4547715 ডা.বশির আহাম্মদ: মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম শাসকদের মুনাফেকিই ফিলিস্তিনের পরাধীনতার কারন > expr:class='"loading" + data:blog.mobileClass'>

Wikipedia

সার্চ ফলাফল

বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৪

মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম শাসকদের মুনাফেকিই ফিলিস্তিনের পরাধীনতার কারন

 "মধ্য প্রাচ্যের মুসলিম দেশ গুলোর মুনাফেকি আর ব্রিটিশ ক্রুসেডারদের চাল, হুদিদের ফিলিস্তিন দখল"



অনেক দিন পর আমার নিজস্ব বিষয় আন্তর্জাতিক মুসলিম বিশ্ব ও মিসলিম বিরোধী ষড়যন্ত্র তত্ত্ব নিয়ে লেখতে পারলাম,আলহামদুলিল্লাহ। 


আব্দুল ওহাব নযদিকে ব্রিটিশরা কমনওয়েলথ সামরিক গুয়েন্দা কর্তৃক তৈরী করে মুসলমানদের সংস্কারক রুপে, আদতে এই আ:ওহাব নযদি জেনে ও না জেনে ব্রিটিশ ও জায়োনিস্টদের স্বার্থেই কাজ করেছে[যারা এই বিষয়ে সন্দেহ পোষন করেন তারা দয়া করে হ্যামফারের ডায়েরি নামক বইটি পড়ার বিনয় অনুরোধ রইলো, তার পর ৃন্তব্য করবেন]। একদিকে বলশেভিক আন্দোলনে ই*হু*দি রাষ্ট্র ঘোষনা আর অন্য দিকে আব্দুল ওহাব নযদি ও ব্রিটিশ সামরিক কমান্ডার মি:কক্স এর উপস্থিিতিতে ক্রুসেডার খ্রিস্টান ইংরেজদের সাথে ফিলিস্তিন ই*হু*দিদের দেওয়ার বিনিময়ে সৌদি রাজ পরিবারের চিরকাল সৌদিআরবের ক্ষমতায় থাকার সহযোগীতার গোপন চুক্তি ১৯৪৭ এর বহু আগেই শুরু হয়েছিলো।


সৌদি রাজ পরিবারের গোপন সহযোগীতায় বৃটিশরা ইহুদিদের জন্য একদিকে ফিলিস্তিনের দরজা খুলে দেয়, অন্যদিকে বৃটিশ বাহিনীর সহযোগিতায় ইহুদি সন্ত্রাসীরা পুরোদমে সামরিক প্রস্তুতিও নিতে শুরু করে। গোপনে প্রস্তুত হয়। অনেকগুলো প্রশিক্ষিত সন্ত্রাসী সংগঠন। এর মধ্যে তিনটি প্রধান সংগঠন হল- 'হাগানাহ, ইরগুন ও স্ট্যার্ন গ্যাং।' হত্যা, সন্ত্রাস, ধর্ষণ এবং ধ্বংসযজ্ঞ সৃষ্টির মাধ্যমে নিরীহ ফিলিস্তিনিদের নিজ আবাসভূমি থেকে উচ্ছেদ করতে থাকে এই সন্ত্রাসী গ্রুপগুলো। জায়নবাদী সন্ত্রাসীদের গণহত্যার কথা আন্তর্জাতিকভাবে প্রচারিত হলে পরিস্থিতি নিজেদের অনুকূলে আনার জন্য ইহুদিদের গুপ্তসংগঠন 'হাগানাহ' বেছে নেয় আত্মহননের পথ। ১৯৪০ সালে হাইফা বন্দরে এসএস প্যাটুয়া নামের একটি জাহাজকে উড়িয়ে দিয়ে ২৭৬ জন ইহুদিকে হত্যা করে হাগানাহ। ১৯৪২ সালে আরেকটি জাহাজ ধ্বংস করে ৭৬৯ জন ইহুদিকে একই কায়দায় হত্যা করে সন্ত্রাসী গ্যাংটি। উভয় জাহাজে ইহুদিরা ফিলিস্তিনে আসছিল। বৃটিশরা সামরিক কৌশলগত কারণে জাহাজ দুটিকে ফিলিস্তিনের বন্দরে ভিড়তে দিচ্ছিল না। হাগানাহ নিজ জাতির লোকদের হত্যা করে বিশ্বজনমত পক্ষে আনার চেষ্টা চালায়। এর সঙ্গে ইহুদি বসতি নির্মাণ ও মুসলিমদেরকে ভিটে-মাটি থেকে উচ্ছেদকরণও চলতে থাকে সমানতালে। ফলে অল্পসময়ে ২০ হাজার থেকে বহিরাগত ইহুদির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৫ লাখ ৪০ হাজারে।


