4547715 ডা.বশির আহাম্মদ: ছাত্রলীগ হলেই মিথ্যা অপবাদ দেওয়ার অধিকার কারো নাই" > expr:class='"loading" + data:blog.mobileClass'>

Wikipedia

সার্চ ফলাফল

শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

ছাত্রলীগ হলেই মিথ্যা অপবাদ দেওয়ার অধিকার কারো নাই"

 "ছাত্রলীগ হলেই মিথ্যা অপবাদ দেওয়ার অধিকারো নাই"





জঙ্গী সম্পৃক্তা ও ফ্যাসীবাদের সহযোগীতার দায়ে হাসিনার ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগকে সরকার নিষিদ্ধ করেছে, এখন তারা নিষিদ্ধ এবং সরকার ও জনগনের নিকট দোষী। তাদের অপরাধের প্রশ্রয় দাতা আওয়ামিলীগকে ছাত্র জনতা হাসিনাকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছে। এটাই তাদের প্রাপ্য ছিলো।

যে মেয়েকে ছাত্রলীগের ২০-২৫ জন ৪ আগস্ট ধর্ষণ করেছে বলেছে ছড়াইয়া পড়ছে, সেই মেয়েকে বারবার বলেও কোন মামলা করানো যায়নি। বলেছে চিনি না কাউকে। 

শেষে অফার করা হয়, যে আপনি মামলা না করলেও বৈষম্য বিরোধীদের কেউ আপনার হয়ে মামলা করুক। রাজি হয় নাই!!

নারায়নগঞ্জের এসপির সাথে কথা বলাতে চাওয়া হয়েছে, সে কোনভাবেই পুলিশকে ফেস করতে রাজী হয়নাই। দেখাও করে নাই। 

এক পর্যায়ে সে ঢাকা এসে দাবি করে ঢাবিতে কোনভাবে তাকে ঢুকাইয়া দেওয়া যায় কি না। চিন্তা করেন!!কিজঘন্য!!!

এরপর সে দাবি করে শুধু ৪ আগস্ট না, ১০ আগস্টেও তাকে উবার বা পাঠাও এর কোন এক ড্রাইভার যাত্রাবাড়িতে রেপ করেছে। 

আবারও আইনি পথে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করানো হয়, অথচ সেবারও সে দাবি করে সেই ড্রাইভারকে সে চিনতে পারবে না। তাই কোন আইনি পথে যাবে না। 

তখন বলা হলো যে, উবারে গেলে তো অ্যাপে হিস্ট্রি থাকবে, ড্রাইভারের নাম ফোন নাম্বার থাকবে, ঐটা দেন। 

তখন মেয়েটা দাবি করে সে উবারে যায় নাই। সে রাস্তা থেকে বাইকে করে গেছে। বাইক ওয়ালার নাম্বার তার কাছে নাই!!

এরপর আজ এসে সে প্রকাশ্যে দাবি করলো, সে নাকি কোন হেল্প পায় নাই। অথচ হেল্প সে নিজেই করে নাই।

২৬ তারিখে নাকি নতুন রাজনৈতিক দল ঘোষণা হইতে যাইতেছে।

অথচ আজকেই এই নোংরা খেলাটা খেলা হলো। সারা নিউজফিড ভরে গেল এই লেভেলের একটা ফাতরামী নিউজে। 

বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দুইটা দলের সমস্ত প্ল্যাটফর্ম আর এক্টিভিস্টরা এইটা সার্কুলেট করলো সারাদিন। 

বুঝতে পারতেছেন কিছু?

নোংরামিটা ঠিক কোন জায়গাতে হইতেছে? 

যাতে ছাত্র জনতার নেতৃত্বে তৃতীয় শক্তি না আসতে পারে, তার জন্য ঠিক কতটা নোংরা ষড়যন্ত্র করা হইলো আজকে? 

এই মেয়েকে পুলিশ কাস্টডিতে নেন। ঠিক কোথায় কোন কোন তারিখে সে ধর্ষণের স্বীকার হয়েছে, সেইটা তার বলতে হবে। 

যদি না পারে তাহলে তাকে এই নোংরা, জঘন্য নাটকের জন্য অবশ্যই প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। 

এদের জন্যই আমার অন্য কোন বোন ধর্ষণের স্বীকার হলেও ভবিষ্যতে গুরুত্ব পাবে না, অনেকেই আবার নাটক মনে করবে। 

ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ,  তাই বলে ছাত্রলীগের ঘাড়ে নিজে ধর্ষন হওয়ার মত অপরাধ চাপিয়ে দিতে হবে?

ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ নিয়ে এই নোংরামি করতে একটা মেয়ে হয়ে একটু বাধলো না কেনো?

কখনোই কোনো সংগঠন ও ব্যক্তির বিরোদ্ধে মিথ্যা প্রপাগান্ডা করা ভালো না, তাও আবার নিজের চরিত্র ন ছাত্র লীগের বিরোদ্ধে হোক আর ফেরাউনে বিরোদধ

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ

বাউল নামের ফাউল আর আইয়্যেমে জাহেলিয়াতের কবিদের পরিত্যাজ্য

  ইদানীং বাউলদের ফাউল আচরন আর সৃষ্টি কর্তার সাথে বেয়াদবীর সীমা অতিক্রম করেছে। আগের যুগে আইয়্যেমে জাহেলিয়াতের কবিরা যেরকম আচরন করত সেরকম আচরন...