল ঐক্যের ভিত্তি কি হবে। ধরেন জাতীয় ঐক্যের মূল শক্তি যদি ধর্ম হয় তাইলে হিন্দুরা পাশে চাইবে তাদের শক্তি, সাপোর্ট হিসাবে ভারতকে এবং ভারতের আধিপত্য বৃদ্ধিতে তারা খুশি হবে,বৌদ্ধরা চাইবে পাশের দেশ মায়ানমারকে, খ্রিস্টানরা চাইবে এদেশে ব্রিটিশদের এবং মিশনারীদের আধিপত্য বৃদ্ধি পাক। মুসলমানদেরও একদল চাইবে এদেশে পাকিস্তানের পাকিস্তানের প্রভাব বৃদ্ধি পাক, আরেকদল যারা স্বৈরাচার, খুনী হাসিনার দাশ তারা চাইবে ভারতের আধিপত্য বৃদ্ধি পাক, অন্যান্য জাতিরাও তারা নিজেদের মত শক্তিকে পাশে পেতে চাইবে, আর এই কারনে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সম্রাজ্যবাদী শক্তি বিভিন্ন ধর্মের লোককে কাজে লাগিয়ে সহজেই বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে পারবে।

এই দেখুন না গত তিন মাসে ভারত তার চির সঙ্গী হাসিনাকে প্রতিস্থাপনের জন্য হিন্দু ধর্মের লোকদেরকে ইসকনের ছায়াতলে একত্রিত করে কি ঝামেলাটাইনা বাঁধিয়ে রাখছে। কিন্তু হিন্দুরা যদি বুঝত যে ভারতের বিজেপি বাংলাদেশের হিন্দুদের বন্ধু নয়, তারা মাইনরিটি ট্রাম্পকার্ড ইস্যু ব্যবহার করে ২০২৬ সালে ভারতের হিন্দুদের সহানুভুতি হাতিয়ে ভোটের বাক্স ভরতে চায় আর অপর দিকে বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় হিন্দু নির্যাতনকারী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে প্রতিস্থাপন করে তারা তাদের অর্থনৈতিক স্বার্থ হসিল করতে চায় তবে তারা কখনোই ভারতের ফুটবল হিসাবে ব্যবহৃত হত না।

ইসকন সমর্থিত হিন্দুরা বুঝতে হবে বাংলাদেশ নিজের দেশ, বাংলাদেশকে নিজের দেশ বললেই হবে না, তা ধারনও করতে হবে। মুসলমানরা ভারতে এত এত নির্যাতন সহ্য করার পরও কি কেউ দেখাতে পারবে যে ভারতের কোনো মুসলিম তাদের দেশের চির শত্রু পাকিস্তানে তাদের দেশের বিষয়ে নাক গলানোর সুযোগ করে দিচ্ছে? না, ভারতের মুসলমানরা নির্যাতিত হলেও তারা তাদের দেশকে নিজের দেশ মনে করে। ভারতের মুসলিমরা নিজ দেশের ঐক্যের শক্তিকে ধর্মের ভিত্তিতে ভাগ করে নি,তারা নিজ দেশকে নাগরিক হিসাবে এবং নিজের মাতৃভূমি হিসাবে ধারন করে।

কিন্তু বাংলাদেশের বেশির ভাগ হিন্দুরা কি করে? বাংলাদেশে পান থেকে চুন খসলেই ভারত, চীন, জার্মানি এবং আমেরিকার কাছে নিজের দেশের বিষয়ে নালিশ করে। এক দেশে থাকবেন, আর কোনো কিছু নিয়ে ব্যক্তিগত ঝামেলা হলেও বিদেশের কাছে নালিশ করেন, এতে করে কি প্রমান হয় না যে আপনারা বাংলাদেশটাকে নিজের দেশ মনে করেন না?

