ইসলামের ইতিহাস নিয়ে আলেমদের আর কত পক্ষপাতিত্ব ও মিথ্যাচার শোনতে হবে?

ইসলামের ইতিহাস নিয়ে আলেমদের আর কত পক্ষপাতিত্ব ও মিথ্যাচার শোনতে হবে?


আর কত ইতিহাস গোপন করবে আলেম সমাজ? আহলে বায়াতের জন্য শুনি অনেক আলেম কান্না করে নিজেকে সুন্নী দাবী করে অথচ মা ফাতেমা(রা.) ব্যতিত হযরত মুহাম্মদ ( সা :) এর আরো সন্তান আছেন তাদের নামও মুখে আনে না।এ কেমন আহলে বায়াতের প্রেম? এ কেমন পক্ষ পাতিত্ব?

মুহাম্মাদ (সা:) এর সন্তানদের মধ্যে রয়েছে ৩ জন পুত্র ও ৪ জন কন্যা।সাধারণ দৃষ্টিভঙ্গি হল সবাই মুহাম্মাদের প্রথম স্ত্রী মা খাদিজা বিনতে খুওয়ালিদ (রা.) এর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।কেবল জন পুত্রসন্তান ব্যতীত, যিনি মারিয়া আল-কিবতিয়া(রা.) গর্ভে জন্মগ্রহণ করে।যাইহোক, এ মিথ্যাটাও বলা হয়ে থাকে যে মুহাম্মাদ( সা.) এর তিন কন্যাকে আসলে দত্তক নিয়েছিলেন( নাউজুবিল্লাহ মিন জালিক)।প্রকৃত পক্ষে হযরত মুহাম্মাদ( সা.) এর জন দত্তক পুত্র ছিলেন যায়েদ ইবনে হারেসা(রা.)।

কালানুক্রমিক ভাবে মুহাম্মাদ(সা.) এর সন্তানরা ছিলেনঃ

  • কাশিম ইবনে মুহাম্মদ(রা.) (৫৯৮ খ্রি. ৬০১ খ্রি.)(৩ বছর বয়সে)
  • জয়নব বিনতে মুহাম্মদ(রা.)(৫৯৯ খ্রি. ৬২৯ খ্রি.)(৩০ বছর)
  • রুকাইয়াহ বিনতে মুহাম্মদ(রা.)(৬০১ খ্রি. ৬২৪ খ্রি.)(২৩ বছর)
  • উম্মে কুলসুম বিনতে মুহাম্মদ(রা.) (৬০৩ খ্রি. ৬৩০ খ্রি.)(২৭ বছর)
  • ফাতিমা বিনতে মুহাম্মদ(রা.) (৬০৫ খ্রি. ৬৩২ খ্রি.)(২৭ বছর)
  • আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ(রা.) (মৃত্যু : ৬১৫ খ্রি.)
  • ইবরাহীম ইবনে মুহাম্মদ(রা.), (৬৩০ খ্রি. ৬৩২ খ্রি.)(২ বছর)

এরা সবাই অপেক্ষাকৃত অল্প বয়সে ইন্তেকাল করেন; ২৩০ বছরের মধ্যে।

 

মুহাম্মাদ(সা:) কন্যারা প্রাপ্তবয়স্ক হয়েছিলেন কিন্তু তারা সবাই তুলনামূলকভাবে অল্প বয়সে মারা যান। ফাতিমা(রা.) আলী ইবনে আবুতালিবকে রুকাইয়াহ(রা.) ও উম্মে কুলসুম(রা.) যথাক্রমে উসমান ইবনে আফফানকে বিয়ে করেন এবং জয়নব(রা.) আবুল আস ইবনে রাবিকে বিয়ে করেন।

