পোস্টগুলি

যে সকল মৌলিক পরিভাষা না বুঝার কারনে কথিত আহলে হাদিসের লোকেরা পথভ্রষ্ট হয়েছে

ছবি
  "যে সকল মৌলিক পরিভাষা না বুঝার কারনে কথিত আহলে হাদিসের শায়েখরা একই বিষয়ে একেক শায়েখ একই বিষয়ে একেক রকম ফতোয়া দেয় এবং বাংলা শিক্ষিত মুসলমানরা সহজেই এদের ধোঁকায় পড়ে" পথভ্রষ্ট আহলে হাদিস  ১৮৮২ সালে দিল্লির হাইকোর্ট হতে ব্রিটিশ সরকারের দালালির পুরস্কার সরূপ লা-মাঝহাবি, গাইরে মুকাল্লিদ, ওহাবীরা নিজেদের কথিত আহলে হাদিস নাম ধারন করার পর হতেই ভারতীয় উপমহাদেশে তাদের গুরু ব্রিটিশদের প্রেসক্রিপশন মত ইসলামের ১৪০০ ধরে চলে আসা প্রতিষ্ঠিত কিছু বিষয় নিয়ে খমোখা বিতর্ক সৃষ্টি করে নিজেদের সহীহ আকিদার দাবীদার দাবী করে আসছে এবং দুনিয়ার বাকী সকল মুসলমানদের মুশরিক, বেদা'তি ও ইহুদি বলে নিয়মিত গালি দিয়ে আসছে। এই বিষয় গুলো না জানার কারনে এরা সুকৌশলে বাংলা শিক্ষিত প্র্যাক্টিসিং মুসলমানদের বিভিন্ন বিষয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করে তাদের ইমান নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি করে নিজেদের দলে ভেড়াচ্ছে এবং মুসলমানদের মধ্যে বিভিন্ন দল-উপদল সৃষ্টি করছে।যেসকল  মৌলিক বিষয় না জানার  কারনে মুসলমানরা এই ব্রিটিশ ফেরকার খপ্পরে সহজেই পড়ছে সেগুলো নিয়ে আজকের দীর্ঘ আলোচনা। এই মৈলিক বিষয় গুলো নাজানার কারণে কথিত আহলে হাদিসের শায়েখরাই ...

ইসলামি আন্দোলন তথা ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার কর্মীদের উপর নির্যাতনের ফলাফল সম্পর্কে আল্লাহর কঠিন হুশিয়ারী

ছবি
  " ইসলামি আন্দোলন তথা ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার কর্মীদের উপর নির্যাতনের ফলাফল সম্পর্কে  আল্লাহর কঠিন হুশিয়ারী " ইসলামী আন্দোলনের কর্মী আল কোরআনে আল্লাহ তা'লা ইসলামি আন্দোলনের কর্মী তথা ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় জড়িতদের হত্যা ও নির্যাতনের বিষয়ে কঠিন হুঁশিয়ারি প্রদান করেছেন। প্রিয় পঠক গন, আপনারা হয়ত জানেন কেয়ামত পর্যন্ত একদল মানুষ ইসলাম প্রতিষ্ঠায় তথা ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করে যাবে। এটা চিরন্তন সত্য। হযরত আদম(আ:) থেকে শুরু করে সর্বশেষ নবী সরদারে দু আ'লম হযরত মুহাম্মদ (সা:) পর্যন্ত সবাই সত্য,ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা করে গেছে। খতমে নবুয়ত এর কারনে এখন আর নবী-রাসুল দুনিয়াতে আসবে না। হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর পরবর্তী উম্মতরা এই কাজ চালিয়ে যাবে। এই ইনসাফ প্রতিষ্ঠার কাজে সকল নবী রাসূলরাই তাদের জান- মাল দিয়ে প্রচেষ্টা করে গেছেন। এ কাজ করতে গিয়ে সকল নবী রাসুলরাই বাঁধা, বিপত্তি ও নির্যাতনের সম্মুখীন হয়েছে। ইতিহাস দেখলে জানা যায় অনেক নবীকে বাতিল শক্তিরা হত্যা পর্যন্ত করেছে। এবং এই ধারা এখনও চলমান। আমাদের সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মদ সা: এর বেলায় এবং তাঁর সাহাবাগন, খো...