১৯৪৭ সালের ২৯ নভেম্বর ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষে ইঙ্গ-মার্কিন চাপে জাতিসংঘে ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়। ৩৩টি রাষ্ট্র পক্ষে, ১৩টি বিরুদ্ধে এবং ১০টি ভোট দানে বিরত থাকে। প্রস্তাব অনুযায়ী মোট জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ হয়েও ইহুদিরা পায় ভূমির ৫৭%, ফিলিস্তিনিরা পায় ৪৩%। প্রস্তাবিত ইহুদি রাষ্ট্রের উত্তর পশ্চিম সীমানা অনির্ধারিত রাখা হয়। যাতে ভবিষ্যতে ইহুদিরা সীমানা বাড়াতে পারে।


১৯৪৮ সালের ১৪ মে বৃটিশ সরকার ফিলিস্তিনে দখলদারিত্বের অবসান ঘটিয়ে সৈন্যদের বের করে নিলে সেদিনই তেলআবিব শহরে ইহুদি জাতীয় পরিষদ গঠিত হয় এবং ইসরাঈল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয়া হয়। পূর্ব যোগাযোগ অনুসারে মাত্র ১০ মিনিটের ব্যবধানে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হেনরি ট্রুম্যান নয়া ইসরাঈল রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়। এরপর স্বীকৃতি দেয় বৃটিশ ও সোভিয়েত রাশিয়া। বৃটিশরা ফিলিস্তিন ত্যাগ করার প্রাক্কালে তাদের যাবতীয় অস্ত্র-শস্ত্র ও আনুষাঙ্গিক অবকাঠামো ইহুদি জায়নবাদিদের হাতে তুলে দিয়ে যায়। ফলে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইহুদিদের আগ্রাসন ঠেকানোর যাবতীয় প্রচেষ্টা নিষ্ফল হয়ে পড়ে।


১৯৪৮ সালের যুদ্ধে দশ লাখের অধিক ফিলিস্তিনি মুসলমান বাস্তুহারা হয়। এ সময় জাতিসংঘ ফিলিস্তিনকে আরব ও ইহুদি অঞ্চলে ভাগ করে জেরুসালেম আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণে নিলে ইসরাঈল এ পরিকল্পনা মানতে অস্বীকৃতি জানায়।


১৯৬৪ সালের ২৮ মে আল-কুদস শহরে ফিলিস্তিনি কংগ্রেস বসে। এই কংগ্রেসে ফিলিস্তিন মুক্তিসংস্থা প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয়া হয়। গঠিত হয় ফিলিস্তিন মুক্তিবাহিনী ‘পিএলও’। পরবর্তীতে ইয়াসির আরাফাতের আল-ফাতাহ ‘পিএও-ই’ যোগ দিলে এটি হয়ে উঠে তার সামরিক বাহিনী।


১৯৭৩ সালের অক্টোবর মাসে মিসরের সামরিক বাহিনী অতর্কিত সুয়েজ খাল অতিক্রম করে অলঙ্ঘনীয় বলে খ্যাত ইসরাঈলের বারলেভ প্রতিরক্ষা লাইন ভেঙে ফেলে এবং সিনাই মরুভূমি ও দখলকৃত ইসরাঈলি ভূখণ্ডে ঢুকে পড়ে। পূর্বদিক থেকে একই সময় সিরিয় বিমানবাহিনী ইসরাঈলের উপর হামলা চালায়। যুদ্ধের প্রথম কয়েকদিনে ইহুদিবাদের শত শত জঙ্গিবিমান ও সাঁজোয়া যান ধ্বংস হয়। নিহত হয় কয়েক হাজার ইসরাঈলি। শূণ্যে মিলিয়ে যায় ইসরাঈলের অপরাজেয় হওয়ার রূপকথা। যুদ্ধের পরবর্তী দিনগুলোতে ক্রুসেডার যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমাদের দ্রুত সামরিক সহায়তা ও সরাসরি অংশগ্রহণ এবং সিরিয় সেনাবাহিনীর বিশ্বাসঘাতকতায় যুদ্ধের গতি ইহুদিদের পক্ষে মোড় নেয়। অন্যান্য আরব দেশ এই যুদ্ধে সক্রিয় ভূমিকা না রাখায় মিসর নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ে। ইসরাঈলি সামরিক বাহিনি হেলিবোর্ডের মাধ্যমে সুয়েজ খালের পশ্চিমে মিসরের অভ্যন্তরের একটি ছোট্ট এলাকায় সৈন্য নামিয়ে তা অবরোধ করতে সক্ষম হয়। অবশেষে ক্রুসেডার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় কায়রো থেকে ৬০১ কিলোমিটার দূরত্বে যুদ্ধাবসানের জন্য আলোচনা শুরু হয় এবং সন্ধি চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে এ যুদ্ধের অবসান ঘটে।


