4547715 ডা.বশির আহাম্মদ: নাস্তিকতার পোস্টমর্টেম > expr:class='"loading" + data:blog.mobileClass'>

Wikipedia

সার্চ ফলাফল

মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪

নাস্তিকতার পোস্টমর্টেম

নাস্তিকতার ক্রমধারা



আমি ইলুমিনাতি নিয়ে লিখা হতে অনেকেই প্রশ্ন করেন যে, যারা ধর্ম পালন করে তারা কেনো ইলুমিনাতির এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবে,  নাস্তিকদের সাথে আস্তিকদের কি সম্পর্ক এবং জেনে বুঝে কি কেউ শয়তানের পূজা করে? এ বিষয়ে আপনি বুঝতে হলে অনেক পড়াশোনা করা লাগবে, তবে বেসিক অংশ জানতে হলে নাস্তিকতার ক্রমধারা বুঝলে আপনার বাকী বিষয় গুলো বুঝতে সহজ হবে। 

এই নাস্তিকতা বা আল্লাহ দ্রোহিতা ও ইলুমিমাতি মানব সৃষ্টির শুরু হতেই ছিলো আর এখনও আছে। আলো আর অন্ধকার যেমন আছে,  তেমনি আস্তিকতার পাশাপাশি নাস্তিকতাও আছেই।

একবারও কি হাবিল-কাবিলের ঘটনা চিন্তা করেছেন যে একজনকে বিয়ের জন্য হাবিল যেখানে হকদার ছিলো সেখানে কাবিল লোভের বসর্বতী হয়ে ঐ একই নারীকে পাওয়ার জন্য হাবিলকে মেরে ফেলল। কাবিল হাবিলকে হত্যার পর কি করবে যখন বুঝতে পারছিলো না, ভয়ে ভীত সন্ত্রস্ত  তখন একটি কাক এসে তার সামনে একটি বস্তু মাটিতে গর্ত করে পুঁতে রাখলো, তখন কাবিলও এটা দেখে বুঝতে পারলো হাবিলের মরদেহ মাটিতে পুঁতে দিতে হবে।

এখন প্রশ্ন হলো হাবিল যখন বিপদে ছিলো তখন কাক এসে কেনো কাবিলের সামনেই বস্তু মাটিতে পুঁতার কাজটি করলো?

কাক তো অবুঝ প্রানী, সে তো আর হাবিলের সমস্যার কথা বুঝার কথা না, আর বুঝলেও কাকের কি ঠেকা পরলো কাবিলকে এই সহযোগীতার?

কাবিল যখন বিপদে তখন কাক এই কাজটি কেনইবা করতে গেলো?

নাকি কাক বুঝে শোনে এই কাজ করেছে?

নাকি কাককে পেছন হতে কেউ কাবিলকে সহযোগীতার জন্য পাঠালো?

আবার দেখেন ইবলিশ শয়তান আল্লাহর কাছে শপথ করে বলেছেন যে সে মানুষকে পথ ভ্রষ্ট করেই ছাড়বে, তাইলে ও কি কি উপায়ে পথ ভ্রষ্ট করবে? তা কিন্তু বলে নি।

পৃথিবীর মানুষদের মধ্যে সর্ব প্রথম কাবিল পথ ভ্রষ্ট হয়েছে নারীর লোভেই।পথ ভ্রষ্ট হওয়ার আর কোন উপায় ছিলো না?

কাবিল পরবর্তীতে আল্লাহর নিকট কি মাফ চাইছিলো? আল্লাহ কি মাফ করে নি? না কি কাবিল ইচ্ছা করেই মাফ চায় নি? 

কাবিল কি নিজেই তার অবাধ্যতা জেনে-বুঝে করে যাচ্ছিলো? এতে তার লাভই বা কি?

আবার চিন্তা করুন নাস্তিকদের তো কাজ হওয়ার কথা ছিলো তারা সৃষ্টি কর্তার অস্তিত্বে বিশ্বাস করবে না, তাইলে তারা তাদের বিশ্বাস নিয়ে নিজেদের মত থাকার কথা, কিন্তু না, তারা এমন নয়, তাদের কাজই হলো ধর্ম গুলোকে নিয়ে টানা হিঁচড়া করা, ধর্মের বিরোধিতা করা। কিন্তু নাস্তিকরাতো এটা করার কথা না, তাইলে কেনো করে?

