4547715 ডা.বশির আহাম্মদ: মাদখালি ও মুসলমানদের মধ্যে আকীদাগত পার্থক্য > expr:class='"loading" + data:blog.mobileClass'>

Wikipedia

সার্চ ফলাফল

মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪

মাদখালি ও মুসলমানদের মধ্যে আকীদাগত পার্থক্য

 মুসলমান ও মাদখালীদের আকীদার সুস্পষ্ট পার্থক্য সমূহ


১. মাদখলিরা কালেমা তাইয়্যেবা অস্বীকার করে:
সারা পৃথিবীর মানুষ কালিমার মধ্যে আল্লাহ ও মুহাম্মদকে এক করে আল্লাহ ও মুহাম্মদকে দুই ভাই বানিয়ে ফেলেছে।(তথ্যসূত্র-ইসলামের মূলমন্ত্র কালিমা তয়্যেবাহ লাইলাহা ইল্লাল্লাহ, পৃষ্ঠা-৯, লেখক-আব্দুল্লাহ ফারুক বিন আব্দুর রহমান)।

★মুসলমানেরা কালেমা তাইয়েবা পবিত্র ও শাহাদা বাক্য মনে করে                                                                                               

২. মাদখলিরা শাহাদা বাক্যকে অপবিত্র মনে করে:
লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ এটা কোন পবিত্র বাক্য নয়।(কালিমার মর্মকথা, পৃষ্ঠা-৩১৮, লেখক আকরামুজ্জান বিন আব্দুস সালাম)। 

★মুসলমানেরা এই বাক্যকে পবিত্র মনে করে।                            

 ৩. মাদখালিরা মুসলমানদের ইহুদি মনে করে, বিশেষ করে হানাফি মাযহাবকে:
হানাফী ইহুদীদের অভ্যাস হল তারা কুরআনের মাঝে কম-বেশি করে কুরআনের হুকুম অস্বীকার করে। (মাসায়েলে গাইরে মুকল্লিদীন, পৃষ্ঠা-৪৭, লেখক-মাওলানা আবুবকর গাজিপুরী)। 

★মুসলমানেরা সকল মাযহাবের মুমিনদের সমান চোখে দেখে।

৪. মাদখালিরা নবীদের কবর জিয়ারত হারাম মনে করে:
কোন নবী বা অন্যকোন সৎ আমলকারীর কবর জিয়ারত করার উদ্দেশ্যে সফর করা জায়েজ নেই। (দ্বীন ইসলামের জানা অজানা, পৃষ্ঠা-১১৯, লেখক-ড. ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ)।

★মুসলমানেরা হযরত মুহাম্মদ সা: এর রওয়াজা জিয়ারত করে।

৫.মাদখলিরা সাহাবাদের সত্যের মাপকাঠি মানে না, বেদা'তিনবলে গালি দেয়:

 “সাহাবাগণের (রা.) কথা দলীল স্বরূপ পেশ করা যাবে না।” এবং তাদের বুঝ নির্ভরযোগ্য নয়। (আর রাওজাতুল নাদীয়া- পৃ.১/১৪১] [আর রাওজাতুল নাদীয়া-পৃ.১/১৫৪, লেখক-নবাব সিদ্দীক হাসান খান)

★মুসলমানেরা সাহাবাগনকে সত্যের মাপকাঠি মনে করে।

৬.মাদখালিরা সাহাবাদের কথা প্রমান যোগ্য মনে করে না:
 “সাহাবীদের কথা প্রমাণযোগ্য নয়”।( ফাতাওয়ায়ে নজীরিয়া-পৃ.১/৩৪০, লেখক মিয়া নজীর হুসাইন দেহলবী)

★মুসলমানেরা সাহাবাগনের কথাকে আমল যোগ্য দলিল মনে করেন।

৭.মাদখালিরা সাহাবাগনকে ফাসেকও মনে করে(নাউজুবিল্লাহ):
 “সাহাবাদের মধ্য হতে কিছু সংখ্যক ফাসেক্বও ছিল, যেমন-ওয়ালিদ, তেমনি ভাবে মুয়াবিয়া, উমর, মুগীরা ও সামুরা (রা.) প্রমুখ সম্বন্ধেও অনুরূপ বলা যেতে পারে ”। (নুযুলুল আবরার, পৃ.২/৯৪, লেখক-নবাব ওহীদুজ্জামান খান)।

★মুসলমানেরা সাহাবা গনকে সন্মান করে।                    

৮. মাদখলিরা তাক্বলীদকে শয়তানের কাজ মনে করে:
“তাক্বলীদ হচ্ছে ঈমানদারদের জন্য শয়তানের সৃষ্ট বিভ্রান্তি।(কাটহুজ্জাতীর জওয়াব, পৃ.৮৩, লেখক- মাও. আবু তাহের বর্দ্ধমানী)।