ধর্মীয় সম্প্রীতি ভারত কিংবা আমেরিকার কাছে শিখতে চান? ভারত কিংবা আমেরিকায় কখনো দেখেছন যে বন্যা কিংবা প্রাকৃতিক দূর্যোগের সময় সকল ধর্মের লোকেরা তাদের ধর্মীয় আচার ও অনুষ্ঠানের জমানো টাকা প্রান উজার করে দেশের মানুষকে বিলিয়ে দিতে? ঐ সকল দেশে দেখেছেন কখনো মাদরাসার ছাত্ররা মন্দিরের নিরাপত্তা দিতে? তাইলে ওদের কাছে কেনো যাচ্ছেন সম্প্রীতি শিখতে? হিন্দু বলেন আর বৌদ্ধ বলেন আর সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিমই বলেন, যতই চেষ্টা করেন মাতৃ ভূমির টান চাইলেও ছিঁড়তে পারবেন না বরং বহি: শক্তিকে দেশের ভিতর নাক গলানোর সুযোগ করতে গিয়ে নিজেকে মোনাফেকের খতায় নাম লেখাবেন।

আর মুসলমানরা যদি ইসলামি সালতানাত কায়েমও করে ফেলে তাইলেও অমুসলিমদের অধিকার বলে একটা হক্ব মুসলমানদের উপর অমুসলিমদের আছে, সেটা নিশ্চিত করেই ইসলামী সালতানাত কায়েম করতে হবে।  আর এটা কায়েম করতে পারলে অথবা অমুসলিমরা এটা আদায় করতে পারলে কিংবা সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলমানকে এই অধিকার দিতে বাধ্য করতে পারলে আর কিছু লাগবে না।

আর বাংলাদেশের সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলমানও অমুসলিমদের অধিকারের প্রতি আরে সচেষ্ট হতে হবে। বছরে একদিন মদিরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করলেই হবে না, সংখ্যায় কম ভিন্নধর্মাবলম্বীদের কোথাও কেউ অহেতুক অপমান করছে কিনা, তাদের জান মালের উপর কোনো মুসলমান হতক্ষেপ করছে কিনা তা দেখে তাদের অধিকার ও ন্যায় বিচারের নিশ্চয়তা দেওয়ার চেষ্টাও করতে হবে যেন তারা সংখ্যায় কম বলে নিজেদের নিরীহ মনে করে মুখ  প্রতি অন্যায় সহ্য করতে না হয়।

এভাবে সকলে বাংলাদেশকে নিজেদের দেশ মনে করলে এবং সবাই সবার অধিকারের শ্রদ্ধাশীল হলে তবেই বাংলাদেশের স্থায়ী জাতীয় ঐক্য হবে। কোনো ধর্মের লোক নিজের দেশে নিজেকে অসহায় মনে করবে না, দেশকে ভালবাসবে, ঐক্য দৃঢ় হবে, টেকসই হবে, চিরস্থায়ী হবে ইনশাআল্লাহ। 

শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৪

ব্লেফারোস্পাজম (Blepharospasm)

 ব্লেফারোস্পাজম





ব্লেফারোস্পাজম এমন একটি স্নায়ুবিক অবস্থা যা অরবিকুলারিস ওকুলি মাশলের টনিক স্প্যামের কারণে চোখের পাতা জোর করে বন্ধ করে দেয়।এতে করে রোগীর অজ্ঞাতসারে চোখের পাতা বন্ধ হয়ে আসে।


এপিডেমিওলজি:

• মহিলাদের মধ্যে বেশি সাধারণ

• বয়সের সাথে সাথে বাড়ে।

কারনঃ


• অপরিহার্য - ইডিওপ্যাথিক


• দ্বিতীয়ত;

• ব্লেফারাইটিস

• শুষ্ক চোখ / কেরাটোকনজাংটিভাইটিস সিকা (কেসিএস)

• ট্রাইকিয়াসিস

• গ্লুকোমা

• ইউভাইটিস

• অন্যান্য দীর্ঘস্থায়ী ঢাকনা রোগ

• অন্যান্য দীর্ঘস্থায়ী চোখের পৃষ্ঠের রোগ।


সার্কিট কার্যকলাপে ব্যাধিও ব্লেফারোস্পাজম তৈরির জন্য দায়ী হতে পারে, যেমন কর্নিয়ার সংবেদনশীলতা হ্রাস ব্লিঙ্ক রিফ্লেক্স ইনহিবিশনের ক্ষতির কারণ হতে পারে।





ক্লিনিকাল বৈশিষ্ট্য:

• চোখের পলক অনিচ্ছাকৃত বন্ধ

• চোখের পাতা বন্ধের বর্ধিত ফ্রিকোয়েন্সি যা চাপ, ক্লান্তি, সামাজিক মিথস্ক্রিয়া দ্বারা আরও বাড়তে পারে।


• চোখ বন্ধ করলে বা 'বিক্ষেপ' দ্বারা উপশম হতে পারে, যেমন মুখ স্পর্শ করা বা শিস দেওয়া।


