মুসলমানদের মাঝে বিভেদ তৈরীর নীল নকশায় বুঝে হোক আর না বুঝে হোক মুসলমানরাই দায়ী। আসুন দীপা মনি নামের একজনের লেখা হতে দেখি। এটি ইহুদি রাব্বিদের একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র ও সফলতা…।
আরবের ইহুদিরা আরবদের থেকেও ভালো আরবি বলতে পারে। প্রতিটি ইহুদির সন্তানকে ছোটকাল থেকেই নানানমূখী প্রশিক্ষনের মাধ্যমে গড়ে তোলা হয়।
হিউম্যান রিসোর্স এর উপর বিশ্বের বুকে একমাত্র ইহুদি অর্গানাইজেশান গুলোর আন্তর্জাতীক মানের রিচার্স সেন্টার রয়েছে। যেখানে ধর্ম, মানুষ ও সাইকোলজিক এর উপরে বিশাল গবেষনা ভান্ডার রয়েছে। ইহুদি নিয়ন্ত্রনে ব্রিটেন ফান্স, আমেরিকায় মুসলমান জাতীকে বিভ্রান্ত করার বিভিন্ন ধরনের গোয়েন্দা কার্য্ক্রম রয়েছে। প্রতিটি মুসলিম দেশে তাদের বিভিন্ন ধরনের তৎপরতা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে।
আপনি হঠাৎ করে তাদের অপারেশন কর্মকান্ড বুঝতে পারবেন না। যেমন বাংলাদেশে কোন পীর খুব জনপ্রিয়, সেখানে তারা প্রথমে মুসলিম পরিচয়ে মুরিদ হিসাবে জয়েন করবে। এরপরে পীর সাহেবকে বলবে হুজুর আপনী অনেক বড় পীর, চারদিকে আপনার অনেক সুনাম। প্রথমে পীরের মনের ভিতর অহংকার ঢুকাবে। তারপর খুব দরদী হয়ে পীর সাহেবকে বলবে, হুজুর আপনার খানকা বড় দালান কোটার আলোকে গড়ে না তুললে ভবিষৎ বড় করে ওরশ করা সম্ভব হবেনা। আপনার জন্য ১০ কোটি টাকা জোগার করেছি, আপনি এগুলি নিয়ে বিশাল শান শওকতের সাথে হুজরাখানা গড়ে তুলুন। পীর সাহেবও খুশি, তার মুরীদ তার জন্য দিওয়ানা। ধীরে ধীরে পীর সাহেবকে আরাম-আয়েশের ভিতরে ঢুকিয়ে তার দ্বীলের ভিতরে অবস্থান নিয়ে আস্তে আস্তে তাকে শয়তানের কাতারে নিয়ে আসে, যা সাধারন মুরিদরা কখনোই বুজতে পারেনা।
এরপরে আহলে হাদিসের কাছে যায়, আপনারাই সঠিক পথে আছেন। কেন আপনারা আপনাদের আদর্শ প্রচার করছেন না..?। আমাদের হ্নদয় মন ভেঙ্গে যাচ্ছে, এই নিন ২ কোটি টাকা। এই টাকা নিয়ে এই বইগুলো ছাপিয়ে কম মূল্যে বিলি করুন। আহলে হাদিসও খুশি, এরা নিবেদীত কর্মী, তারা পকেটের টাকা খরচ করে আহলে হাদিস আন্দোলনের প্রসার কামনা করে। তাদের উদ্দেশ্যে মুমলমান মুসলমানে বিভেদ জিঁইয়ে রাখা, এতে তারা আজ বিশ্ব্যাপী সফল।
এরপর যায়, কওমীদের কাছে, বলে জামাতীদের আকিদা খুব মারাত্বক, এখনি যদি তাদের বিরুদ্ধে ওয়াজ মাহফিল, বই-কিতাব রচনা না করেন, তাহলে একাদিন আপনারাই নাই হয়ে যাবেন। এই নিন, আমরা ১ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছি, এগুলো দিয়ে ওয়াজ-মাহফিল, বই-কিতাব রচনা করুন। এই নিন তথ্য উপাত্ত, এগুলোকেই বই আকারে ছাপিয়ে দিন, সেখানেও তারা সফল। প্রতিটি কাজ তারা খুব খাঁটি মুসলমান পরিচয়ে করে থাকে।
