আমার মসজিদের সভাপতি আমাকে বললেন যে, আগামীকাল ফজরের নামাজের পর আমার ছেলের জন্য একটু দোয়া করবেন, আমার ছেলে যেনো ভালো একটি চাকরি পায়।
আমি বললাম ইনশাআল্লাহ, ঠিক আছে।
ফজরের পর আমি এইভাবে দোয়া করলাম যে, "হে আল্লাহ! আমার মসজিদের সভাপতির ছেলে যেনো ভালো একটি চাকরি পায়। কিন্তু বেতন যেন আমার মতো হয়..........!"
মসজিদের সভাপতি এই দোয়া শুনে সাংঘাতিক রেগে গেলেন এবং দোয়া শেষে আমাকে বললেন যে, এতো কম টাকার বেতনে চাকরী করে আমার ছেলের পক্ষে সংসার চালানো অসম্ভব,আপনি এইটা কি দোয়া করলেন?।
তখন আমি বললাম: জনাব সভাপতি সাহেব😏আমিও রক্তে মাংসে গড়া এই সমাজের একজন মানুষ।
তাহলে আমার সংসার চালানো কতো কষ্টকর হচ্ছে একথা আপনি সভাপতি ও মসজিদ কমিটির লোকেরা কেন বুঝতে পারছেন না?
(যাস্ট সমাজের বাস্তবতা বুঝানোর জন্য এ উদাহরণটা পেশ করলাম ৷ কেউ আবার পোস্টের পিছনে আঙুল ঢুকানোর চেষ্টা করবেন না)
:
একটু ভাববেন:
সমাজের সকল সেক্টরের তুলনায় আমাদের বেতন অনেক অনেক অল্প ৷ আলহামদুলিল্লাহ, তবে তাতে বরকত অনেক বেশি ৷
এই অল্প বেতনেও তুষ্ট থাকি বলেই আমরা সুদ, ঘুষসহ অবৈধভাবে জনগনের বিভিন্ন হক চুরি করি না ৷ গাড়িতে হাফ ভাড়া নিয়ে কন্ট্রাকটরের সাথে বিতর্ক করি না৷ প্রেম পরকিয়া পুকুরচুরিসহ হাজারো সমস্যায় লিপ্ত হই না ৷
আমাদের খাওয়া দাওয়া পরিধেয় বস্ত্র অন্য দশজনের চেয়ে আলাদা ৷ স্ত্রী সন্তানাদী মা-বাবা পরিবার পরিজনকে সাথে নিয়ে থাকি ৷
কাউকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠাই না ৷ আমরা তো আমরাই ৷ আলহামদুলিল্লাহি আলা কুল্লি হাল ৷
(পোস্টটি ফেইসবুক থেকে সংগৃহীত ও ঈষৎ পরিবর্তিত)
.jpeg)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