• চোখের নেত্রপল্লব এবং চোখের পৃষ্ঠের রোগ, ptosis, এনট্রোপিয়ন, Proptosis, বা dermatochalasis সমস্যাও এইমসমসয়া তৈরী করতে পারে।


পীক্ষা-নিরীক্ষা:
বৈশিষ্ট্যযুক্ত বিচ্ছিন্ন ব্লেফারোস্পাজমের জন্য সাধারণত পরীক্ষার কোনো প্রয়োজন হয় না, তবে ইএমজি বা এমআরআই করা যেতে পারে। 


রোগ নির্ণয়:
ব্লেফারোস্পাজম ইতিহাস এবং বৈশিষ্ট্যগত লক্ষণগুলি থেকে চিকিৎসার ধরন নির্ণয় করা হয়।

• বেলস পালসি

• ড্যাক্রিওসাইটাইটিস

• অ্যালার্জিক কনজেক্টিভাইটিস

• চোখের পাতার মায়োকিমিয়া

• কেরাটোকনজাংটিভাইটিস সিকা (কেসিএস)

• নংগ্রানুলোম্যাটাস অ্যান্টিরিয়র ইউভাইটিস।


চিকিৎসা:
• বোটুলিনাম টক্সিন টাইপ A: সাধারণত
উপরের এবং নীচের নেত্র পল্লবে একাধিক ইনজেকশন হিসাবে দেওয়া হয়


[সতর্কতা: এই চিকিৎসার ফলে ptosis, epiphora, শুষ্ক চোখ, keratitis, এবং diplopia হতে পারে]।

• কোন অন্তর্নিহিত চোখের রোগের চিকিৎসা (যদি থাকে)

• অন্যান্য চিকিৎসার বিকল্প:

 বেনজোডিয়াজেপাইনস ব্যবহার করা যেতে পারে।


সার্জারি: ডক্সোরুবিসিন হাইড্রোক্লোরাইড দিয়ে মায়েক্টমি বা কেমোমায়েক্টমি।

ব্লেফারাইটিস(Blepharitis)

 

ব্লেফারাইটিস বা চোথের পাতার প্রদাহ”



 

ব্লেফারাইটিস  চোখের পাতার প্রদাহ যা লাল,  চোখের পাতা ফোলা এবং ক্রাস্টি আইল্যাশ সৃষ্টি করে 

এই সমস্যার চিকিত্সা অনেক সময় কঠিন হতে পারে এবং৷ সুস্থ হওয়ার পরও পুনরাবৃত্তি হয় এই কারণে ব্লেফারাইটিসকে দীর্ঘস্থায়ী ব্লিফারাইটিস নামেও বলা হয়।

ব্লেফারাইটিস খুব কমন একটি সমস্যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চোখের ডাক্তারদের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে যে ৩৭থেকে ৪৭ রোগীর কম বেশী এই সমস্যা হয়

ব্লেফারাইটিস সংক্রামক নয় রোগ নয় এবং সাধারণত চোখ বা দৃষ্টিকে মারাত্মক ক্ষতি করে নাতবে এটি দৃষ্টি কটু এবং অস্বস্তিকর হয়

 


কারণসমূহ:

ব্লেফেরাইটিসের কারন সমূহ: 

চোখের পাতায় ব্যাকটিরিয়া সংক্রমণ

• মাইবোমিয়ান গ্রন্থির কর্মহীনতা

শুকনো চোখ বা ড্রাই আই

•  চোখের পাতায়া ছত্রাক সংক্রমণ

°পরজীবী (আইল্যাশ মাইট বা আইল্যাশ উকুন)

• সেবোরিহাইক ডার্মাটাইটিস (মাথার ত্বকের চুলকানি এবং খুশকী)

 


প্যাথোফিজিওলজিঃ

ব্লেফারাইটিস সাধারণত প্রতিটি চোখের পাতার প্রান্ত এবং প্রতিটি আইল্যাশের গোড়ায় বেঁচে থাকা ব্যাকটেরিয়ার অত্যধিক বৃদ্ধির কারনে হয়ে থাকে।

সময়ের সাথে সাথেএই ব্যাকটিরিয়াগুলি বৃদ্ধি পায় এবং একটি বায়োফিল্ম নামে একটি কাঠামো তৈরি করে এই বায়োফিল্মটি একটি বিষাক্ত পরিবেশে পরিণত হয়যেমনটি দাঁতে তৈরি ফলকের মতো

