পোস্টগুলি

কওমী ও দেওবন্ধীদের পথ ভ্রষ্টতা,(অপারেশন ব্ল্যাক নাইফ)

ছবি
 " কওমী ও দেওবন্ধীদের পথ ভ্রষ্টতা,(অপারেশন ব্ল্যাক নাইফ) কওমী-দেওবন্ধীদের পথ ভ্রষ্টতা  আজ আপনাদের দেখাব কওমী ও দেওবন্ধীদের কোন পথ ভ্রষ্টতার কারনে, কিভাবে আজও ভারতের মুসলমানরা এত নির্যাতিত হচ্ছে। ১। ভারত বর্ষের স্বাধীনতার পূর্বক্ষনে যখন মুসলিম নেতারা দেখল যে ভারতীয় কংগ্রেসের নিকট মুসলমানদের স্বার্থ ক্ষুন্ন হচ্ছে এবং হিন্দুরা আমাদের বোকা বানাচ্ছে তখন সকল মুসলমান স্কলার মুসলিম লীগ গঠন করে এবং মুসলমানদের জন্য আলাদা রাষ্ট্র দাবী করে পাকিস্তান আন্দোলন শুরু করে। যদিও প্রথমেই অনেক আলেম পাকিস্তানের বর্তমান অবস্থা অনুমান করতে পেরেছিল আর তাই পাকিস্তান রাষ্ট্রের বিরোধীতা করেছিল কিন্তু পরবর্তীতে বৃহৎ স্বার্থের কথা ভেবে মুটামুটি সকল আলেম (একমাত্র দেওবন্দ বাদে) আপাতত পাকিস্তান আন্দোলনের পক্ষে অবস্থান নেন কিন্তু দেওবন্দ আলেমরা মুসলিম লীগে যোগদান না করে গান্ধী জী, বল্লভ ভাই পাতিল প্রমুখদের সাথে হিন্দু নেতৃত্বের জোট কংগ্রেসে যোগদান করে অখন্ড ভারত মাতার আন্দোলনে কাজ শুরু করে। ২। বরং তৎকালে যেসকল মুসলিম নেতারা পাকিস্তান আন্দোলনের পক্ষে কথা বলত তাদেরকে মানুষের নিকট বিভিন্ন ফতোয়া বানে জর্জরিত করে ম...

বাংলাদেশের ইসলাম ও আলেম সমাজ

ছবি
  বাংলাদেশের ইসলাম ও আলেম সমাজ ইসলাম ও আলেম সমাজ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যদি আপনি কাউকে জিজ্ঞেস করেন, আলেম কাকে বলে? শতকরা ৯৯ জন উত্তর দিবেন, আলেম মানে তো হুজুর,মাদরাসায় পড়ুয়া, মাথায় বড় পাগড়ী,লম্বা কোর্তা ওয়ালারাই আলেম! বলা বাহুল্য উত্তরটি নিঃসন্দেহে ভুল! মাদ্রাসায় পড়লেন, দাঁড়ি টুপি পড়লেই কেউ আলেম হয়ে যান না। আলেম মানে হচ্ছে জ্ঞানী। যিনি কোন বিষয়ে সঠিক ও সুক্ষ জ্ঞান ধারন করেন তিনিই আলেম। তবে শব্দিক অর্থ দিয়ে আলেমের পরিচয় সম্ভব না, পারিভাষিক অর্থ দ্বারা আলেমের পরিচয় পাওয়া যায়। আলেম হবার জন্য কারো মাদ্রাসায় পড়া জরুরী নয়। ধার্মিক প্রেক্ষাপটে বিশেষ করে ইসলামি প্রেক্ষাপটে যে ব্যক্তি কোরআন, হাদীস, ইজমা,কিয়াস ও অন্যান্য বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে সক্ষম হবেন এবং যিনি পরিবর্তিত সমাজ ব্যবস্থার সাথে প্রচলিত দ্বীনের সঠিক সমন্বয় ঘটানোর ব্যাপারে নিজ অবস্থানকে যৌক্তিকভাবে প্রমান করতে পারবেন, তিনিই একজন ধর্মীয় আলেম।বর্তমানে আমাদের দেশে প্রকৃত কোন ধর্মীয় আলেম আছে কি না তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। অন্য ধর্মের কথা জানি না, তবে মুসলিম প্রধান দেশ হিসেবে বাংলাদেশে ইসলামিক  আলেমদ ের সংখ্যা দিন দিন আশংকাজ...