নাস্তিকরা ট্রান্সজেন্ডার,  সমকামিতা ইত্যাদি নিয়ে নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার কথা, তারা কেনো সুদ, নগ্নতা, মাদক, ট্রান্সজেন্ডার ও সমকামিতা সমাজে ছড়ায়?

ওরা ধর্ম মানেনা,, না মানুক, স্রষ্টার অস্তিত্ব স্বীকার করে না, না করুক, কিন্তু সমাজে ধর্মকে নিয়ে কটাক্ষ করে কেনো?

আপাতত এই প্রশ্ন গুলো মাথায় রাখুন,আরো প্রশ্ন আসবে, পরবর্তী পর্ব গুলোতে পর্যায় ক্রমে আরো প্রশ্ন আসবে এবং প্রশ্নের জট গুলো খুলে দেব ইনশাআল্লাহ। 

গুপ্ত সংঘ,এলজিবিটিকিউ, নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার বর্তমানে কারা চালায়?
গুপ্ত সংঘ গুলো বর্তমানে কারা চালায়? এলজিবিটিকিউ এর জন্য এত এত টাকা কারা কোন স্বার্থে স্পন্সর করে,কোথায় পায় এত টাকা? নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার প্রকল্প বর্তমান বিশ্বের কোন নির্দ্দিষ্ট ব্যক্তি গুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে? তাদের নাম কি এবং এতে কি স্বার্থ আছে?

গুপ্ত ও নিষিদ্ধ সংগঠন ও নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার এর জ্ঞান পিপাসু ছাত্র হিসাবে যতটুকু জ্ঞান অর্জন করেছি তাতে করে আমি নির্দিষ্ট করেই বলে দিতে পারি যে বর্তমান বিশ্বে কে বা কারা কিভাবে এই কাজ গুলোর সাথে জড়িত। কিন্তু আমি সরাসরি এই গুলো বললে বেশীর ভাগ লোকই বিশ্বাস করবে না অথবা বিশ্বাস করতে কষ্ট হবে অথবা যারা বিশ্বাস করবে তারা দ্বিধায় ভোগবে। তাই এই বিষয়টি ক্রমান্বয়ে বর্নানা করছি, দয়া করে ধৈর্য্য ধরে পড়বেন, আশা করি সময় অপচয় হবে না।

নিশ্চয়ই আপনারা জানেন যে হযরত আদম আ:, মানব জাতির আদি পিতা, তাঁকে সৃষ্টির পর তার শ্রেষ্ঠত্ব প্রমানের জন্য আল্লাহ তা'লা তাঁকে দুনিয়ার অনেক কিছুর নাম শিখিয়ে ছিলেন, সাথে উপস্থিত জ্বীন ও ফেরেশতাদেরকেও শিখিয়েছিলেন, পরে তাদের হতে পরীক্ষা নিলে কেউই সব কিছুর নাম পরের বার বলতে পারে নি, শুধু আদম আ: বলতে পেরেছিলো, তাই আদম আ: কে সিজদা করার জন্য সবাইকে আদেশ করলে সবাই আল্লাহর আদেশ পালন করলেও শয়তান তা অমান্য করে বিদ্রোহ করে বসে এবং যার ফলে শয়তান লা'নত প্রাপ্ত হয়। শয়তান লা'নত প্রাপ্ত হয়ে সে ঘোষনা করে মানব জাতিকে পথ ভ্রষ্ট করে ছাড়বেই এবং আল্লাহর হুকুমের উল্টোটা করাতে মানুষকে বাধ্য করাবে।

এবার আসুন শয়তান মানুষকে দিয়ে কিভাবে আল্লাহর হুকুম অমান্য করায়? শয়তান বিদ্রোহী হয়েছে আল্লাহর হুকুম অমান্য করে,মানুষকেও খোদা দ্রোহী করায় আল্লাহর হুকুম অমান্য করিয়ে।