মুহাম্মাদ(সা:) এর ছেলেরা সবাই শৈশবে মারা যায়।ফাতিমা অবশ্য ইমাম হাসান(রা:)  ও ইমাম হোসাইন (সা:) নামে দুজন পুত্রসন্তানের জন্ম দেন, যাদের মুহাম্মাদ(সাঃ) অত্যন্ত ভালবাসতেন এবং প্রায়শই তার নিজের নাতি হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিতেন।মুহাম্মাদ(সা.) এর পুত্র-সন্তানদের প্রাথমিক মৃত্যুকে মুহাম্মাদ(সা.) তাঁর বংশানুক্রমিক-ভিত্তিক উত্তরাধিকার ব্যবস্থার জন্য ক্ষতিকারক বলে মনে করেন না।কোরআনে পূর্ববর্তী নবীদের উত্তরাধিকার এমন একটি বিষয় ছিল যা ঐশ্বী ভাবে নির্ধারিত এবং আল্লাহ তাদের নিজের পরিবার থেকে তাদের উত্তরসূরি নির্বাচন করেন, সেই উত্তরসূরিরা নিজেরাই নবী হন আবার নাও হতে পারেন। অর্থাৎ, অতীতের নবীদের পরে, তাদের বংশধররা তাদের আধ্যাত্মিক ও বস্তুগত উত্তরাধিকারী হয়ে ওঠে। মা ফাতিমার মাধ্যমেই হযরত মুহাম্মদ(সাঃ) এর বংশধর মুসলিম বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। ফাতিমার বংশধরদের সম্মানজনক উপাধি সৈয়দ  (যার অর্থ উচ্চ সন্মান) বা শরীফ(অর্থ মহৎ), এবং সুন্নি ও শিয়ারা একইভাবে সম্মানিত।

তাঁর সন্তানদের প্রতি তাঁর মনোভাব ও আচরণ, যা হাদিস সাহিত্যে বর্ণিত, সুন্নি মুসলমানরা অনুকরণ করার জন্য এটি একটি দৃষ্টান্তমূলক হিসাবে দেখে। যাইহোক, সমালোচকরা তার মেয়ে ফাতিমা(রা.) এর প্রতি দ্বিচারিতা উল্লেখ করেছেন, তার স্বামী আলী(রা.) দ্বিতীয় স্ত্রীর অনুসরণ প্রত্যাখ্যান করার ক্ষেত্রে, বহুবিবাহের ইসলামি বৈধতার সত্ত্বেও।

 

শিয়াদের মিথ্যাচারঃ

বেশ কয়েকটি শিয়াসূত্র যুক্তি দেখায় যে মুহাম্মাদের তিন কন্যা আসলে মুহাম্মাদ কর্তৃক দত্তক নেওয়া হয়েছিল। এই সূত্রগুলি দাবি করে যে,, খাদিজার পক্ষে এত বড় বয়সে এতগুলি সন্তানের জন্ম দেওয়া অসম্ভব, যখন তার আগের দুটি বিয়েতেই কোনও সন্তান ছিল না। এই সূত্রগুলো জয়নব, রুকাইয়াহ এবং উম্মে কুলসুমকে খাদিজার বোন হিসেবে তালিকাভুক্ত করে, যাদের মুহাম্মাদ খাদিজার মৃত্যুতে দত্তক নিয়েছিলেন।

শিয়াদের যুক্তি খন্ডনঃ

শিয়ারা যে যুক্তি দেখায় তা পুর্নাঙ্গ মিথ্যাচার কেননা হযরত মুহাম্মদ (স :) এ যে পালিত পুত্র যায়েদ ছিলেন তাকে দত্তক নেয়া বা না নেওয়ার বিষয়ে যথেষ্ট দলির প্রমানের ইতিহাস পাওয়া যায় কিন্তু হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর তিন কন্যা দত্তক নেওয়ার বিষয়ে একটা দলিলও খোঁজে পাওয়া যায় না, বরং বাকি তিন কন্যা যে হযরত মুহাম্মদ (সা: ) এবং মা খাদিজাতুল কোবরা (রা:) এর ঔরষজাত তার ভুঁড়ি ভুঁড়ি দলিল বিদ্যমান।

 

