পোস্টগুলি

আহলে হাদিস মতবাদের উৎপত্তির ইতিহাস, এরা ভন্ড

ছবি
চরম ভন্ড  আহলে হাদিস মতবাদের উৎপত্তির ইতিহাস ওহাবী’ শব্দ থেকে ‘আহলে হাদীস’ নাম মঞ্জুর যেভাবে? ‘আহলে হাদীস নামক এই দলটি আঠারো শতকের মধ্যভাগে  সৈয়দ নজির হোসেন  এবং সিদ্দিক হাসান খানের শিক্ষা থেকে  উত্তর ভারতে   উত্থিত হয়েছিল।’ এর আগে এধরণের মতবাদের কোনো অস্তিত্বই ছিলনা। নামধারী আহলে হাদীস মতবাদের ফাউণ্ডার ব্যক্তিত্ব শীয়া থেকে কনভার্টেট মিয়া নজির হোসেন দেহলভী সাহেবের অনুরোধেই এবং একখানা দরখাস্তের মাধ্যমে ৩রা ডিসেম্বর ১৮৮৯ ইং তদানিন্তন ব্রিটিশ-ভারত সরকারের উচ্চমহল থেকে পূর্বনাম ‘ ওহাবী ‘ বাদ দিয়ে নতুন নাম ‘ আহলে হাদীস ‘ নাম মঞ্জুর করেন (প্রামাণ্য স্ক্রিনশট দ্রষ্টব্য)। আধুনিক অনেক আহলে হাদীস ভাই-বেরাদর ব্রিটিশদের এই সহানুভূতি স্বীকার করতে নারাজ। অথচ এটি এমন একটি সত্য ইতিহাস যা অস্বীকার করার কোনো জো নেই। আহলে হাদীস শীর্ষ আলেম, মওলানা সানাউল্লাহ অমৃতসরী (রহ.) রচিত ‘ রাসায়েলে সানায়িয়্যাহ ‘ (পৃষ্ঠা নং ১০২) কিতাব হতেও এই ইতিহাস পরিষ্কার।  নতুন এ দলটির মূল টার্গেট ছিল, নানা চটকদার স্লোগানের আড়ালে সাধারণ মানুষের মনে মাযহাব সম্পর্কে সংশয় তৈরি করে দেয়া। মাযহাবকে শ...

রাজনীতির নেপথ্যের মানুষ: নুরুল ইসলাম ভূঁইয়া ছোটন কাহিনী

ছবি
    রাজনীতির নেপথ্যের মানুষ: নুরুল ইসলাম ভূঁইয়া ছোটন কাহিনী রাজনীতির নেপথ্যের মানুষ: নুরুল ইসলাম ভূঁইয়া ছোটন কাহিনী বাংলাদেশের রাজনীতির ভেতরে যে খেলা চলে তা অনেকটাই বলে দেওয়া সম্ভব যদি আপনি খেলোয়াড় চেনেন। ধরেন আপনি জানেন কে লিওনেল মেসি, কে রোনালদো আর কে ক্রিস গেইল, কে আফ্রিদি, তাহলে খেলাটা ফুটবল না ক্রিকেট চোখ বুঝে বলতে পারবেন। আমি ইদানিং বেশ কয়েকজনের মুখে নুরুল ইসলাম ভূইয়া ছোটনের নাম শুনেছি। তার নানা ভূমিকার কথা লোকজন বলছে। কিন্তু তার পরিচয় জিজ্ঞেস করলে বিস্তারিত বলতে পারছে না। আমার ফেসবুকে থাকা একটু অগ্রসর লোকজনও হয়তো ছোটনের কথা শুনে থাকবেন। কিন্তু ওনার খুব সাধারণ কিছু পরিচয় আপনারা জানেন না। কয়দিন আগে যে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী মারা গেলেন, ওনার ভায়রা হলেন ছোটন৷ মানে শিরিন হকের বোন নাসরিন হকের স্বামী। স্রেফ এই পরিচয়টুকু ধরে টান দিলে এবি পার্টি, জামায়াত, গণঅধিকার, চরমোনাই, হেফাজত, ডিজিএফআই, ফরহাদ মজহার, পিনাকী, মঞ্জু, তাহের, মেসবাহ সাঈদসহ কত কিছু যে বের হয়ে আসবে। তারপর ধরেন ওয়ান ইলেভেন, চার দলীয় সরকার, ভারত, প্রথম আলো পর্যন্ত চলে আসবে। এত কিছু যে আসবে তার জন্য অবশ্যই আপনাকে নেটও...

