4547715 ডা.বশির আহাম্মদ: আমি কেনো জামায়াতের সমালোচনা করি? > expr:class='"loading" + data:blog.mobileClass'>

Wikipedia

সার্চ ফলাফল

শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫

আমি কেনো জামায়াতের সমালোচনা করি?

 



এক ভাই মন্তব্য করেছেন— “মাওলানা মওদূদী সম্পর্কে এত তথ্যভিত্তিক লিখেন, আবার জামায়াতকে সমালোচনা করেন— বিষয়টা কী?”

এর উত্তরে আমার অবস্থান খুবই স্পষ্ট:

মাওলানা মওদূদী (রাহ.) সম্পর্কে যদি কেউ মিথ্যা বলে, একজন মুসলমান হিসেবে আমি কি চুপ থাকব? সত্য তুলে ধরা কি জামায়াতের সমালোচনার অধিকার কেড়ে নেয়? একজন আলেম বা মুজাদ্দেদকে সম্মান করা আর কোনো দলের অন্ধ আনুগত্য করা—এই দুটি বিষয় সম্পূর্ণ আলাদা।

আমি যা দেখি, তা-ই লিখি—যা জামায়াতের পক্ষে যাবে, তা ভালো লাগতেই পারে;কিন্তু সংশোধনের জায়গায় সমালোচনা করলে যদি কেউ শত্রু ভেবে নেয়, তবে আমার লেখা না পড়াই তাদের জন্য ভালো।

একজন শিক্ষক যেমন প্রয়োজন হলে বকেন, আবার পরীক্ষায় পাশ করাতেও প্রাণপণ চেষ্টা করেন—সত্যিকারের উপকার সেখানেই। কিন্তু দু:খজনকভাবে জামায়াতের বড় অংশ এটি বুঝতে চায় না। দল ও নেতার প্রতি এমন অন্ধ আনুগত্য দেখে মনে হয় যেন “দলপূজা”ই ইবাদত হয়ে গেছে।

আমি জানি—ইসলামী আন্দোলনের বিরোধিতা আল্লাহর সাথে যুদ্ধের শামিল।


কিন্তু বাস্তবতা হলো; জামায়াত যেসব কাজে জড়াচ্ছে—উৎসব-পূজায় অংশগ্রহণ, শরীয়াহ আইন বাস্তবায়নের দাবি থেকে সরে আসা, বিবিসিকে দেওয়া ডা. তাহেরের বক্তব্য, সংবিধানে “ইসলামী রাষ্ট্র” এর স্থলে “কল্যাণ রাষ্ট্র” যোগ করা—এসবই তাদেরকে ধীরে ধীরে সেক্যুলার রাজনৈতিক দলে পরিণত করেছে।

আমি যেই জামায়াতের হাতে শহীদদের রক্তের লেখা যে দল দেখেছিলাম, সেই আদর্শের দলটি আজ আর সেই জায়গায় নেই।

এদিকে আবার দলীয় কিছু “মুফতি” বলছেন—
ইসলামী ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট করা ফরজ!
কিন্তু ইসলামী ব্যাংকও যে সুদী ব্যাংকিং কাঠামো থেকে পুরোপুরি মুক্ত না—এ সত্য তারা মানতেই চান না।
জামায়াতের বহু প্রতিষ্ঠান সরাসরি সুদের সাথে যুক্ত—তালিকাসহ প্রমাণ দেওয়া সম্ভব।
হারামকে হারাম বলা কি অপরাধ?

আরেকদিকে, মওদূদী (রাহ.)—যিনি বিংশ শতাব্দীর অন্যতম মুজাদ্দেদ—তাকে নিয়ে যখন ভিত্তিহীন অপবাদ ছড়ানো হয়, তখন আমি প্রতিবাদ করবই। নইলে কাল হাশরের ময়দানে কী জবাব দেব?

কিন্তু মাওদূদীকে সম্মান করার মানে এই নয় যে আমি অন্ধ দলীয়তা মেনে নেব।
জামায়াতের আজব-বিবেচনাহীন বক্তব্যগুলো—

  • আমীর জিন্দা ওলী,

  • চন্দ্রিমায় সমাবেশে ফেরেশতা নেমে এসেছিলেন,

  • করোনা আসলে কোরআন মিথ্যা হয়ে যাবে,

এসব কী ইসলামী আন্দোলনের ভাষা? নাকি চরমোনাই পীরের কারিশমা?

সবশেষে আমার কথা একটাই—
মওদূদী (রাহ.)-এর বিশুদ্ধ আদর্শ আর আজকের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী—এক জিনিস নয়।
সুতরাং, সত্য বলবই; অন্ধ দলপূজায় শামিল হওয়ার প্রশ্নই আসে না।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ

ব্যাফোমেট, কুফুরী বিদ্যা ও ইলুমিনাতির আদ্যোপান্ত

  মানবজাতির ইতিহাসের সূচনা হয়েছে হযরত আদম (আ.)-এর মাধ্যমে। আল্লাহ তায়ালা তাঁকে সৃষ্টি করার পর ফেরেশতাদের সঙ্গে তাঁর শ্রেষ্ঠত্বের ঘোষণা দেন এ...