আল্লাহর হুকুম হলো তোমরা সুদ খাবে না, নগ্নতায় জড়াবে না, সমকামীতা করবে না,দাজ্জালে অনুগামী হবে না, আল্লাহর বিধানের বাহির গিয়ে নিজেদের তৈরী আইন মত ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় কোন স্থানেই শরীয়ত অমান্য করবে না। এটাই আল্লাহর হুকুম। আর আল্লাহর এই হুকুম গুলো মানুষ দ্বারা অমান্য করানোই হলো শয়তানের৷ মূল কাজ।

এখন একবার ভাবুন তো দেখি যদি শয়তান দুনিয়ার সবচেয়ে খারাপ মানুষকেও নিজে স্বশরীরে এসে পরিচয় দিয়ে বলে "আমার হুকুম মেনে আল্লাহর হুকুমের দ্রেহীতা করো" তাইলে তোমাকে সারা পৃথিবীর ধন সম্পদ দিয়ে দেবো তাইলেও কি কোনো অপরাধী মানুষও শয়তানের কথা শোনবে? শোনবে না। তাই শয়তানও নিজে কোনো কাজ না করিয়ে মানব জাতির মধ্যে তার প্রতিনিধি তৈরী করে তাদের মাধ্যমেই এই শয়তান তার এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে থাকে, আর যে সংগঠন গুলোর মাধ্যমে এই আল্লাহ দ্রোহী মানুষ নামক অমানুষ গুলোকে শয়তান সংগঠিত করে খোদা দ্রোহী কাজ গুলো বাস্তবায়ন করে সে সংগঠন গুলোই গুপ্ত সংগঠন। 

আল্লাহ মানব জাতিকে তাঁর দেখানো পথ যেন ভুলে না যায়, মানুষ যেনো পথ ভ্রষ্ট না হয় সে জন্য যুগে যুগে নবী ও রাসুল প্রেরন করে মানুষকে পথ দেখিয়েছেন আর এটাকে বলে নব্যুয়তের ক্রম ধারা।

একবার কি কেউ চিন্তা করেছেন যে, কাবিল যখন প্রথম মানুষ হিসাবে পথ ভ্রষ্ট হয়ে আল্লাহর নাফরমানী করে ছিলো তার পর কি সে তাওবা করেছিলো? সে তাওবাহ করলে অবশ্যই আসমানী কিতাব সমূহে তার তাওবাহর কথা থাকার কথা ছিলো, কিন্তু সেই রেফারেন্সও পাওয়া যায় না। সে তো পথ ভ্রষ্ট হয়েই মারা গেছিলো।

যাকগে, যদি কাবিল তাওবা না করে থাকে তাইলে সে নিশ্চিত নাফরমান। এই কাবিল তো বিয়ে করেছে, সংসার করেছে নিশ্চয়ই, সন্তাতানও জন্ম দিয়েছিলো, একটা সমাজ ব্যবস্থা ছিলো নিশ্চয়ই যার বিষয়ে আমরা অবগত না। এবার চিন্তা করুন ঐ কাবিলের বংশধর বা রক্ত ধারাটা কোথায়? এদের পরবর্তী জেনারেশন কারা। কোন দেশে তারা বসবাস করে? এই পথ ভ্রষ্ট কাবিলের রক্ত স্রোতের নাফরমানী কারীদের অনেকেই হয়ত দ্বীনের দাওয়াত পেয়ে দ্বীনে ফিরেছে ঠিকই কিন্তু তাদের একটা বড় অংশ তো নাফরমান হয়ত রয়েই গেছে যারা যুগে যুগে নবী-রাসূল ও সত্যের বিরোধীতা করেছে।

আমরা যেমন ঐশী নীতি অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করি ঠিক তেমনই কাবিলের অনুসারীরাও তো কোন না কোন নীতি অনুসরন করে চলে, ঐটা কার নীতি অনুসরন করে চলে? ওটাই শয়তানের নীতি।

শয়তান শুধু আদম আ: কে আল্লাহর হুকুম মতো সিজদাহ না করে লা'নত প্রাপ্ত হয়ে বসে থাকে নি, বরং সেই ইবলিশ এই মর্মে চ্যালেঞ্জ করে ঘোষনা দিয়েছে যে মানুষকে সে পথ ভ্রষ্ট করবেই এবং মানুষকে আল্লাহ দ্রোহী করে তুলবে। আর শয়তানের প্রথম সফল স্বীকার কাবিল। কাবিলের রক্ত স্রোতকে সহজেই ইবলিশ পথ ভ্রষ্ট করতে পারে এবং এদের মাধ্যমেই শয়তান তার কাজ মানব সমাজে চালিয়ে যায়।


