পোস্টগুলি

মাদখালিদের বিচ্যুতি ও বিদা

ছবি
  মাদখালিদের বিচ্যুতি ও বিদা' ভুলভাবে একাধিক ধর্মনিরপেক্ষ শাসককে একক খিলাফত হিসাবে একই শরী' অধিকারের অধীনে রাখা। "মাদখালি" শব্দটি এসেছে শায়খ রাবী ইবনে হাদি আল-মাদখালির মতামত থেকে, যিনি একজন সৌদি পণ্ডিত যিনি মুসলমানদের বিষয়ে (তাদের দলটির সশস্ত্র বাহিনী ব্যবহার করে) ক্ষমতা অধিষ্ঠিত করার সময় যারা নিজেদেরকে মুসলিম হিসাবে পরিচয় দেয় তাদের কঠোর আনুগত্য প্রচার করেছিলেন - আরও বিশেষ করে, আরবের মুসলমানদের উপর সৌদি গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণ। রাবীই প্রথম বা একমাত্র পণ্ডিত ছিলেন না যিনি এই ধরনের যুক্তি দেন, কিন্তু যারা 'শাসক' উপাধি গ্রহণ করেন তাদের আনুগত্যের জন্য একজন উল্লেখযোগ্য উকিল হয়ে ওঠেন - এবং পূর্বে শোনা যায় না এমন মতবাদ চালু করেছিলেন: মুসলিম জামাতের একাধিক শাসক থাকতে পারে, এবং এমনকি এই শাসকরা (ধর্মনিরপেক্ষ) কুফর আইন প্রণয়ন করলেও তারা এখনও মুসলিম এবং বৈধ, এবং জনসমক্ষে শাসকের খারাপ কর্মের (বা কুফর আইন) নিন্দা করা নিষিদ্ধ। মাদখালিদের বিচ্যুতি ও ‘বিদা’কে এইভাবে সংক্ষেপে বলা যেতে পারে, মাদখালি: মুসলমানদের দাবি একাধিক শাসককে মেনে নেওয়া দাবি করুন যে মুসলমানরা প্রকাশ্যে এ...

শেখ মুজিবের অপশাসন

ছবি
  >বাংলাদেশের প্রথম স্বৈরশাসক শেখ  মুজিবের  ১৯৭২-৭৫   অপশাসনে পুর্ণাঙ্গ চিত্র     অস্ট্রেলিয়ার সাংবাদিক জন পিলজার একটা মেয়ের আঙুল ধরলেন। মানুষ তো জন্মের পর বড় হয়, তার মনে হলো, এই মেয়েটা জন্মের পর বড় হয়নি। বরং দিন দিন আরো ছোট হতে হতে মায়ের পেটের সাইজে ফিরে গেছে। হাজার হাজার মহিলা অর্ধনগ্ন। বাংলাদেশের মতো কনজার্ভেটিভ একটা দেশে মেয়েদের গায়ের পোশাক কই? শুনলেন, এসব মানুষ খাবার কিনে খাওয়ার জন্য নিজের গায়ের কাপড় পর্যন্ত বিক্রি করে দিয়েছে। আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের কর্মীরা ব্যস্ততার ঠেলায় চোখে দেখছেন না। আগে যেখানে কয়েকটা লাশ তাদের কুড়াতে হতো, এখন কুড়াতে হচ্ছে ৬০০। সবটাই অনাহারে মৃত্যু। গায়ের কাপড় বিক্রি করে খাবার কিনে খেয়েছিলেন বাসন্তী। এরপর জাল দিয়ে জড়িয়ে নিজের লজ্জা নিবারণের চেষ্টা করলেন। সেই ছবি প্রকাশ হলো দৈনিক ইত্তেফাকে। মানুষ ঘাস খেতে শুরু করলো। কবি রফিক আজাদ লিখলেন, ভাত দে হারামজাদা নইলে মানচিত্র খাবো। যতটুকু যা সাহায্য আসতো, সব লুট করে ফেলতো আওয়ামীলীগের লোকজন। ফলাফল হলো, কোন দেশ সাহায্যও করতে চাইতো না আর। মুজিব এসময় ঢং করে সবাই ...