আদিবাসী বাগদি নৃগোষ্ঠীর অজানা কথা

ছবি
  বাংলাদেশের বাগদি নৃগোষ্ঠী  বাগদি আদিবাসী বাগদিরা  হল  আদিবাসী , যারা  দ্রাবিড়  লিঙ্কের লোকদের থেকে এসেছে  , যারা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশে পাওয়া যায়  ,  যারা  চাষাবাদ  এবং  মাছ ধরার  মতো  পেশার সাথে যুক্ত ছিল।  তারা  দুলে  বর্ণের সাথে সম্পর্কিত।   বাগদিরা  পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম প্রান্তের  বাঁকুড়া  ,  বীরভূম  এবং অন্যান্য জেলায় জনবহুল। দুলে  সহ বাগদিরা পশ্চিমবঙ্গের সর্বাধিক অসংখ্য  তফসিলি  জাতির প্রতিনিধিত্ব করে ।  বাগদিরা নিজেদের ' বর্গা ক্ষত্রিয় ' বলে দাবি করে। বাগদিদের ইতিহাস: এদের সুস্পষ্ট ইতিহাস এখনো জানা যায় নি, তবে যতটুকু জানা যায় ভারতের  জেএন ভট্টাচার্য বাগদিদের একটি আদিবাসী উপজাতি হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যারা জেলে, কাঠমিস্ত্রি এবং লিটার বাহক ছিলেন। বাগদিরা  ব্রিটিশদের  ফৌজদারি উপজাতি আইনের  অধীনে বাংলার  অপরাধী উপজাতি হিসেবেও পরিচিত ছিল। বাগদি জনসংখ্যা ও স্বাক্ষরতা: ২০০১ সালের ভারতীয় আদমশুমারিতে পশ্চিমবঙ্গ...

পাহাড়ের কান্নার আসল কারন কি কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ?

ছবি
  "কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ প্রকল্প কি পাহাড়ের কান্না ও অসন্তেষের মূল কারন" কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ  পার্বত্য চট্টগ্রাম, ১৮৬০ সালে লর্ড ক্যানিংয়ের বাইশতম প্রশাসনিক আদেশক্রমে সৃষ্টি হয়। গভীর অরণ্যে ঢাকা পার্বত্য এলাকায় বেশিরভাগ বাসিন্দাই ছিলেন বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ ভাগের পর পূর্ব পাকিস্তানের অন্তর্গত হয় পার্বত্য চট্টগ্রাম। ষাটের দশকে পাকিস্তান সরকার এবং দাতা সংস্থা ইউসএইড (USAID) এর সহায়তায় শুরু হয় কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ দিয়ে একটি সমন্বিত প্রকল্পের মাধ্যমে জলবিদ্যুৎ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সেচকাজ এবং ড্রেনেজ সুবিধা পাওয়া যাবে। কিন্তু এই বাঁধ নির্মাণের সময় থেকেই শুরু হয় সমস্যা। বাঁধ তৈরির সময় ৬৫৫ বর্গ কিলোমিটারে এলাকা প্লাবিত হয়, যার মধ্যে ছিলো ২২ হাজার একর চাষাবাদযোগ্য জমি। পার্বত্য চট্টগ্রামে মোট চাষাবাদযোগ্য জমির যা প্রায় ৪০ শতাংশ। কাপ্তাই লেক নির্মাণে প্রায় ১৮ হাজার মানুষের ঘরবাড়ি বিলুপ্ত হয়েছে, প্রায় ১ লক্ষ মানুষকে তাদের আবাসভূমি থেকে সরে যেতে হয়েছে, যার মধ্যে ৭০ শতাংশই চাকমা জনপদের মানুষজন। পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসী জনপদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ক্ষোভ, বিভিন্ন ...

হাজং জনগোষ্ঠীর জীবন ধারা

ছবি
  হাজং জনগোষ্ঠীর জীবন ধারা হাজং জনগোষ্ঠী  হাজং জনগোষ্ঠী আসামের একটি ছোট উপজাতি] যাদের বেশিরভাগই ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় আসাম রাজ্যে বাস করে এবং অল্প সংখ্যক মানুষ মেঘালয় ও অরুণাচল প্রদেশ রাজ্যে বাস করে। হাজংদের অধিকাংশই ভারতে বাস করে। হাজংরা সাধারণত ধান চাষ করেন। তারা গারো পাহাড়ে ধান চাষ শুরু করেছিলেন বলে জানা যায়। ভারতের সংবিধান অনুযায়ী হাজংদের তফসিলি উপজাতির মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। হাজংদের সংস্কৃতি হল লেভাতানা। উৎপত্তিঃ হাজংরা বোড়ো-কাচারি উপজাতির অন্তর্গত, যাদের পূর্বপুরুষরা প্রাচীন অতীতে  তিব্বত  থেকে  ব্রহ্মপুত্র  উপত্যকায় স্থানান্তরিত হয়েছিল, যেখান থেকে তারা বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়েছিল ]  হাজংদের কোনো নথিভুক্ত ইতিহাস নেই এবং যা কিছু ঐতিহাসিক উল্লেখ পাওয়া যায় তা কিংবদন্তি, লোককাহিনী এবং ঐতিহ্যগত বিশ্বাসের আকারে পাওয়া যায়। হাজংরা বিশ্বাস করে যে তাদের পৈতৃক জমি ছিল বর্তমান আসামের নলবাড়ি জেলার হাজো এলাকায়। 'হাজং' এর অর্থ এইভাবে 'হাজোর বংশধর' হিসেবে বোঝা যায়।  এটা বিশ্বাস করা হয় যে বারো হাজার হাজং হাজো ছেড়ে গারো পাহাড়ের উত্তর পা...