শয়তান তার বিদ্রোহের কাজ যে পদ্ধতিতে চালিয়ে যায় তাকে বলে ইলুমিনাতি।  পৃথিবীতে যত অপকর্ম ও আল্লাহ দ্রোহীতার কাজ যুগে যুগে হয়েছে এবং হচ্ছে এই সবই ইলুমিনাতির মাধ্যমে হয়ে থাকে। ইলুমিনাতির কাজটা এভাবে হয় যে, শয়তান সকল মানুষের মনেই কুমন্ত্রণা দেয়, তার পর সে সে কুমন্ত্রণায় সকল মানুষের মন বিকারগ্রস্ত হয় না, যাদের রক্ত স্রোতে ঐ কাবিল বংশের রক্ত স্রোতের প্রভাব বেশী তারাই সহজে পথ ভ্রষ্ট হয়। তার পর এই পথ ভ্রষ্ট লোকদের মাধ্যমেই শয়তান তার কাজ চালিয়ে যায়। 

এই আমেরিকার ধর্ম বিরোধী RAND কর্পোরেশন ও অন্যান্য ধর্ম বিধ্বংসী যত সংস্থা আছে সেগুলো হলো কাবিলের রক্ত ধারা বহনকারী নাস্তিক ও শয়তানের পূজারী,  এগুল আল্লাহ দ্রোহীরা চালায়।

নাস্তিকরা আল্লাহকে বিশ্বাস করে না, এতটুকুতেই তারা সীমাবদ্ধ থাকার কথা, কিন্তু তারা ধর্ম গুলোর বিরুদ্ধে সারাক্ষন ষড়যন্ত্র করার কারন কি? কারন একটাই তাদের গুরু ইবলিশের সাজেশন মত অন্যান্য মানুষকে খোদাদ্রোহী হিসাবে গড়ে তোলা।

আপনারা জানেন বর্তমানে একটা বড় ইস্যু হলো ট্রান্স জেন্ডার ইস্যু। বাংলাদেশে এটিকে এস্টাবলিশমেন্টের জন্য আমেরিকার RAND করপোরেশন ১০ বিলিয়ন ডলার গোপন বাজেট দিয়েছে। আমার কথা হলো ওরা যারা সমকামী তারা নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত থাকলেই তো পারে, কিন্তু এটা না করে একে ছড়ানোর জন্য টাকা খরচ করার মানে কি?এই টাকা কোথায় হতে আসে? এত টাকা কারা কার স্বার্থে কেনো খরচ করে? টাকাক কি তিতা জিনিস?

ওদেরকে যদি এই প্রশ্ন করি, তাইলে RAND রা বলে এরা নাকি মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য করে। বাংলাদেশের সমাকামীর সংখ্যা শতকরা ১% এরও কম, আর শিশু পুষ্টিহীনতায় ভোগার পরিমান ২০% এর বেশী। আফ্রিকার মতো গরিব দেশ গুলাতে এই পুষ্টিহীনতার পরিমান ৫০% এর বেশী। তাদের ওই অসহায় মানুষ গুলোর জন্য বা এদের খাদ্যের অধিকারের জন্য RAND রা কোন টাকা খরচ করে না, কিন্তু সমকামীতার মত কুরুচিপূর্ণ মানুষ গুলার অধিকারের জন্য টাকা খরচ করে, এতে কি বুঝা যায় না যে ওদের আসল কাজ আল্লাহ দ্রোহীতাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য শ্রম দেওয়া?

এটাই হলো নাস্তিকদের ক্রমধারা।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ

বাউল নামের ফাউল আর আইয়্যেমে জাহেলিয়াতের কবিদের পরিত্যাজ্য

  ইদানীং বাউলদের ফাউল আচরন আর সৃষ্টি কর্তার সাথে বেয়াদবীর সীমা অতিক্রম করেছে। আগের যুগে আইয়্যেমে জাহেলিয়াতের কবিরা যেরকম আচরন করত সেরকম আচরন...