ওয়াকারের ফ্যাসিবাদ হতে দেশপ্রেম

ছবি
  " ওয়াকারের ফ্যাসিবাদ হতে দেশপ্রেম" ওয়াকারের ূদেশপ্রেম সেনা প্রধান ওয়াকারকে অনেকেই সম্মুখ সারির যোদ্ধা বলে দাবী করছেন, আসলেই উনি ৫ই আগষ্টে ছাত্রদের বিষয়ে সফ্ট ছিলো যার কারনে হাসিনাকে হঠানো সহজ হয়েছিলো এবং অপেক্ষাকৃত কম রক্ত ঝড়েছে, তা না হলে আরো ঝড়তো। এজন্য অনেক আবেগী বাংলাদশীরা এই ওয়াকারকে জুলাই বিপ্লবের যোদ্ধা পর্যন্ত বলে। চলুন এই ওয়াকার কি আসলেই জুলাই আন্দোলনের সহযোগী ছিলো না বিরোধী ছিলো তা জেনে নেই, তবে তার আগে ওয়াকারের উত্থানের ইতিহাস হ্জানা ফরজ। জেনারেল ওয়াকারের উত্থানঃ ১। জেনারেল ওয়াকার শেখ হাসিনার তৈরী করা সেনা প্রধান। হাসিনা নিজের অনুগত না হলে কাউকে এই পদে দপয় না। ২। হাসিনার রকৃত সম্পর্কের আত্মীয় ওয়াকার, রক্ত কখনো নিজের বিরোধিতা করে মা। ৪। হাসিনাই নিজের কার্য সিদ্ধির জন্য অনেক মেধাবী অফিসারকে রেখে ওয়াকারকে সেনা প্রধান বানিয়েছে নিজের আনুগত্যের জন্যে। সেনা প্রধান কিভাবে দেশপ্রেমিক সাজলোঃ সেনা প্রধানের দেশপ্রেমিক সাজা হলো পীঠ বাঁচানোর জন্য শুধু মাত্র। কারন, ১। জুলাই মাসে সেনাবাহিনীর রাইফেল হতে যতগুলো গুলি ছাত্র জনতার উপর করা হয়েছে তার একটাও সেনা প্রধানের নির্দেশ ছাড়া হ...

পাকিস্তান-ইসরায়েল সম্পর্ক ও বাংলাদেশ জন্মের ইতিকথা

ছবি
  " পাকিস্তান -ইসরায়েল সম্পর্ক ও বাংলাদেশ জন্মের ইতিকথা " পাকিস্তান -ইসরায়েল সম্পর্ক ও বাংলাদেশ জন্মের ইতিকথা পাকিস্তান -ইসরায়েল  দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বন্ধন গঠনের প্রাথমিক উদ্যোগ গৃহীত হয় ১৯৪৭ সালে, যখন ইসরাইলের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ডেভিড বেনগারিন  পাকিস্তান ের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মাদ আলি জিন্নাহকে একটি তারবার্তা প্রেরণ করেন, কিন্তু জিন্নাহ কোন প্রকার সাড়া দেয়া থেকে বিরত থাকেন আর তখন থেকেই ইসরায়েল  পাকিস্তান কে চির শত্রু মনে করতে শুরু করে ইসরায়েল এবং  পাকিস্তান ের জাত শত্রু ভারতকে বন্ধু ভাবতে শুরু করে,কারননতখন ভারতের মুসলিম বিরোধী মহাত্মা গান্ধী মুসলমানদের আরেক জাত শত্রু ইহুদিদেরকে সমর্থন শুরু করে । ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত ইসরাইলের কর্তাব্যক্তিরা বিশ্বাস করতেন যে করাচীর সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক নির্মাণ করা সম্ভব, অন্তত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে হয়ত। ১৯৫০ এর প্রথম দিকে লন্ডনের  পাকিস্তান  দূতাবাস ও ইহুদী-ইসরাইলের প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক হয়। ভারত কিছু আফগান ইহুদীদের ইসরাইলে প্রত্যাবাসনে র জন্য পাকিস্থানের মাটি ব্যবহারের করার অনুমতি চায়।কিন্তু...

