আল্লাহ তাআলা সম্পর্কে আলবানীর আকীদা (পুনর্লিখিত)
১. আলবানীর মতে, তথাকথিত সালাফী দাওয়াত বা সালাফী মাযহাবের প্রকৃত প্রবর্তক স্বয়ং আল্লাহ তাআলা।
(ফাতাওয়াল আলবানী ফীল মাদীনাতি ওয়াল ইমারত)
২. তিনি বিশ্বাস করেন যে, আল্লাহ তাআলার দু’টি চোখ রয়েছে।
(প্রাগুক্ত সূত্র)
৩. আল্লাহ তাআলার পায়ের পিণ্ডলী বা ‘সাক’ রয়েছে—এমন আকীদাও তিনি পোষণ করেন।
(সিলসিলাতুল আহাদীসিস সহীহা)
৪. আল্লাহ তাআলার জন্য প্রকৃত হাত সাব্যস্ত করেন।
(প্রাগুক্ত)
৫. আল্লাহ তাআলার হাসা বা হাসা দেওয়া একটি সিফাত—এমন বিশ্বাস পোষণ করা হয়।
(সিলসিলাতুল আহাদীসিস সহীহা)
৬. আল্লাহ তাআলার জন্য আশ্চর্য হওয়াকে একটি গুণ বা সিফাত হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
(কিতাবুশ শায়েখ আলবানী ও মানহাজুহু)
৭. এ কথায় ঈমান রাখা হয় যে, আল্লাহ তাআলা আসমানে অবস্থান করেন।
(আল হাবী মিন ফাতাওয়াশ শায়েখ আলবানী)
নবী করীম ﷺ সম্পর্কে আলবানীর আকীদা (পুনর্লিখিত)
১. তাঁর মতে, রাসূলুল্লাহ ﷺ মানুষকে যেসব আয়াত শিক্ষা দিয়েছেন, সেগুলো তিনি ভুলে যেতে পারেন।
(আল ফাতাওয়াল কুয়েতিইয়া)
২. নবী করীম ﷺ–এর স্ত্রীগণের পক্ষ থেকে (নাউযুবিল্লাহ) ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার সম্ভাবনাও তিনি স্বীকার করেন।
(সিলসিলাতুল আহাদীসিস সহীহা)
৩. তিনি নবীজি ﷺ–এর রওজা মোবারকের গম্বুজ অপসারণ এবং কবরকে মসজিদে নববী থেকে আলাদা করার দাবি উত্থাপন করেছেন।
(তাহযিরুস সাজিদ মিন ইত্তিখাযিল কুবূরি মাসাজিদ)
৪. তাঁর মতে, রাসূলুল্লাহ ﷺ সৃষ্টিজগতের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ নন।
(আত-তাওয়াসসুল আনওয়াউহু ওয়া আহকামুহু)
৫. নবী করীম ﷺ–কে ওসীলা বানিয়ে দো‘আ করাকে তিনি হারাম বলে আখ্যায়িত করেন।
(আহকামুল জানায়েয ওয়া বিদউহা)
৬. জুম‘আর দিনে “ইন্নাল্লাহা ওয়া মালাইকাতাহু…” আয়াত পাঠ করাকে তিনি নাজায়েয ও বিদ‘আত বলে গণ্য করেন।
(আল-আজউইবাতুন নাফে‘আ)
৭. নবী করীম ﷺ–এর যিয়ারতের নিয়তে সফর করাকে তিনি হারাম বলে মত দেন।
(ফাতাওয়াল আলবানী ফীল মাদীনাতি ওয়াল ইমারত)
৮. নবী করীম ﷺ কিংবা অন্য কোনো মৃত ব্যক্তির উদ্দেশ্যে কোনো নেক আমলের সওয়াব পৌঁছানোকে তিনি বৈধ মনে করেন না।
(আহকামুল জানায়েয ওয়া বিদউহা)
নাউযুবিল্লাহ, ছুম্মা নাউযুবিল্লাহ।
প্রশ্ন থেকে যায়—
উপরোক্ত আকীদাগুলো কি আদৌ কোনো প্রকৃত মুসলমানের বিশ্বাস হতে পারে?
আল্লাহ তাআলা যেন আমাদের সবাইকে এ ধরনের ভ্রান্ত ও বাতিল আকীদা থেকে হেফাজত করেন।
আমিন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