ওয়াকারের ফ্যাসিবাদ হতে দেশপ্রেম

 "ওয়াকারের ফ্যাসিবাদ হতে দেশপ্রেম"

ওয়াকারের ূদেশপ্রেম



সেনা প্রধান ওয়াকারকে অনেকেই সম্মুখ সারির যোদ্ধা বলে দাবী করছেন, আসলেই উনি ৫ই আগষ্টে ছাত্রদের বিষয়ে সফ্ট ছিলো যার কারনে হাসিনাকে হঠানো সহজ হয়েছিলো এবং অপেক্ষাকৃত কম রক্ত ঝড়েছে, তা না হলে আরো ঝড়তো। এজন্য অনেক আবেগী বাংলাদশীরা এই ওয়াকারকে জুলাই বিপ্লবের যোদ্ধা পর্যন্ত বলে।

চলুন এই ওয়াকার কি আসলেই জুলাই আন্দোলনের সহযোগী ছিলো না বিরোধী ছিলো তা জেনে নেই, তবে তার আগে ওয়াকারের উত্থানের ইতিহাস হ্জানা ফরজ।

জেনারেল ওয়াকারের উত্থানঃ
১। জেনারেল ওয়াকার শেখ হাসিনার তৈরী করা সেনা প্রধান। হাসিনা নিজের অনুগত না হলে কাউকে এই পদে দপয় না।

২। হাসিনার রকৃত সম্পর্কের আত্মীয় ওয়াকার, রক্ত কখনো নিজের বিরোধিতা করে মা।

৪। হাসিনাই নিজের কার্য সিদ্ধির জন্য অনেক মেধাবী অফিসারকে রেখে ওয়াকারকে সেনা প্রধান বানিয়েছে নিজের আনুগত্যের জন্যে।


সেনা প্রধান কিভাবে দেশপ্রেমিক সাজলোঃ
সেনা প্রধানের দেশপ্রেমিক সাজা হলো পীঠ বাঁচানোর জন্য শুধু মাত্র। কারন,
১। জুলাই মাসে সেনাবাহিনীর রাইফেল হতে যতগুলো গুলি ছাত্র জনতার উপর করা হয়েছে তার একটাও সেনা প্রধানের নির্দেশ ছাড়া হয় নি।

২। সেনা অফিসারদের বাসায় বাসায় গিয়ে যখন আওয়ামী লীগ ও পুলিশ ছাত্রদের খোঁজে বের করা শুরু করে ছিলো তখন জুনিয়র অফিসাররা ফুঁসে উঠেছিলো।

৩। সাবেক সেনা অফিসাররাও ক্ষেপে গিয়েছিলো।

৪।২০২৪ এর ডামী নির্বাচনে বাংলাদেশ সপনা বাহিনী স্বৈরাচারকে সহযোগীতার কারনে অলরেডি৷ বাংকাদেশ সেনাবাহিনূর উপর আমেরিকা ও জাতিসঙ্ঘের নিষেধাজ্ঞা আসা অওেক্ষমান ছিলো।

৫।জুলাই হত্যাকান্ডে জাতিসংঘের শান্তি মিশনের জন্য ইউ এন লেখা ভেহিকল ব্যবহার করে ছাত্রজনতার উপর গুলি চালানোর দায়ে বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর উপর বড় নিষেধাজ্ঞা অপেক্ষমান ছিলো। 

৬,। জুনিয়র অফিসারেরা অলরেডি বিদ্রোহ শুরু করে দিয়েছিলো।


সেনা প্রধান যে এখনও আওয়ামী লীগের দালাল তার প্রমানঃ
১) হাসিনাকে সেইফ এক্সিট দেওয়া।

২) হত্যাকারী ৬৫০ জনকে ক্যান্টনমেন্টে আশ্রয় দেওয়া ও পরে নিরাপদে পালাতে সাহায্য করা।

৩) পিলখানা হত্যার কমিশন হতে বাধা দেওয়া।

৪) পিলখানা হত্যার পুরো দায় বিডিআরকে দিয়ে দেওয়া।

৫) ট্রাইবুনাল থেকে পরোয়ানা জারি হওয়া সেনা কর্মকর্তাদের ক্যান্টনমেন্টে আশ্রয় দেওয়া।

৬) গুম,খুনে জড়িত সেনাকর্মকর্তাদের দেশ ছাড়তে সহায়তা করা।

৭) প্রধান উপদেষ্টাকে ড: ইউনুস বলে সম্বোধন করা।

৮) সরকারকে পাশ কাটিয়ে সেনাবাহিনি থেকে জাতিসংঘের দাবীর বিরুদ্ধে স্ট্যাটমেন্ট দেওয়া।

৯) সবচেয়ে বিপজ্জনক হইলো আয়নাঘর পরিদর্শন করতে ইউনুসকে বাধা দেওয়া। সব আলামত নষ্ট করার পর বুকে পাথর বেধে পরিদর্শন করাটা মেনে নেওয়া।

নিজেই ভাবুন ওয়াকার কি জিনিস!!!

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ইসলামে সূফীবাদ নামক কুফুরী ভ্রান্তি

মাও: মওদূদীর ভ্রান্ত আকীদা নিয়ে ৮৫ বছর যাবত ভারতবর্ষের আলেমদের বিতর্কের কারন

স্বাধীনতার যুদ্ধে সহায়তার নামে ভারতীয় বাহিনীর বাংলাদেশ লুটের হিসাব

আহলে হাদিসের ভন্ডামীর আদ্যোপান্ত

ঈমান আনায়নের পর প্রথম কাজ মুসলমানদের ভূমি রক্ষা

জামায়াতে ইসলামীর শালী তালাক

দেশের জন্য সব হারানো বেগম খালেদা জিয়ার সফল সংগ্রামী জীবন

জয়বাংলা একটি পাকিস্তানি হাইব্রিড স্লোগান

প্রকৃত বুদ্ধিজীবি হত্যাকারী নিজামী নয় আওয়ামিলীগ, তাদের বিচার চাই