4547715 ডা.বশির আহাম্মদ: বাংলাদেশ–তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা: ভারতের দালাল–ন্যারেটিভ ভেঙে পড়ছে > expr:class='"loading" + data:blog.mobileClass'>

Wikipedia

সার্চ ফলাফল

বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫

বাংলাদেশ–তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা: ভারতের দালাল–ন্যারেটিভ ভেঙে পড়ছে

 


দীপা মনির পেজ থেকে:

বাংলাদেশ আজ আর সেই ৮০–৯০ দশকের দেশ নয়, যে হুমকি দেখালে মাথা নিচু করবে। ভূরাজনীতির বাস্তবতা বদলেছে, শক্তির মানচিত্র বদলেছে, আর বাংলাদেশের নিরাপত্তা অগ্রাধিকারও বদলেছে। এই পরিবর্তনের সবচেয়ে স্পষ্ট প্রতিচ্ছবি—বাংলাদেশ–তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতার দ্রুত সম্প্রসারণ।

তুরস্ক এখন বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ—এটি কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং বাংলাদেশের কৌশলগত স্বাধীনতার ঘোষণা। আধুনিক ড্রোন, সাঁজোয়া যান, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ প্রযুক্তি—এসব শুধু সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে না; বরং একটি বার্তাই দিচ্ছে:

বাংলাদেশ নিজের নিরাপত্তা নিজেই সংজ্ঞায়িত করবে।

কিন্তু এখানেই সমস্যা “ভারতীয় দালাল–ন্যারেটিভ” ধারা রাজনীতির। এরা চায় বাংলাদেশ যেন চিরকাল একতরফা নির্ভরশীল থাকে। যখনই বাংলাদেশ কোনো বিকল্প কৌশলগত অংশীদার বেছে নেয়—তখনই শুরু হয় ভয় দেখানো, অপপ্রচার, আর তথাকথিত স্থিতিশীলতার নাটক।

বাস্তবতা হচ্ছে—

বাংলাদেশের সামরিক আধুনিকীকরণ কাউকে ভয় দেখানোর জন্য নয়, বরং জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য।

তুরস্ক বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নয়, বরং বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে— প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতায়।

এদিকে ভারতের কিছু কৌশলগত মহল ও তাদের স্থানীয় দালালরা—

► “বিপদ হবে”,

► “সম্পর্ক নষ্ট হবে”,

► “বাংলাদেশ ভুল করছে”—

এরকম ভয়ভীতির ন্যারেটিভ ছড়িয়ে প্রভাব বজায় রাখতে চায়।

কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ এখন আরও পরিণত।

তারা বুঝে—

যে দেশ নিজের আত্মরক্ষার প্রযুক্তি উন্নত করে, সেই দেশই শক্তিশালী হয়।

আর যে দেশ অন্যের ভয় দেখানোতে নীতি বদলায়—সেই দেশ টিকে থাকতে পারে না।

তুরস্কের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক বাড়ানো মানে ভারতবিরোধী অবস্থান নয়—

বরং একটি স্পষ্ট বার্তা:

বাংলাদেশ কারও দাসত্বে নয়; নিজের অবস্থান নিজেই ঠিক করবে।

ভারতীয় দালাল–ন্যারেটিভ যতই চিৎকার করুক—

বাংলাদেশের কৌশলগত গতিপথ থামবে না।

এই দেশ তার ভবিষ্যৎ নিজেই লিখবে, নিজের শক্তি দিয়ে, নিজের মর্যাদায়।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ

ব্যাফোমেট, কুফুরী বিদ্যা ও ইলুমিনাতির আদ্যোপান্ত

  মানবজাতির ইতিহাসের সূচনা হয়েছে হযরত আদম (আ.)-এর মাধ্যমে। আল্লাহ তায়ালা তাঁকে সৃষ্টি করার পর ফেরেশতাদের সঙ্গে তাঁর শ্রেষ্ঠত্বের ঘোষণা দেন এ...