★মুসলমানেরা শরীয়ত বুঝার জন্য তাক্বলীদ করে, তবে অন্ধ অনুকরন করে না।                                                                                                                                                            

 ৯. তাকলীদ কারীকে মাদখলিরা মুসলমান মনে করে না:
”মুক্বাল্লিদগণকে মুসলমান মনে করা উচিত নয়।(তাওহীদী এটম বোম, পৃ.১৫, লেখক- মাওলানা আব্দুল মান্নান সিরাজনগরী,বগুড়া)। 

★মুসলমানেরা দ্বীন বুঝার জন্য তাক্বলীদ করে। 

১০.মাযহাবীদের ওহাবীরা ইসলাম হতে বহিষ্কৃত মনে করে:
“মাযহাবীগণ ইসলাম থেকে বহিষ্কৃত, তাদের মধ্যে ইসলামের কোন অংশ নেই।(তাম্বিহুল গাফেলীন, আব্দুল কাদির রচিত পৃ.৭)

★মুসলমানেরা সকল মাযহাবকে সমান মনে করে ও সন্মান করে। 

(চলবে........)

" মুসলমান ও মাদখালীদের মধ্যে সুষ্পষ্ট পার্থক্য সমূহ,পর্ব-২"

১১.মাদখালিরা চার ইমামকে মুশরক কাফের মনে করে:
”চার ইমামের মুক্বাল্লেদ এবং চার তরিকার অনুসারীগণ মুশরিক ও কাফির।(ইতেছামুস সুন্নাহ পৃ.৭-৮, লেখক- মাও. আব্দুল্লাহ মুহাম্মদী)   
 ★মুসলমানেরা চার ইমামকে ইসালমের শরিয়তে ব্যাখ্যা দাতা মনে করে।                                                                                           

১২.মাদখালিরা টুপী পড়াকে সুন্নাত মনে করে না:
পাঞ্জাবী, টুপি এগুলো সুন্নতী পোশাক নয় বরং ভিক্ষা বৃত্তির পোশাক। ইসলামে সুন্নতী পোশাক বলতে কোন পোশাক নেই। বরং প্রত্যেক দেশের প্রচলিত পোশাকই সুন্নতী পোশাক এবং যে পোশাক যার কাছে ভাল লাগে তাই সুন্নতী পোশাক তবে শর্ত হল উক্ত পোশাক দেখতে সুন্দর হতে হবে। টুপি পাগড়ী পড়লে সুন্দর লাগে এতটুকুই কিন্তু এগুলোকে সুন্নতী পোশাক বলা যাবে না। কেননা, পাগড়ি হল সুদান, আফগানিস্তান, ইরান আর ভারতের শিখদের পোশাক। এটা কোন সুন্নতী পোশাক নয়।(দ্বীন ইসলামের জানা অজানা, পৃ-২১২-২১৩, লেখক-ড. ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ)

★ মুসলিমরা টুপী পড়াকে সুন্নত মনে করে।

১৩. মাদখালিরা মাযহাবকে বিনা কারনে অমুসলিম মনে করে :
হানাফীরা রাসূল সাঃ এর তরীকা অনুযায়ী নামায আদায় করে না, কেননা তাদের ধর্ম ইসলাম নয় বরং হানাফী, তাদের প্রভু আল্লাহ নয় বরং আবূ হানীফা, তাদের নবী মুহাম্মদ নয় বরং উলামায়ে আহনাফ।(মাসায়েলে গাইরে মুকাল্লিদীন, পৃ-৪৯, লেখক-মাওলানা আবু বকর গাজিপুরী)

★মুসলিমরা চার মাজহাবকেই সঠিক মনে করে।                                                                                                                                                

১৪. মাদখালিরা লা ইলাহা ইল্লা আবু হানীফা ওয়া উলামাউল আহনাফ আরবাবুন মিন দুনিল্লাহ বাক্যকে কালেমা মনে করে:
হানাফীরা যদিও যাহেরীভাবে কালেমা “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ এবং মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ” বলে কিন্তু তাদের আসল কালিমা হলো “লা ইলাহা ইল্লা আবু হানীফা ওয়া উলামাউল আহনাফ আরবাবুন মিন দুনিল্লাহ”।(মাসায়েলে গাইরে মুকাল্লিদীন, পৃ-৪৯, লেখক-মাওলানা আবু বকর গাজিপুরী)।

★মুসলিমরা  এমন কালেমার কথা কখনোই শোনে নি।                                                 

১৫.মাদখালিরা সাহাবাদেরকে ফাসেক ৃনে করে:
সাহাবীদের মধ্যে আমর বিন আস, ওয়ালিদ বিন মুগীরা, মুআবিয়া বিন আবু সুফিয়ান, মুগীরা বিন শু’বাহ, সামুরা বিন জুন্দুব, এরা সকলেই ফাসেক ছিল। এদের নামের সাথে রাদিয়াল্লাহু আনহু বলা হারাম।(মাসায়েলে গাইরে মুকাল্লিদীন, পৃ-৬০, লেখক-মাওলানা আবু বকর গাজিপুরী)। 