ডেমোডেক্স নামক আইল্যাশ মাইটগুলি বায়োফিল্মে খাবার দেয়যা ডার্মাটোফাইটের অত্যধিক বৃদ্ধি ঘটায় এটি চোখের পাতার প্রদাহকে আরও বৃদ্ধি করে তোলে

বায়োফিল্মের ব্যাকটিরিয়া এক্সোটক্সিন নামক পদার্থও তৈরি করে যা ক্ষুদ্র গ্রন্থিগুলির প্রদাহ সৃষ্টি করে যা অশ্রুতে তেল জমা করে এটি মেইবোমিয়ান গ্রন্থি কর্মহীনতার মতো অবস্থার দিকে পরিচালিত করে যা শুকনো চোখের অস্বস্তি ঘটায় এবং আরও খারাপ করে

ব্লিফারাইটিস এছাড়াও ত্বকের অবস্থার সাথে সম্পর্কিতযেমন অকুলার রোসেসিয়াএকজিমাখুশকি এবং সোরিয়াসিস মত সমস্যা দ্বায়ী।

 


ক্লিনিকাল বৈশিষ্ট্য:

ব্লিফারাইটিসের সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণগুলি ':

• লাল ও চোকের পাতা ফোলা,

চোখের পলকের গোড়ায় ক্রাস্টি ধ্বংসাবশেষ

• লালজ্বালাপোড়া বা চোখের কাঁপুনি

. চোখে চুলকানি এবং চোখের পাতা জ্বলা,

আলোর সংবেদনশীলতা

এমন অনুভূতি যে আপনার চোখে কিছু আছে

.মাঝে মাঝে অস্পষ্ট দৃষ্টি যা সাধারণত ঘন ঘন জ্বলজ্বলে দৃষ্টি হয়

 

ব্লেফারাইটিসের সাথে যুক্ত অন্যান্য যে সমস্যা দেখ যায়ঃ

যদি রোগীর দীর্ঘস্থায়ী ব্লিফারাইটিস থাকে নিম্নোক্ত সমস্যা দেখা যেতে পারে,

স্টাই - চোখের পাতার স্টাই ' চোখের পাতার গোড়ায় বা চোখের পাতার তেল উত্পাদনকারী গ্রন্থির ভিতরে একটি ব্যাকটিরিয়া সংক্রমণ স্টাই চোখের পাতার প্রান্তে একটি বেদনাদায়ক লাল গুটি সৃষ্টি করে। এটি বয়াথা সৃষ্টি করতে পারে।

• ক্যালাজিওন - ক্যালাজিয়ন  চোখের পাতাতে একটি আটকে থাকা তেল গ্রন্থি যা স্টাই হিসাবে শুরু হতে পারে এটি চোখের পাতার উপর একটি লালফোলা ফোলা সৃষ্টি করে

শুকনো চোখের:

 নেত্র পল্লবের তেল গ্রন্থিগুলি আটকে থাকা টিয়ার ফিল্মটি দ্রুত বাষ্পীভূত হতে পারেযার ফলে চোখের শুকনো সমস্যা দেখা দিতে পারে

• আইল্যাশ সমস্যা - দীর্ঘস্থায়ী ব্লেফারাইটিস নেত্র পল্লবের মার্জিনের ক্ষত সৃষ্টি করতে পারে যা চোখের দোরগোড়ায় ভুল পথে চালিত হতে পারেএমনকি আইল্যাশ ক্ষতিও হতে পারে

• কর্নিয়ার সমস্যা - যদি ব্লিফারাইটিস বৃদ্ধি পেলে কর্নিয়ার মসৃনতা নষ্ট করে যা দৃষ্টি শক্তি নষ্ট করে। 

• কনজাঞ্জাংক্টিভাইটিস:

 দীর্ঘস্থায়ী ব্লেফারাইটিস এছাড়াও ব্যাকটিরিয়াল কনজাংক্টিভাইটিস চোখের এপিসোড সৃষ্টি করতে পারেযা কনজেক্টিভাইটিসের একধরণের রূপ যখন ব্লেফারাইটিস এবং কনজাংক্টিভাইটিস একসাথে ঘটে তখন একে ব্লেফারোকঞ্জঞ্জিটিভাইটিস বলে

ব্লিফেরাইটিস কনট্যাক্ট লেন্সের অস্বস্তির একটি সাধারণ কারণযা রোগীকে কন্টাক্ট লেন্স ছেড়ে দিতে বাধ্য করে