রাসূলুলস্নাহ (সা.)-এর কয়জন সন্তান ছিলেন এবং বিবি খাদিজার (রা.) কোলে কতজন সন্তান আগমন করেছিলেন এ নিয়ে মতভেদ লক্ষ্য করা যায়। কেউ বলেন, রাসূলুলস্নাহ (সা :) এর সন্তান সংখ্যা ছয় জন। তন্মধ্যে দুইজন পুত্র ও চারজন কন্যা। পুত্রগণ ছিলেন ইব্রাহীম ও কাশেম। কন্যাগণ ছিলেন: জয়নাব, উম্মে কুলসুম, রুকাইয়া ও ফাতেমা। কিন্তু ইবনে ইসহাক বলেন, রাসূলুলস্নাহর তাহের এবং তাইয়্যেব নামক আরো দুইজন পুত্র সন্তান জন্মলাভ করেছিল। ফলে পুত্রসংখ্যা হলো ৪ এবং কন্যার সংখ্যা ৪। সর্বমোট সন্তান সংখ্যা ৮। আবার কেউ কেউ বলেন, রাসূলুলস্নাহর পুত্র সন্তান ছিল চারজন এবং কন্যা সন্তান ছিল আটজন। এতে করে সন্তান সংখ্যা দাঁড়ায় ১২। তবে সকল ঐতিহাসিক এ বিষয়ে একমত যে, বিবি খাদিজার গর্ভের একপুত্র কাশেম এবং চার কন্যা জয়নাব, উম্মে কুলসুম, রুকাইয়া ও ফাতেমার জন্ম হয়। অপর এক বর্ণনায় দেখা যায় যে, বিবি খাদিজার গর্ভে আরো একজন পুত্র সন্তান জন্ম লাভ করেছিল তার নাম ছিল আবদুল্লাহ। সুতরাং আমরা সবকটি বর্ণনার সূত্র ধরে পর্যায়ক্রমে বিবি খাদিজার গর্ভজাত সন্তানদের ইতিহাস সংক্ষিপ্তভাবে বিবৃত করতে প্রয়াস পাব।

হযরত কাশেম(রা.):
রাসূলুলস্নাহ (সা.) এর সন্তানগণের মাঝে তিনিই সর্বপ্রথম জন্মগ্রহণ করেন। হযরত খাদিজা ও রাসূলুলস্নাহর বিয়ের তিন বছরের মধ্যে এবং নবুয়তের ১২ বছর পূর্বে হযরত কাশেমের জন্ম হয়। তার ডাক নাম ছিল তাহের। এই কাশেমের পিতা ছিলেন বলে বিশ্বনবীকে 'আবুল কাশেম' অর্থাৎ কাশেমের পিতা বলে সম্বোধন করা হতো। আর নবী করীম (সা.)ও এই নাম খুবই পছন্দ করতেন। সাহাবীগণ যখন নাম ধরে ডাকার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করতেন, তখন রাসূলুলস্নাহ (সা.)কে আবুল কাশেম নামেই ডাকতেন। একদিন বিশ্বনবী কোন এক বাজারে শুনতে পেলেন- কে যেন আবুল কাশেম নাম ধরে ডাকছে। নবী পাক (সা.) ফিরে দাঁড়ালেন এবং লোকটির দিকে জিজ্ঞাসু নেত্রে তাকালেন। ফলে লোকটি লজ্জিত হয়ে নিবেদন করল, আমি আপনাকে ডাকেনি। এই নামের অন্য লোককে ডেকেছি। এরপর হতে অন্যদের পক্ষে এই ডাক নাম ব্যবহার করা নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়।

হযরত কাশেমের বয়স সম্পর্কেও অনেক মতভেদ দেখা যায়।

(১) কাশেম যখন একটু হাঁটতে পারেন অর্থাৎ দেড় থেকে দুই বছর বয়সের, তখন তাঁর মৃতু্য হয়।

(২) মুজাহিদ বলেন- তিনি মাত্র ৭ দিন জীবিত ছিলেন।

(৩) ইবনে সা'আদের মতে, তিনি দু'বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।

