জামায়াতকে নাকি সময় মত খেয়ে দেবে!!!
এক্সশিবির কিংবা নন-শিবির প্রভাবশালী অনলাইন এক্টিভিস্টরা কি জাতীয় নির্বাচনে জামায়াতের পক্ষে কার্যকর কোন ক্যাম্পেইন করবে?আমি যতটুকু খবর পেয়েছি উত্তর হলোঃ না। ন এ আকার, না। ডাকসুতে যেমনটা দেখা গেছে, জাতীয় নির্বাচনে তার বিপরীত চিত্র দেখা যাবে। জামায়াতের মনোনীত অসংখ্য ছাপড়ি মার্কা, অসৎ, বাটপাড়, লুজ এমপি ক্যান্ডিডেটের কাপড় খুলে দিয়ে তাদের ভোটব্যাঙ্ক খেয়ে দেবে অনলাইন এক্টিভিস্টরা বলে জানা গেছে। তার প্রভাব পরবে পুরো দলের ওপর। অনলাইনে পক্ষে ন্যারেটিভ তৈরী ও প্রতিপক্ষের বানানো ন্যারেটিভ ভেঙ্গে দেয়ার গুরুত্ব বিএনপি ডাকসুতে বুঝেনি আর জামায়াত ন্যাশনাল পলিটিক্সে নাকি বুঝতেছেনা।
এই পরিস্থিতি ফেইস করতে না চাইলে, জামায়াতকে তার এমপিপ্রার্থী তালিকা ঠিকঠাক করার দাবী জানিয়েছে গ্রুপটি। বিতর্কিত প্রত্যেকটা এমপি প্রার্থী জোকারকে তালিকা থেকে চোখ বন্ধ করে বাদ দিতে হবে। সে যত বড় নির্বাহী সদস্য হোক কিংবা এক্সসিপি হোক।
জোকার ও ভাউচারবাজগুলোকে ছাটাই করার পর, জামায়াতকে মিনিমাম ৫০ জন, একদম তরুন তাজাদম পোলাপানরে এমপি পদে মনোনয়ন দিতে হবে বলে জানিয়েছে।
যেমনঃ
বাই ডিফল্ট, ডাকসু, জাকসু, চাকসু, রাকসু জিতছে বা জিতবে - এমন ১০ জনকে প্রেস্টিজিয়াস বিভিন্ন আসনে সেট করতে হবে। চিন্তা করেন, সাদিক কায়েম আর ফরহাদ, এমপি ইলেকশন করতেছেন এইবারই, জেনজি জান দিয়া জিতায়া নিয়া আসবেনা ওদের?
জুলাই বিপ্লবের সময় শিবিরের প্রভাবশালী নেতৃত্ব পজিশনে যারা ছিলো - মঞ্জুরুল, জাহিদুল, সাদ্দাম, সিবগাতুল্লাহ, আজিজুর রহমান, শাকিল, সেই সময়কার মহানগরী সভাপতিরা - এদের প্রত্যেককে মনোনয়ন দিতে হবে।
মনোনয়ন দিতে হবে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সেসময়কার সভাপতি সেক্রেটারীকে, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী মহানগরীর সভাপতি সেক্রেটারীকে, সিলেট, খুলনা, কুমিল্লা ও বরিশাল মহানগরীর ছাত্রনেতাদেরকে।
ডাকসুতে সাদিকরা প্যানেল বানাতে দলীয় বাছবিচারের বাইরে যেভাবে গেছে, জামায়াতকেও সেভাবে যেতে হবে। জুনায়েদ, রাফে সালমান, খোমেনি এহসানদের এমপি পদে নির্বাচন অফার করতে হবে। মীর্যা গালিবসহ ঢাবি শিবিরের বিগত ১৫ বছরের অন্তত ১০ জন সভাপতিরে মনোনয়ন দিতে হবে।
ছাত্রীসংস্থার রানিং সভানেত্রী, সেক্রেটারী, মহিলা জামায়াতের শীর্ষ নেতৃত্বদের ডাইরেক্ট এম্পি পদে মনোনয়ন দিতে হবে। জুমা, সর্বমিত্রের মত একেবারে অসাংগঠনিক প্রভাবশালী তরুন তরুনীদের বিভিন্ন জায়গায় এমপি হিসেবে সমর্থন দিতে হবে। ইনকিলাব মঞ্চের ওসমান হাদীদের কিংবা জুলাইয়ের সমন্বয়কদের একটা অংশকে এমপি পদ অফার করতে হবে বলেও দাবী জানিয়েছে।
তারা বলেন তাদের এই দিবাস্বপ্নের আংশিক কিছুটা হলেও, জামায়াত যদি বাস্তবে রূপ দিতে পারে, এইবারের ইলেকশনেই সে (প্রায়) বিপ্লব ঘটায়া দিতে পারে। খুবই সম্ভব!
তার ব্যাখ্যা করে বলেন জুলাই প্রজন্ম তার তরুন নির্ভেজাল পরিক্ষিত নেতাদের জন্য সর্বস্ব নিয়া ঝাঁপায়া পড়বে, এইরকম নির্বাচনী "প্যানেল" শো করতে পারলে...
হয়ে যাক? কি বলেন, ডাক্তার শফিক সাহেব? দেখবেন নাকি একবার ট্রাই করে?
এটা জামায়াতের গভীর পর্যায়ের গোপন তথ্য।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