 

চিকিত্সা:

ব্লিফারাইটিস চিকিত্সা চোখের পাতার প্রদাহের কারণ নির্ধারণের জন্য চক্ষু চিকিত্সকের সাথে দেখা শুরু করতে হবে।

ব্লিফেরাইটিস চিকিত্সার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে:

চোখের পাতার স্ক্রাব:

চোখের পাতাগুলি ধীরে ধীরে স্ক্রাব করা চোখের পাতার মার্জিন থেকে বায়োফিল্ম এবং অতিরিক্ত ব্যাকটেরিয়া তৈরি করতে সরিয়ে দেয় চোখের পাতাগুলি পরিষ্কার করতে এবং মাইট কনাগুলিতে ব্যাকটেরিয়া এবং মাইটের পরিমাণ হ্রাস করতে সাধারণত উষ্ণ কমপ্রেস এবং মাইট কনা স্ক্রাবগুলির প্রতিদিনের নিয়মিত পরামর্শ দিতে হবে

ক্লিনিং এজেন্টগুলির মধ্যে প্রেসক্রিপশন আইলাইড ক্লিনজারনন-প্রেসক্রিপশন আইলিড ওয়াইপ বা পাতলা শিশুর শ্যাম্পু অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে

 

বাসায় করার পদ্ধতি:

ঘরে বসে চোখের পাতার স্ক্রাবগুলি সহায়কইনফিসিয়াস আইলাইড হাইজিন পদ্ধতিগুলি প্রায়শই ব্লিফারাইটিসের আরও কার্যকর চিকিত্সার জন্য সুপারিশ করা হয়

 

নিম্ন পদ্ধতিগুলি বাসায় করা য়েতে পারে:

1. আপনার চোখের পাতা থেকে ব্যাকটিরিয়াবায়োফিল্ম এবং মাইটগুলি অপসারণ করতে এবং আটকে থাকা তেল গ্রন্থি খুলতে ইলেক্ট্রোমেকানিকাল মাইট কনা মার্জিন ডিব্রিডমেন্ট (যেমন ব্লিএফেক্স চিকিত্সা)

তাপীয় পালসেশন চিকিত্সা (উদাহরণস্বরূপতেল গ্রন্থিগুলিকে বাধা দেয় এমন কোনও উপাদান গলে এবং প্রকাশ করতে

আটকে যাওয়া ফিল্মের মধ্যে আটকে থাকা চোখের পাতলা গ্রন্থিগুলি খুলতে এবং তেলের স্বাভাবিক প্রবাহ পুনরায় শুরু করতে তীব্র পালস আলো (আইপিএলথেরাপি

 

 

মেডিকেটেড চোখের শ্যাম্পু অথবা মলম:

চোখের পাতার উপরের অতিরিক্ত ব্লেফারাইটিসজনিত ব্যাকটিরিয়া বা অন্যান্য জীবাণু ধ্বংস করার জন্য চিকিত্সক ওষুধগুলিও লিখে দিতে পারেন - বিশেষত যদি এটি প্রদর্শিত হয় যে আপনার কবজাংক্টিভাইটিস বা অন্য কোনও ধরণের সংক্রমণ থাকে।

 

আইলিড হাইজিন টিপস:

আইলিড হাইজিন চিকিত্সানিয়ন্ত্রণ এবং ব্লেফারাইটিস প্রতিরোধে খুব সহায়ক

শুরু করার জন্যআপনার চোখের পাতার তেল গ্রন্থিতে যে কোনও অবরুদ্ধ অবশিষ্টাংশ গলানোর জন্য একটি পরিষ্কারউষ্ণ ও ভেজা কাপড় ব্যবহার করুন

 

এই পদ্ধতি করুন:

আপনার হাত ধুয়ে ফেলুনতারপরে উষ্ণ (প্রায় গরম) হাওয়া দিয়ে সিত রাখুন।


ব্যাফোমেট, কুফুরী বিদ্যা ও ইলুমিনাতির আদ্যোপান্ত

  মানবজাতির ইতিহাসের সূচনা হয়েছে হযরত আদম (আ.)-এর মাধ্যমে। আল্লাহ তায়ালা তাঁকে সৃষ্টি করার পর ফেরেশতাদের সঙ্গে তাঁর শ্রেষ্ঠত্বের ঘোষণা দেন এ...