4547715 ডা.বশির আহাম্মদ: নোবেল প্রাইজ শয়তানের সৃষ্টি! > expr:class='"loading" + data:blog.mobileClass'>

Wikipedia

সার্চ ফলাফল

শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫

নোবেল প্রাইজ শয়তানের সৃষ্টি!


 


 

জর্জ বার্নার্ড শ: নোবেল পুরস্কার থেকে ইসলামের প্রতি শ্রদ্ধা

বিখ্যাত আইরিশ চিন্তাবিদ ও সাহিত্যিক জর্জ বার্নার্ড শ একবার বলেছিলেন, "আমি ডিনামাইট আবিষ্কারের জন্য আলফ্রেড নোবেলকে ক্ষমা করতে পারি, কিন্তু নোবেল পুরস্কারের প্রবর্তনকারীকে ক্ষমা করতে পারি না। কারণ একমাত্র মানুষরূপী শয়তানই এমন পুরস্কার প্রবর্তন করতে পারে।"
সূত্র: ইন্টারনেট।

আজ থেকে ৮৭ বছর আগে, অর্থাৎ ১৯২৬ সালের এই দিনে, শ এই বক্তব্য দিয়েছিলেন নোবেল পুরস্কারের অর্থ গ্রহণ না করার পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করতে।

সুইডিশ রসায়ন বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেল ডিনামাইট আবিষ্কারের পর ‘মৃত্যুর সওদাগর’ হিসেবে নিন্দিত হওয়ায় নোবেল পুরস্কারের ব্যবস্থা করেন। কিন্তু পুরস্কার চালু হওয়ার কিছু বছর না যেতেই এটি রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার হতে শুরু করে। পাশ্চাত্য ক্ষমতাসীনরা পুরস্কারকে আধিপত্য, বিভেদ, শোষণ ও হত্যাযজ্ঞকে স্বীকৃতি দেয়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করেন।

এই প্রেক্ষাপটে স্পষ্টভাষী সাহিত্যিক ও চিন্তাবিদ জর্জ বার্নার্ড শ (১৮৫৬-১৯৫০) নোবেল পুরস্কারের তীব্র সমালোচনা করতে বাধ্য হন।

শ তার ধর্মপ্রতি দৃষ্টিভঙ্গি এবং বিশ্বনবী মুহাম্মাদ (সা.) সম্পর্কে গভীর শ্রদ্ধাবোধের জন্যও খ্যাতি অর্জন করেছেন। তিনি ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে, আগামী একশ বছরের মধ্যে যদি কোনো ধর্ম ব্রিটেন বা পুরো ইউরোপের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারে, তা হবে ইসলাম।

শ বলেন, "আমি মুহাম্মাদ (সা.) এর ধর্মকে সবসময়ই গভীর শ্রদ্ধার চোখে দেখি, কারণ এতে রয়েছে বিস্ময়কর গতিশীলতা। এটি একমাত্র ধর্ম, যা পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম। এই ক্ষমতার কারণে ইসলাম প্রত্যেক যুগে মানুষকে আকৃষ্ট করতে পারে।"

তিনি আরও মন্তব্য করেন, "আমি মুহাম্মাদ (সা.) কে অধ্যয়ন করেছি। তিনি ছিলেন একজন অসাধারণ মানুষ। আমার মতে খ্রিস্ট বা ঈসা (আ.) তাঁর তুলনায় কোনভাবেই প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেননি। মুহাম্মাদ (সা.) মানবতার ত্রাণকর্তা হিসাবে বিবেচিত হওয়া উচিত।"

শ শেষ করেন এই পূর্বাভাস দিয়ে, "আমি ভবিষ্যদ্বাণী করছি, ইসলাম আগামী দিনে ইউরোপে গৃহীত হবে, এবং ইতিমধ্যেই মানুষ এই ধর্মকে গ্রহণের পথে এগোচ্ছে।"

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ

ব্যাফোমেট, কুফুরী বিদ্যা ও ইলুমিনাতির আদ্যোপান্ত

  মানবজাতির ইতিহাসের সূচনা হয়েছে হযরত আদম (আ.)-এর মাধ্যমে। আল্লাহ তায়ালা তাঁকে সৃষ্টি করার পর ফেরেশতাদের সঙ্গে তাঁর শ্রেষ্ঠত্বের ঘোষণা দেন এ...