(৪) ইবনে হারেছ লিখেছেন- হযরত কাশেম জ্ঞান-বুদ্ধি হওয়ার মতো বয়স পর্যন্ত জীবিত ছিলেন।


হযরত জয়নাব (রা.):

জীবনচরিত লেখকগণের সর্বসম্মত অভিমত এই যে, কন্যাদের মধ্যে হযরত জয়নাবই ছিলেন সকলের বড়। রাসূলুলস্নাহ (সা.) এর বিয়ের ৫ বছর পরে এবং নবুয়তের দশ বছর পূর্বে হযরত জয়নাব জন্মগ্রহণ করেছিলেন। যুবাইর বিন বাকার বলেন, হযরত জয়নাব হযরত কাশেমেরও আগে জন্মগ্রহণ করেন। এই বর্ণনা মতে, তিনিই ছিলেন রাসূলুলস্নাহ (সা.) এর প্রথম সন্তান। ঐতিহাসিক হিট্টির অভিমতও তাই।


নবুয়ত প্রাপ্তির দশ বছর পূর্বে এবং বিশ্বনবীর তিরিশ বছর বয়সে জয়নাব জন্মগ্রহণ করেন। অতি অল্প বয়সেই জয়নাবের বিয়ে হয়েছিল তার খালাত ভাই আবুল আস ইবনে রবির সাথে। হিজরতের সময় বিশ্বনবী স্বীয় পরিবার-পরিজনদেরকে মক্কাতেই রেখে যান। কিন্তু বদর যুদ্ধে আবুল আস বন্দী হয়ে মদীনায় নীত হয়। তার মুক্তি প্রদানের সময় এই অঙ্গীকার গ্রহণ করা হয়েছিল যে, সে মক্কা প্রত্যাবর্তন করে জয়নাবকে মদীনায় পাঠিয়ে দেবে। অঙ্গীকার মতো আবুল আস মক্কায় প্রত্যাবর্তন করে ভাই কেনানার সাথে হযরত জয়নাবকে মদীনায় রওয়ানা করে দিলেন। কিন্তু পথিমধ্যে 'তোয়া' নামক স্থানে মক্কার কিছু সংখ্যক দুষ্কৃতকারী তাদের পথ রোধ করে দাঁড়াল এবং হেবার বিন আসওয়াদ বর্শা নিক্ষেপ করে হযরত জয়নাবকে উটের পিঠ হতে মাটিতে ফেলে দিল। জয়নাব ছিলেন গর্ভবতী। তিনি এই আঘাত সহ্য করতে পারলেন না। ফলে তার গর্ভপাত হয়ে গেল। কেন না এই অভাবনীয় ঘটনায় হতচকিত হয়ে পড়ল। মুহূর্তেই সে তীর-ধনুক নিয়ে গর্জে উঠল। হুঁশিয়ার! আর যদি কেউ এদিকে এক কদম অগ্রসর হও তাহলে এই বিষাক্ত তীর তোমাদের বক্ষ ভেদ করে চলে যাবে। দুর্বৃত্ত কমজাত! কাউকে আমি রেহাই দেব না।

এমন সময় পেছন দিক হতে আবু সুফিয়ান এসে সেখানে উপস্থিত হলো। কেনানার সামনে গিয়ে বলল, কেনানা! এত উত্তেজিত হয়ো না। শান্ত হও। আমার কিছু কথা মনোযোগ দিয়ে শোন। তুমি তো অবশ্যই জান, মুহাম্মদ (সা: )এর প্রচারণার ফলে সারা দুনিয়ায় কি এক বিষাক্ত বাতাস ছোবল হানছে? আমরা কত শান্তিতে ছিলাম, কত সুখে ছিলাম, কত আনন্দে ছিলাম কিন্তু মুহাম্মদ (সা :) এখন আমাদের সকল সুখ, সকল শান্তি হরণ করে নিয়ে গেছে। তার জন্য তোমার মনে কি কিছুই উদয় হয় না?