ওহাবিদের জান্নাতুল বাকী ধ্বংসের ইতিহাস

ছবি
  " ওহাবীদের কর্তৃক জান্নাতুল বাকী ধ্বংশের ইতিহাস" জান্নাতুল বাকী  জান্নাতুল বাকি , বর্তমান  সৌদি আরবের   মদিনায়  অবস্থিত প্রাচীনতম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি ইসলামী কবরস্থানের মধ্যে একটি,   যা ১৮০৬ সালে ভেঙে ফেলা হয়েছি ]  এবং ১৯ শতকের মাঝামাঝিতে পুনর্নির্মাণের পরে, ১৯২৫ বা ১৯২৬ সালে আবার ধ্বংস করা হয়েছিল। ]   আল সৌদের  একটি জোট এবং  দিরিয়া আমিরাত  নামে পরিচিত  ওয়াহাবি আন্দোলনের  অনুসারীরা প্রথম ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।  নজদ সালতানাত , আল সৌদ দ্বারা শাসিত এবং ওয়াহাবি আন্দোলনের অনুসারীরা দ্বিতীয় ধ্বংসযজ্ঞ পরিচালনা করেছিল। উভয় ক্ষেত্রেই, ধ্বংসযজ্ঞ যারা চালিয়েছিল তারা  ইসলামের  ওয়াহাবি ব্যাখ্যা দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিল, যা কবরের উপর স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ নিষিদ্ধের নামে তা করেছিলো যদিও জান্নাতুল বাকী সাহাবেদের যুগ হতেই ছিলো। পটভুমি: বাকি আল-গারকাদ  ( আরবি :  بقیع الغرقد , "the field of thorny trees"), যা  জান্নাত আল-বাকি  ( আরবি :  جنة البقیع , "garden of tree stumps") নামেও পরিচিত...

উপমহাদেশে হিন্দু ধর্মের ভীতিকর ইতিহাস ও ভারতীয় সম্রাজ্যবাদের অজানা ইতিহাস (এই প্রতিবেদন প্রকাশের কারনে অনেক কিছু হারাতে হয়েছে আমার)

ছবি
উপমহাদেশে হিন্দু ধর্মের ভীতিকর ইতিহাস ও ভারতীয় সম্রাজ্যবাদের অজানা ইতিহাস    ভারতীয় অধিবাসীদের মধ্যে অতীতে উপনিষদ, জৈন, বৌদ্ধ এবং অন্যান্য দর্শন বিকশিত হচ্ছিল। তাদেরকে, পরবর্তীতে আর্যদের কর্তৃত্বকে গ্রহন করার জন্য নিজেদের প্রাচীন প্রথা সমূহ বিসর্জন দিয়ে বৈদিক সামাজিক শ্রেণী প্রথা গ্রহন করতে বাধ্য করা হয়। প্রাচীন ভারতীয় সমাজ জৈন ধর্ম, বৌদ্ধ ধর্ম, শৈবধর্ম, নাথিজম (শৈব ধর্মের সাথে তন্ত্রের সংযোগ) এবং নাস্তিক্যবাদ (পুনর্জন্মে এবং নিয়তিতে বিশ্বাসী) ইত্যাদি ধর্ম বিশ্বাস সমূহ অ-বৈদিক, অনার্য অথবা ব্রত্য সমাজের অন্তর্ভুক্ত। ব্রত্য ধর্ম সমূহ মানুষের ব্যক্তিগত যোগ্যতা, পছন্দ বা আগ্রহের ভিত্তিতে ব্রাহ্মন, ক্ষত্রীয়, বৈশ্য, এবং শূদ্র সমূহের মত বিভিন্ন সামাজিক শ্রেণীতে বিন্যস্ত ছিল। তবে, ব্রত্য সমাজে উত্তরাধিকার ভিত্তিতে অথবা ব্যাক্তি বিশেষের জন্মগত বা পারিবারিক অধিকার সুলভ “শ্রেণী বিন্যাস” স্বীকৃত ছিলনা। এই সমাজ শুধু কোন ব্যক্তির নিজস্ব যোগ্যতাতে বিশ্বাস করতো, কারও সন্তান বা উত্তরসূরি হিসাবে নয়। প্রকারান্তরে, ব্রত্য সমাজ ছিল শ্রেণীহীন সমাজেরই অন্যরূপ এবং ব্রাম্মন্যবাদী সমাজের তুলনায় প্রগতি...