ফিলিস্তিনিদের রক্তের বিনিময়ে সৌদি রাজ পরিবারের ক্ষমতা রক্ষার দলিল

ছবি
 " ফিলিস্তিনিদের রক্তের বিনিময়ে সৌদি রাজ পরিবারের ক্ষমতা রক্ষার দলিল " এই সেই দলিল। আমি বার বার বলে আসছিলাম যে সৌদি টাজ পরিবার কেনো মুসলিম পরিবার না, এরা ইহুদিদের দালাল, মোনাফিক ও ক্ষমতার জন্য মুসলমানদের জবাই করতে দ্বিধা বোধ করে না, ফিলিস্তিনের আজ রক্ত ঝরার পেছনে সৌদি রাজারাই দায়ী। কেউ আমার কথা বিশ্বাস করত না। আজ আমি ব্রিটিশ মিউজিয়াম হতে সংগ্রহ করা কত গুলো দলিল পেশ করবো, দেখি কে আছে এগুলো অস্বীকার করে, কার বাবার ক্ষমতা আছে। সৌদি রাজা, আ:ওহাব নযদি ও স্যার পার্শি কক্সের বৈঠক।  এই ঐতিহাসিক দূর্লভ দলিলটি সবাই শেয়ার করার অনুরোধ রইলো। এটা সকল মুসলমানের ইমানী দ্বায়িত্ব বলে মনে করি। ৩রা নভেম্বর ২০১১ ইং ব্রিটেন হতে প্রকাশিত ইসলাম টাইমস নাক একটি পত্রিকায় এই প্রতিবেদনটি ছাপা হয়, পরে এই প্রতিবেদন ছাপার কারণে সৌদি সরকারের অনুরোধে ২০১২ ইং এই পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিল করে তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার। আমি পত্রিকাটির প্রতিবেদন হুবহু তুলে ধরলাম অনুবাদ করে। কেউ যদি চ্যালেঞ্জ করতে চান আমার দলিল গুলো ফ্যাক্ট চেক করে দেখতে পারেন। সৌদি-ব্রিটিশ মাখামাখি ফিলিস্তিন নিয়ে যুক্তরাজ্যকে আশ্বস্ত করেছেন সৌদি রাজ...

ইসলামিক রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় বসার গনতান্ত্রিক হাকীকত

ছবি
  " ইসলামিক রাজনৈতিক দলের ক্ষমতায় আসার গনতান্ত্রিক হাকীকত " ইসলামিক রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় বসার গনতান্ত্রিক হাকীকত ভোটের সংখ্যাধিক্যে জিতে ইসলামিক দল কি বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় কখনো আসা উচিত? ভোট আর নির্বাচনের যে গণতন্ত্র, সেই গণতন্ত্র কি ইসলামী কোনো দলের জন্য রাষ্ট্রক্ষমতা পাবার উপযোগী? ইসলামী রাজনীতিতে নির্বাচন ও ভোটের হিসেব কতটুকু প্রাসঙ্গিক? আমি মনে করি বাংলাদেশের ৭৫%~৮০% ভোটার যেদিন ইসলামিক দলকে ভোট দেবে, কেবলমাত্র সেদিনই তার রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণ করার উপযুক্ত সময়। এর আগে কখনোই নয়। ৭৪% ভোট নিয়েও ইসলামিক দলের উচিত হবে না রাষ্ট্রক্ষমতা নেওয়া। আমাদের স্বাভাবিক যে অভিজ্ঞতা – ৩৫ থেকে ৪৫ ভাগ ভোট পেলে পতিত ফ্যাসিস্ট লীগ বা বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতা পায় এবং তাদের মতো করে দেশ চালায়। কিন্তু কোনো ইসলামীক দল কখনই এরকম ৩৫/৪০ বা ৫১% ভোটের ক্ষমতা দিয়ে দেশ চালাতে পারবে না। বরং দেশ, জাতি ও দলের জন্য বিরাট নিরাপত্তাহীনতা ডেকে নিয়ে আসবে। এরকম কথা শুনে, এই ধরনের চিন্তাভাবনায় বিভ্রান্ত হয়েই অনেক গ্রুপ ইসলামে গণতন্ত্র হারাম বলে প্রচার চালায়, কেউ৷ কোউ আবার সেনাবাহিনীর সহায়তায় ক্ষমতা নিতে চায়, ইসলামী দ...