রমজানের যুদ্ধ ফিলিস্তিনে ইহুদিবাদীদের দখলদারী প্রতিষ্ঠার পর সবচেয়ে বড় যুদ্ধ। দুই পক্ষের সমরাস্ত্র, লজিস্টিক ও ক্ষয়-ক্ষতি থেকে এর আন্দাজ করা হয়। ১৯ দিন ব্যাপী স্থায়ী এ যুদ্ধে তিন হাজারের অধিক ইহুদি সন্ত্রাসী নিহত হয়। আহত হয় ৯ হাজারের মতো। জায়নবাদীদের প্রায় ১০৬৩টি ট্যাঙ্ক, ৪০৭টি সাঁজোয়া, ৩৮৭টি জঙ্গিবিমান ও এয়ারক্রাফট ধ্বংস হয়। ভিন্ন দিকে মিসর, সিরিয়া ও ইরাকের নিহত সৈন্যের সংখ্যা প্রায় ৮ হাজার। ৩৪১টি এয়ারক্রাফট ও ১৯টি নেভাল ভ্যাসেলসহ ধ্বংস হয় ২২৫০টি ট্যাঙ্ক। সমরশক্তির দিক থেকে শুধু মিসরই ইসরাঈল থেকে প্রায় দুই গুণ ছিল। সিরিয়া ও অন্যান্য আরব দেশের হিশেব করলে জায়নবাদীদের সঙ্গে তাদের সামরিক সক্ষমতার অনুপাত দাঁড়ায় ৩:১। [৭] ইন্তেফাদা; বিপ্লবের নয়া তরিকা। সাইয়্যেদ জামালুদ্দীন আফগানির প্রচেষ্টায় মুসলিম দেশগুলোতে যে জাগরণ আন্দোলনের সৃষ্টি হয় তা মিসরে মুহাম্মাদ আবদুহু ও সাইয়্যেদ কুতুবের মাধ্যমে নতুনত্ব লাভ করে। এই জাগরণ আন্দোলনের পরোক্ষ ফলাফল আল্লামা ইকবালের মতো


মনীষীদের মাধ্যমে পাক-ভারতে ইংরেজ বিরোধী আন্দোলন, আলজেরিয়াতে ১৯৬২ সালের বিপ্লব প্রভৃতি।


মুসলিম বিশ্বের আত্মমর্যাদাহীন সরকারগুলো মুসলমানদেরকেই স্বৈরাচার বিরোধী রাজনৈতিক সংগ্রামে আত্মনিয়োগ ও ইসলামি জাগরণের তাত্ত্বিক দিকটিকে ম্লান করে দেখতে বাধ্য করেছিল। মধ্যপ্রাচ্যে 'আরব জাতীয়তাবাদ'কে ব্যাপক পৃষ্ঠপোষকতা দেয়া হচ্ছিল, যার প্রধান চিন্তক ছিল খ্রিষ্ট-ধর্মাবলম্বী মাইকেল আফলাক (সিরিয়া ও ইরাকের বার্থ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা এবং সাদ্দাম ও হাফেজ আসাদের তাত্ত্বিক গুরু)। 

সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে প্রাচ্যরক ও প্রগতিশীল দেশগুলো বাহ্যত ফিলিস্তিনি গেরিলা গ্রুপগুলোর পৃষ্ঠপোষক ছিল। এসব পৃষ্ঠপোষকতার কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্বার্থের দ্বন্দ্ব ও প্রতিযোগিতা। এই দেশগুলোর কোনো একটিও ইসরাঈলের অস্তিত্ব বিরোধী ছিল না।


জায়নবাদীদেরকে তারা বরং বিভিন্নভাবে সাহায্য-সহায়তা দিয়েছে। ১৯৮৭ সালের এপ্রিল মাসে আম্মানে অনুষ্ঠিত আরব শীর্ষ সম্মেলনে জায়নবাদী ইহুদিদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের নূন্যতম নীতি অবস্থানও গ্রহণ করা হ্যানি। সম্মেলনের সব মনোযোগ নিবন্ধ ছিল ইরান ইরাকের যুদ্ধের দিকে এবং সামগ্রিকভাবে এ সম্মেলন ক্যাম্প ডেভিড লাইন ধরে এগিয়ে যায়। এদিকে ফিলিস্তিনি জাতি বছরের পর বছর অপেক্ষা করছিল আরবজগত তাদেরকে বাস্তুহারা অবস্থা থেকে নাজাত দেবে। বিশেষত অধিকৃত ফিলিস্তিনে বসবাসরত ফিলিস্তিনি জনগণ তাকিয়ে ছিল আরব সরকারগুলোর দিকে। কিন্তু সয়ং সৌদি রাজপরিবারইতো ই*হু*দি ও ক্রুসেডারদের চর।