কেন না! তুমি মুহাম্মদের কন্যাকে নিয়ে মদীনায় তাঁরই নিকট পেঁৗছে দিতে যাচ্ছ। ভালো কথা যাও, কিন্তু একবারও কি ভেবে দেখেছ যে, এ কাজটি ন্যায় হচ্ছে কিনা? এভাবে মুহাম্মদের (সা:) শক্তিকেই আরো সুদৃঢ় করা হচ্ছে একথা তোমার মতো বুদ্ধিমান যুবককে খুলে বলার দরকার হয় না। জয়নাবকে আটকে রাখা আমাদের উদ্দেশ্য নয়, তবে তুমি আজকে ফিরে যাও। তোমার উত্তেজনা প্রশমিত হলে ধীরে-সুস্থে তাকে মদীনায় পৌছে দিও।

কেন না আবু সুফিয়ানের যুক্তির কাছে হেরে গেল এবং সেদিনের মতো মদীনায় যাত্রা বন্ধ করে প্রত্যাবর্তন করল। এর কয়েকদিন পর রাতের অন্ধকারে জয়নাবকে নিয়ে মদীনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলো। অপরদিকে বিশ্বনবী (সাঃ) আদরের দুলালী জয়নাবকে নিয়ে যাওয়ার জন্য যায়েদ বিন হারেছাকে মক্কা অভিমুখে পাঠিয়েছিলেন। পথিমধ্যে যায়েদের সঙ্গে কেনানার দেখা হয়। কেনানা জয়নাবকে যায়েদের নিকট তুলে দিয়ে মক্কায় প্রত্যাবর্তন করল। এভাবে জয়নাব বিশ্বনবীর নিকট পেঁৗছে গেলেন।

হযরত জয়নাবের স্বামী আবুল আস বিন রবী ছিল মুশরিক। কিন্তু জয়নাব ছিলেন ঈমানদার। তাই আবুল আসকে ছেড়ে আসতে জয়নাব বাধ্য হয়েছিলেন। অপর এক যুদ্ধে আবুল আস বন্দি হয়ে দ্বিতীয়বার মদীনায় নীত হয়। এবারও জয়নাব তাকে মুক্তি লাভের যাবতীয় ব্যবস্থা করে দিলেন। ফলে তাঁর মনের পরিবর্তন ঘটল। তিনি মক্কা গমন করে যাবতীয় লেনদেন শোধ করলেন এবং সকল আমানত হকদারদের নিকট বুঝিয়ে দিলেন এবং ইসলাম কবুল করে মদীনায় চলে আসলেন।

আবুল আস মুশরিক হওয়ার দরুন জয়নাবের সাথে তাঁর ছাড়াছাড়ি হয়েছিল। কিন্তু এবার সে ইসলাম কবুল করাতে তাঁর এবং জয়নাবের নতুন করে বিবাহ পড়ানো হলো।


আমার প্রশ্ন হলো এত বছর মা ফাতিমা(রা.) ব্যতিত আর কোনো আহলে বায়াত সম্পর্কে ওয়াজে বলে না কেনো ঠুন্ডা মৌলভীর দল?

মন্তব্যসমূহ

Featured Article

ইসলামে সূফীবাদ নামক কুফুরী ভ্রান্তি

মাও: মওদূদীর ভ্রান্ত আকীদা নিয়ে ৮৫ বছর যাবত ভারতবর্ষের আলেমদের বিতর্কের কারন

স্বাধীনতার যুদ্ধে সহায়তার নামে ভারতীয় বাহিনীর বাংলাদেশ লুটের হিসাব

ঈমান আনায়নের পর প্রথম কাজ মুসলমানদের ভূমি রক্ষা

আহলে হাদিসের ভন্ডামীর আদ্যোপান্ত

জামায়াতে ইসলামীর শালী তালাক

জয়বাংলা একটি পাকিস্তানি হাইব্রিড স্লোগান

দেশের জন্য সব হারানো বেগম খালেদা জিয়ার সফল সংগ্রামী জীবন

প্রকৃত বুদ্ধিজীবি হত্যাকারী নিজামী নয় আওয়ামিলীগ, তাদের বিচার চাই