১৬.মাদখালিরা মাযহাব পন্থীদেরকে ইহুদি মনে করে:
 “ আহলে সুন্নাতের ইয়াহুদী হল রক্ষণশীল মাযহাবপন্থীরা, বিশেষতঃ কিছু হানাফী।(আদদেওবন্দিয়া , পৃ.৪৫০, লেখক শেখ সাইফুর রহমান) 

★ মুসলমানরা চার মাযহাবকেই সঠিক মনে করে।                   

১৭। মাদখালিরা মুসলমাদের মাসআলাকে কাফিরের ফতোয়া মনে করে:
“হানাফী মাযহাবের মাসআলা কাফির হিন্দুদের পঞ্চভ্রাতাদের মাসআলার চাইতেও জঘন্য-ঘৃণ্য। 
(তাওহীদী এটম বোম,পৃ. ৬৬, লেখক- মাও.আব্দুল মান্নান সিরাজনগরী (বগুড়া), অনুরূপ” আমি কেন মুসলিম হইলাম” সুজাউল হক, ৫-১৭)। 

★ মুসলমানরা আলেমদের ফতোয়াকে সন্মান করে।

১৮. মাদখালিরা হানাফি মাজহাবকে জাহান্নামি মনে করে:
মাযহাবীদের যুক্তির সন্ধান, বইয়ের লিখক মাও. আব্দুর রহমান লিখে- “ হানাফী মাযহাব ৭২টি জাহান্নামী দলের একটি দল।” (মাযহাবীদের যুক্তির সন্ধানে ভূমিকা)। 

★ মুসলমানরা সকল মাজহাবকেই জায়েজ মনে করে।         

১৯.মাদখালিরা ইমাম আবু হানিফার চরিত্র নিয়ে কুৎসা রটায়:
 মৌ. আব্দুল কাদের এবং কথিত নব মুসলিম সুজাউল হক লিখেছে-” আবু হানীফা মানুষের মন জয় এবং আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে হানীফা নামক সুন্দরী যুবতী মেয়েটির নাম অনুসারে মাযহাবের নামকরণ করেছে।(“তাম্বিহুল গাফেলীন” আঃ কাদির রচিত, পৃ. ১৯, সুজাউল হক নব মুসলিম রচিত “আমি কেন মুসলিম হইলাম” পৃ. ১৯) 

★ মুসলমানরা মাদখলিদের ঈমাম, কমনওয়েলথ ব্রিটিশ গোয়েন্দা ড হামফেরীর তৈরী আব্দুল ওহাব নযদিকে সফিয়া নাৃক নারীর সাথে জ্বপনা করেছে মর্মে প্রমান আছে বলে দাবি করে।

২০. মাদখলিরা হানাফিদের মুরদাত মনে করে:
“আমি কেন মুসলিম হইলাম” বইয়ের লিখক সুজাউল হক নব মুসলিম, হানাফী ছিলেন। লা-মাযহাবী মতবাদ অবলম্বন করতঃ উক্ত বিতর্কিত বই রচনা করে। এ বইয়ের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কেবল ইমাম আবু হানীফা ও হানাফী মাযহাবের প্রতি অপবাদ, অপপ্রচার ও কুৎসা রটানোর চুক্তিতেই লাগামহীনভাবে হীনস্বার্থ চরিতার্থ করেছে। এ বইয়ের ৩,৪,৯ ও ১৩ পৃষ্ঠায় লিখেছে, হানাফীরা মুরতাদ, ৪ ও ৮ পৃষ্ঠায় লিখেছে- হানাফীরা নাস্তিক। ৫ও১৮নং পৃষ্ঠায় লিখেছে, হানাফীরা ধর্মের দালাল ও প্রতারক, ইমাম আবু হানীফা (রহ.) সম্বন্ধে উক্ত বইয়ের ১৭ পৃষ্ঠায় লিখেছে- “ ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায়, ইসলামদ্রোহী শত্রুদলসমূহের মধ্যে অন্যতম ইমাম আবু হানীফার নগ্ন ভূমিকার কুৎসিত ইতিহাস। 



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ

বাউল নামের ফাউল আর আইয়্যেমে জাহেলিয়াতের কবিদের পরিত্যাজ্য

  ইদানীং বাউলদের ফাউল আচরন আর সৃষ্টি কর্তার সাথে বেয়াদবীর সীমা অতিক্রম করেছে। আগের যুগে আইয়্যেমে জাহেলিয়াতের কবিরা যেরকম আচরন করত সেরকম আচরন...