ফিলিস্তিনের মজলুম জাতি তাদের গেরিলা গ্রুপগুলোর ভোগ-বিলাস, বিভেদ, অনৈক্য ও দলাদলির পরিপ্রেক্ষিতে এবং ফিলিস্তিনি জনতার দুর্দশাগ্রস্ত অবস্থার প্রতি আরব সরকারগুলোর প্রকাশ্য উদাসীনতা ও অবহেলা প্রত্যক্ষ করে আরব জাতীয়তাবাদী চিন্তা-দর্শনের কার্যকারিতা এবং সরকারগুলোর পৃষ্ঠপোষকতা ও সমর্থন সম্পর্কে আরেকবার সব আশা-ভরসার অবসান ঘটায়। ১৯৮৭ সালের হেমন্তে অধিকৃত ফিলিস্তিনের সাধারণ জনতা ইসরাঈলের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানের সূচনা ঘটায়, যার নাম দেয়া হয় ইন্তিফাদা। ইন্তিফাদার অর্থ আন্দোলন করা, নাড়া দেয়া"। ইস্তিফাদার পূর্বপর্যন্ত তামাম আন্দোলন ও অভ্যুত্থান ছিল বিশেষ কোনো দল বা গোষ্ঠীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। যেমন 'ফাতাহ আন্দোলন'। এটি ১৯৮৩ সালের মে মাসে আরাফাতের নেতৃত্বাধীন আল-ফাতাহ থেকে আলাদা হয়ে যায়। কিন্তু এবার (১৯৮৭) এই ইন্তিফাদার আগে বা পরে কোনো বিশেষণ যুক্ত হয়নি। এই ইন্তিফাদা মূলত গণপ্রতিবাদ বা গণঅভ্যুত্থান। ফিলিস্তিনে জায়নবাদীদের দখলদারীর প্রতিবাদে সংঘটিত এই ইন্তিফাদার লক্ষ্য উদ্দেশ্য ছিল-


ক. বিস্মৃতির আস্তাকুঁড় থেকে ফিলিস্তিন ইস্যুকে বের করা।


খ. বিশ্ব জনমতের দৃষ্টি আকর্ষণ।


গ. এ অঞ্চলে ইসলামি আন্দোলনের উত্তাল তরঙ্গের সঙ্গে ইন্ডিফাদাকে সমন্বিত করা, যা


ইন্তিফাদার চেহারার সবিশেষ রূপ দান করে।


ঘ. ফিলিস্তিন সমস্যা সমাধানকে জরুরী পরিকল্পনা হিসেবে উপস্থাপন।


ঙ. ফিলিস্তিন ইস্যুর সঙ্গে পশ্চিম ইউরোপকে ঘনিষ্ঠ করা।


চ. আমেরিকা ও ইহুদিদের মনে ইসরাঈলের রাজনৈতিক শুদ্ধতা সম্পর্কে সন্দেহ-সংশয় সৃষ্টি করা

ছ. জায়নবাদীদের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাকে হুমকিযুক্ত করা।


জ. ফিলিস্তিনি গেরিলা দলগুলোর অভ্যন্তরীন কোন্দল ও মতভেদকে ম্লান করে আরব সরকার ও আন্তর্জাতিক সমাজকে জনমতের অনুসারী করা, যারা এতোদিন নিজ নিজ স্বার্থে ফিলিস্তিন ইস্যুকে ব্যবহার করে আসছিল।


জবরদখল ও জায়নবাদীদের সরকার প্রতিষ্ঠার চল্লিশ বছরেরও বেশি সময় পর ইন্তিফাদার ফলে প্রথমবারের মতো ফিলিস্তিনি জনগণ আক্রমণাত্মক অবস্থানে এবং ইসরাঈলিরা আত্মরক্ষামূলক ভূমিকায় যেতে বাধ্য হয়।


লেখক:চিকিৎসক, জার্নালিস্ট ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কর্মী।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ

বাউল নামের ফাউল আর আইয়্যেমে জাহেলিয়াতের কবিদের পরিত্যাজ্য

  ইদানীং বাউলদের ফাউল আচরন আর সৃষ্টি কর্তার সাথে বেয়াদবীর সীমা অতিক্রম করেছে। আগের যুগে আইয়্যেমে জাহেলিয়াতের কবিরা যেরকম আচরন করত সেরকম আচরন...