জামায়াতের কাছে গিয়ে আবার জামায়াতকে বলে প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে ইসলাম প্রতিষ্ঠা এই যুগে সম্ভব না, তাই গনতন্ত্র চর্চা করেন, অমুসলিম শাখা খোলেন তাইলে বিশ্ব ব্যাপী আপনাদের স্বীকৃতি বাড়বে, রহন যোগ্যতা বাড়বে, ক্ষমতায় গিয়ে সব ঠিক করে নিবেন, এখন আপাতত শরীয়তের বিষয়ে কিছু ছাড় দিন, প্রাক মক্কী যুগে তো এমন ভাবেই দ্বীন প্রচার হয়ে ছিলো। ব্যাস, জামায়াতিরাও খুশি, পূজায় যায়, অমুসলিৃ শাখা খোলে।
ইহুদি জাতী সবচেয়ে বেশি সফলতা পেয়েছে সালাফি গ্রুপে। এখানে তারা ছোটকাল থেকেই মুসলিম পরিচয়ে, মুসলিম মাদ্রাসায় লেখাপড়া করে, মুসলিম ডিগ্রি নিয়ে, মুসলিম বুদ্ধিজীবি হিসাবে গড়ে উঠে বিভিন্ন মাসা'লা, আর ফেরকার ভিতরে মুসলিম জাতিকে এমনভাবে গোলকধাধায় ঢুকিয়ে দিয়েছে, যা আজ এক বিশ্বকোষ ডায়েরীতে রুপান্তরিত হয়েছে। আপনি মাদ্রাসা হতে বড় মুহাদ্দিস হয়েও তাদের সামনে টিকতে পারবেন না, তারা এতই জ্ঞানের অধিকারী। এরাই কিয়ামতের পূর্বে ইসলামকে চরম ফিতনার ভিতরে ফেলে দিবে।
যেমন মিশরের এই রকম এক সালাফির নাম ইয়াসির বারহামি। মিশরের নির্বাচিত মুসলিম রাষ্ট্রপতি মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে সিসির হাতকে শক্ত করেছিল এই সালাফি মোল্লা এবং ২৫ শতাংশ ভোট পড়েছিল এই মোল্লার পক্ষে। সেই মোল্লা এখন ফতোয়া দিয়েছে ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা জায়েজ না। কারণ ইসরাইলের সাথে চুক্তি রয়েছে। ইজরায়েলের চুক্তি ভঙ্গ করতে পারবেনা আর মিশরও ভঙ্গ করতে পারবেনা। বলেছিলাম না মুখে দাঁড়ি আর কালো মার্কা কপাল হলেই যে তাকে সমর্থন করতে হবে এরকম কথা নেই। সেটা এর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
ঠিক এমন কাজটিই করেছিলেন হোসাইন মাদানী।ল, ফরিদ উদ্দিন মাসুদ গংদের মত কিছু মোল্লা শেখ হাসিনার হাতেও ছিল, এখন তারা পালিয়ে রয়েছে। যেমন জান্নাতি মহিলা বলা কফিলউদ্দিন ১ জন আরো একজন রুহুল আমিন সহ হাজারো রুহুল আমিন বাংলার জমীনে কিলবিল করছে। মুসলমানদের পতন মুসলমানরাই করে ছাড়বে ফিতনার মাধ্যমে, আর সেই দিনটি সামনে,বেশি দূরে নয়।
আমি দিপামনির কখনো সুযোগ আসলে এগুলার পাঁছায় ডান্ডার বাড়ি মেরে মেরে তীরে ফলায় বসিয়ে নরকের দরজায় পৌঁছে দিতে এক মূহূর্ত দেরী করবো না।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