"ফিলিস্তিনিদের রক্তের বিনিময়ে সৌদি রাজ পরিবারের ক্ষমতা রক্ষার দলিল"
![]() |
| এই সেই দলিল। |
আমি বার বার বলে আসছিলাম যে সৌদি টাজ পরিবার কেনো মুসলিম পরিবার না, এরা ইহুদিদের দালাল, মোনাফিক ও ক্ষমতার জন্য মুসলমানদের জবাই করতে দ্বিধা বোধ করে না, ফিলিস্তিনের আজ রক্ত ঝরার পেছনে সৌদি রাজারাই দায়ী। কেউ আমার কথা বিশ্বাস করত না। আজ আমি ব্রিটিশ মিউজিয়াম হতে সংগ্রহ করা কত গুলো দলিল পেশ করবো, দেখি কে আছে এগুলো অস্বীকার করে, কার বাবার ক্ষমতা আছে।
এই ঐতিহাসিক দূর্লভ দলিলটি সবাই শেয়ার করার অনুরোধ রইলো। এটা সকল মুসলমানের ইমানী দ্বায়িত্ব বলে মনে করি।
৩রা নভেম্বর ২০১১ ইং ব্রিটেন হতে প্রকাশিত ইসলাম টাইমস নাক একটি পত্রিকায় এই প্রতিবেদনটি ছাপা হয়, পরে এই প্রতিবেদন ছাপার কারণে সৌদি সরকারের অনুরোধে ২০১২ ইং এই পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিল করে তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার। আমি পত্রিকাটির প্রতিবেদন হুবহু তুলে ধরলাম অনুবাদ করে। কেউ যদি চ্যালেঞ্জ করতে চান আমার দলিল গুলো ফ্যাক্ট চেক করে দেখতে পারেন।
ফিলিস্তিন নিয়ে যুক্তরাজ্যকে আশ্বস্ত করেছেন সৌদি রাজতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা
পেপারের স্টোরি কোড: ১১৪৪৭
ইসলাম টাইমস - একটি প্রাচীন নথি প্রকাশ করেছে যে কীভাবে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান আবদুল আজিজ ব্রিটেনকে ফিলিস্তিনের ভূমিতে একটি ইহুদি রাষ্ট্র গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, একটি সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
ইসলাম টাইমস: নথিটি, যুক্তরাজ্যের প্রতি প্রথম সৌদি বাদশাহর গভীর প্রতিশ্রুতি এবং ইহুদিদের ফিলিস্তিন দেওয়ার জন্য ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের প্রতি তার অঙ্গীকারকে তুলে ধরে।
তৎকালীন ব্রিটিশ প্রতিনিধি মেজর জেনারেল স্যার পার্সি জাকারিয়া কক্সকে নোটিশ হিসাবে লেখা বিতর্কিত নথিটি ফিলিস্তিনি জাতির প্রতি সৌদি রাজপরিবারের বৈরী ও ঘৃন্য মনোভাবের আরেকটি প্রমাণ।দলিলে সৌদি বাদশা লিখেন, "আমি সুলতান আবদুল আজিজ বিন আবদুল রহমান আল সৌদ আল-ফয়সাল এবং আমি গ্রেট ব্রিটেনের প্রতিনিধি স্যার পার্সি কক্সের কাছে হাজার বার বিটেনের বশ্যতা স্বীকার করেছি এবং স্বীকার করছি যে, দরিদ্র ইহুদিদের ফিলিস্তিনের ভূমি প্রদান করিতে আমার কোনো আপত্তি নেই এবং কখনো আপত্তি করবেও না। ইহুদিরা এবং আমি(বাদশা আব্দুল আজিজ) কখনই তাদের [যুক্তরাজ্যের] আদেশ লঙ্ঘন করব না,”।
বাদশাহ আবদুল আজিজ স্বাক্ষরিত নোটটি পড়ুন। নোটটি যুক্তরাজ্য সরকারের প্রতি সৌদি রাজপরিবারের বিশ্বস্ততার পরিমাণও প্রকাশ করে।
১৯৩০-এর দশকে ব্রিটেন সৌদি আরবকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছিল, কারণ এটি লোহিত সাগর জুড়ে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে ছোট সমুদ্রপথ এবং পূর্বে সংক্ষিপ্ত তম বিমান পথ বরাবর অবস্থিত ছিল। সৌদি আরব ট্রান্সজর্ডান হয়ে ইরাক ও ফিলিস্তিনের মধ্যে প্রধান ব্রিটিশ মোটর রুট এবং তেল পাইপলাইনের কাছাকাছি ছিল। আল সৌদ পরিবারের শাসন ব্রিটেনের জন্য সৌদি আরবের গুরুত্বকেও যুক্ত করেছে, কারণ যুক্তরাজ্য বিশ্বাস করেছিল ইবনে-ই সৌদ রাজারা আরব দেশগুলিতে ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলতে পারে।
ইসলাম টাইমস, ০৩ নভেম্বর ২০১১, গল্প-১১১৪৪৭।





কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